অভিনেতা ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ

অভিনেতা ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ
বিনোদন ডেস্ক

বলিউড অভিনেতা ও আমির খানের ভাগ্নে ইমরান খানকে আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর তার বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নিয়েছে মোদি সরকার।
গত ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে আয়োজিত ওই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন ইমরান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা ও তার প্রেমিকা লেখা ওয়াশিংটন এবং চাচাতো বোন জেইন মেরি খান। বিক্ষোভ চলাকালে মুম্বাই পুলিশ তাদের তিনজনকেই আটক করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইমরানের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কারণ তিনি ভারতীয় নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। জানা গেছে, তিনি একজন মার্কিন নাগরিক। ২০১১ সালে ইন্ডিয়া টুডেতে তার মার্কিন নাগরিকত্ব নিয়ে বলা একটি বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছিল। ইমরান বলেছিলেন, ‘আমি একটি ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করছি। আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া চলছে। আমি আশা করি শীঘ্রই এটি পেয়ে যাব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি দেশের সেবা করা আমার কর্তব্য। আমি এখানকার নাগরিক না হওয়ায় ভোট দিতে পারি না। কিন্তু আমি ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। আমি নিজেকে এই দেশেরই অংশ বলে মনে করি।’
মুম্বাই পুলিশের জারি করা নোটিশে ইমরানকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়তে বলা হয়েছে।
এর আগে বিজেপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য কিরিট সোমাইয়া ইমরানকে ভারত থেকে বের করে দেওয়ার দাবি জানান। তার বক্তব্য, ইমরান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তাই তার নাগরিকত্ব যাচাই করার জন্য মুম্বাই পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সোমাইয়া লেখেন, ‘অভিনেতা ইমরান খানকে অবিলম্বে দেশ থেকে বের করে দেওয়া উচিত।’ সেইসঙ্গে একজন বিদেশি নাগরিকের রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া কতটা যুক্তিসংগত, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এর আগে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ইমরান সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি হিসেবে নয় বরং মুম্বাইয়ের একজন বাসিন্দা হিসেবে সেখানে এসেছেন। চলাচলের স্বাধীনতায় বিধিনিষেধ এবং মানুষের কণ্ঠরোধের বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘আমার কোনো দাবি নেই। আমি এখানে একজন নাগরিক হিসেবে, এই শহরের একজন বাসিন্দা হিসেবে এসেছি।’
কোনো সংগঠনের অংশ নন বলেও জানান এই অভিনেতা।
শুধু এবারই প্রথম নয়, এর আগেও ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে আওয়াজ তুলেছেন ইমরান খান। চলতি বছরের জুলাই মাসে নিট পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছিলেন তিনি। দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।
ইমরান খান এখনো নোটিশের জবাব দেননি।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

বলিউড অভিনেতা ও আমির খানের ভাগ্নে ইমরান খানকে আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর তার বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নিয়েছে মোদি সরকার।
গত ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে আয়োজিত ওই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন ইমরান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা ও তার প্রেমিকা লেখা ওয়াশিংটন এবং চাচাতো বোন জেইন মেরি খান। বিক্ষোভ চলাকালে মুম্বাই পুলিশ তাদের তিনজনকেই আটক করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইমরানের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কারণ তিনি ভারতীয় নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। জানা গেছে, তিনি একজন মার্কিন নাগরিক। ২০১১ সালে ইন্ডিয়া টুডেতে তার মার্কিন নাগরিকত্ব নিয়ে বলা একটি বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছিল। ইমরান বলেছিলেন, ‘আমি একটি ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করছি। আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া চলছে। আমি আশা করি শীঘ্রই এটি পেয়ে যাব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি দেশের সেবা করা আমার কর্তব্য। আমি এখানকার নাগরিক না হওয়ায় ভোট দিতে পারি না। কিন্তু আমি ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। আমি নিজেকে এই দেশেরই অংশ বলে মনে করি।’
মুম্বাই পুলিশের জারি করা নোটিশে ইমরানকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়তে বলা হয়েছে।
এর আগে বিজেপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য কিরিট সোমাইয়া ইমরানকে ভারত থেকে বের করে দেওয়ার দাবি জানান। তার বক্তব্য, ইমরান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তাই তার নাগরিকত্ব যাচাই করার জন্য মুম্বাই পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সোমাইয়া লেখেন, ‘অভিনেতা ইমরান খানকে অবিলম্বে দেশ থেকে বের করে দেওয়া উচিত।’ সেইসঙ্গে একজন বিদেশি নাগরিকের রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া কতটা যুক্তিসংগত, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এর আগে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ইমরান সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি হিসেবে নয় বরং মুম্বাইয়ের একজন বাসিন্দা হিসেবে সেখানে এসেছেন। চলাচলের স্বাধীনতায় বিধিনিষেধ এবং মানুষের কণ্ঠরোধের বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘আমার কোনো দাবি নেই। আমি এখানে একজন নাগরিক হিসেবে, এই শহরের একজন বাসিন্দা হিসেবে এসেছি।’
কোনো সংগঠনের অংশ নন বলেও জানান এই অভিনেতা।
শুধু এবারই প্রথম নয়, এর আগেও ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে আওয়াজ তুলেছেন ইমরান খান। চলতি বছরের জুলাই মাসে নিট পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছিলেন তিনি