হাসলে চোখ দিয়ে পানি আসে কেন? কখন সতর্ক হবেন

হাসলে চোখ দিয়ে পানি আসে কেন? কখন সতর্ক হবেন
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মজার কোনো ঘটনা বা কোনো কৌতুক দেখে খুব হাসি পেয়েছে। এজন্য প্রাণ খুলে হাসছেন। কিন্তু হাসতে হাসতে হঠাৎ আপনার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। অনেকেরই এমন অভিজ্ঞতা হয়। কখনো চোখের কোণে পানি জমে যায়, আবার কখনো গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ে। অনেকে একে অতিরিক্ত আবেগের প্রকাশ মনে করেন। তবে এর পেছনে রয়েছে স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া।
হাসলে চোখে পানি আসে কেন?
চোখের পানি তৈরি হয় মূলত চোখের ওপরের বাইরের দিকে থাকা অশ্রুগ্রন্থিতে। চোখকে আর্দ্র রাখা, ধুলাবালি ও জীবাণুর মতো ক্ষতিকর উপাদান থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং চোখের পৃষ্ঠ পরিষ্কার রাখতে এই পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হাসির সময় মুখের বিভিন্ন পেশি সংকুচিত হয়। এই সংকোচন চোখের নিচেও হয়। একইসঙ্গে চোখের পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াও সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে চোখে অতিরিক্ত পানি জমে এবং তা বাইরে গড়িয়ে পড়ে।
এটি কি শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া?
হ্যাঁ, শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। হাসতে হাসতে চোখে পানি আসার পেছনে প্রতিবর্তী অশ্রু নিঃসরণের ভূমিকা থাকে। হাঁচি, কাশি, হাই তোলা কিংবা বমির সময়ও অনেকের চোখে পানি আসে। এসব ক্ষেত্রে মুখের পেশির সংকোচন ও স্নায়ুর প্রতিক্রিয়ার কারণে চোখে পানি জমতে পারে।
একইভাবে জোরে হাসার সময় মুখের পেশির নড়াচড়া এবং চোখের ওপর চাপের কারণে অশ্রু জমে। ফলে হাসির দমক থামার আগেই চোখ ভিজে যায় এবং বাইরে বেরিয়ে আসে।
হাসলে কি সবার চোখেই পানি আসে?
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে হাসলে সবার চোখেই পানি আসে কি না। এর উত্তর হলো- সবার ক্ষেত্রে এমনটা ঘটে না। কেউ জোরে হাসলেও চোখে পানি আসে না, আবার কারও সামান্য হাসিতেই চোখ ভিজে যায়। অশ্রু তৈরির পরিমাণ, চোখের পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং ব্যক্তিভেদে শারীরিক পার্থক্যের কারণে এমনটি হতে পারে।
কখন সতর্ক হবেন?
শুধু হাসির সময় চোখে দিয়ে পানি পাড়লে বা চোখে পানি আসলে সেটি উদ্বেগের কোনো কারণ নয়। তবে হাসি ছাড়াও নিয়মিত চোখ দিয়ে পানি পড়লে বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। চোখের অ্যালার্জি, সংক্রমণ, শুষ্কতা কিংবা অশ্রুনালিতে বাধা তৈরি হলে অতিরিক্ত পানি পড়তে পারে।
চোখ লাল হওয়া, ব্যথা, চুলকানি, দৃষ্টিতে সমস্যা কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত পানি পড়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলেও সতর্ক হতে হবে। এজন্য দেরি না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মজার কোনো ঘটনা বা কোনো কৌতুক দেখে খুব হাসি পেয়েছে। এজন্য প্রাণ খুলে হাসছেন। কিন্তু হাসতে হাসতে হঠাৎ আপনার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। অনেকেরই এমন অভিজ্ঞতা হয়। কখনো চোখের কোণে পানি জমে যায়, আবার কখনো গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ে। অনেকে একে অতিরিক্ত আবেগের প্রকাশ মনে করেন। তবে এর পেছনে রয়েছে স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া।
হাসলে চোখে পানি আসে কেন?
চোখের পানি তৈরি হয় মূলত চোখের ওপরের বাইরের দিকে থাকা অশ্রুগ্রন্থিতে। চোখকে আর্দ্র রাখা, ধুলাবালি ও জীবাণুর মতো ক্ষতিকর উপাদান থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং চোখের পৃষ্ঠ পরিষ্কার রাখতে এই পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হাসির সময় মুখের বিভিন্ন পেশি সংকুচিত হয়। এই সংকোচন চোখের নিচেও হয়। একইসঙ্গে চোখের পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াও সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে চোখে অতিরিক্ত পানি জমে এবং তা বাইরে গড়িয়ে পড়ে।
এটি কি শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া?
হ্যাঁ, শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। হাসতে হাসতে চোখে পানি আসার পেছনে প্রতিবর্তী অশ্রু নিঃসরণের ভূমিকা থাকে। হাঁচি, কাশি, হাই তোলা কিংবা বমির সময়ও অনেকের চোখে পানি আসে। এসব ক্ষেত্রে মুখের পেশির সংকোচন ও স্নায়ুর প্রতিক্রিয়ার কারণে চোখে পানি জমতে পারে।
একইভাবে জোরে হাসার সময় মুখের পেশির নড়াচড়া এবং চোখের ওপর চাপের কারণে অশ্রু জমে। ফলে হাসির দমক থামার আগেই চোখ ভিজে যায় এবং বাইরে বেরিয়ে আসে।
হাসলে কি সবার চোখেই পানি আসে?
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে হাসলে সবার চোখেই পানি আসে কি না। এর উত্তর হলো- সবার ক্ষেত্রে এমনটা ঘটে না। কেউ জোরে হাসলেও চোখে পানি আসে না, আবার কারও সামান্য হাসিতেই চোখ ভিজে যায়। অশ্রু তৈরির পরিমাণ, চোখের পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং ব্যক্তিভেদে শারীরিক পার্থক্যের কারণে এমনটি হতে পারে।
কখন সতর্ক হবেন?
শুধু হাসির সময় চোখে দিয়ে পানি পাড়লে বা চোখে পানি আসলে সেটি উদ্বেগের কোনো কারণ নয়। তবে হাসি ছাড়াও নিয়মিত চোখ দিয়ে পানি পড়লে বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। চোখের অ্যালার্জি, সংক্রমণ, শুষ্কতা কিংবা অশ্রুনালিতে বাধা তৈরি হলে অতিরিক্ত পানি পড়তে পারে।
চোখ লাল হওয়া, ব্যথা, চুলকানি, দৃষ্টিতে সমস্যা কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত পানি পড়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলেও সতর্ক হতে হবে। এজন্য দেরি না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

হাসলে চোখ দিয়ে পানি আসে কেন? কখন সতর্ক হবেন
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মজার কোনো ঘটনা বা কোনো কৌতুক দেখে খুব হাসি পেয়েছে। এজন্য প্রাণ খুলে হাসছেন। কিন্তু হাসতে হাসতে হঠাৎ আপনার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। অনেকেরই এমন অভিজ্ঞতা হয়। কখনো চোখের কোণে পানি জমে যায়, আবার কখনো গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ে। অনেকে একে অতিরিক্ত আবেগের প্রকাশ মনে করেন। তবে এর পেছনে রয়েছে স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া।
হাসলে চোখে পানি আসে কেন?
চোখের পানি তৈরি হয় মূলত চোখের ওপরের বাইরের দিকে থাকা অশ্রুগ্রন্থিতে। চোখকে আর্দ্র রাখা, ধুলাবালি ও জীবাণুর মতো ক্ষতিকর উপাদান থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং চোখের পৃষ্ঠ পরিষ্কার রাখতে এই পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হাসির সময় মুখের বিভিন্ন পেশি সংকুচিত হয়। এই সংকোচন চোখের নিচেও হয়। একইসঙ্গে চোখের পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াও সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে চোখে অতিরিক্ত পানি জমে এবং তা বাইরে গড়িয়ে পড়ে।
এটি কি শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া?
হ্যাঁ, শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। হাসতে হাসতে চোখে পানি আসার পেছনে প্রতিবর্তী অশ্রু নিঃসরণের ভূমিকা থাকে। হাঁচি, কাশি, হাই তোলা কিংবা বমির সময়ও অনেকের চোখে পানি আসে। এসব ক্ষেত্রে মুখের পেশির সংকোচন ও স্নায়ুর প্রতিক্রিয়ার কারণে চোখে পানি জমতে পারে।
একইভাবে জোরে হাসার সময় মুখের পেশির নড়াচড়া এবং চোখের ওপর চাপের কারণে অশ্রু জমে। ফলে হাসির দমক থামার আগেই চোখ ভিজে যায় এবং বাইরে বেরিয়ে আসে।
হাসলে কি সবার চোখেই পানি আসে?
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে হাসলে সবার চোখেই পানি আসে কি না। এর উত্তর হলো- সবার ক্ষেত্রে এমনটা ঘটে না। কেউ জোরে হাসলেও চোখে পানি আসে না, আবার কারও সামান্য হাসিতেই চোখ ভিজে যায়। অশ্রু তৈরির পরিমাণ, চোখের পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং ব্যক্তিভেদে শারীরিক পার্থক্যের কারণে এমনটি হতে পারে।
কখন সতর্ক হবেন?
শুধু হাসির সময় চোখে দিয়ে পানি পাড়লে বা চোখে পানি আসলে সেটি উদ্বেগের কোনো কারণ নয়। তবে হাসি ছাড়াও নিয়মিত চোখ দিয়ে পানি পড়লে বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। চোখের অ্যালার্জি, সংক্রমণ, শুষ্কতা কিংবা অশ্রুনালিতে বাধা তৈরি হলে অতিরিক্ত পানি পড়তে পারে।
চোখ লাল হওয়া, ব্যথা, চুলকানি, দৃষ্টিতে সমস্যা কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত পানি পড়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলেও সতর্ক হতে হবে। এজন্য দেরি না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

‘স্লিপ ট্যুরিজম’ কী, কেন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে? 







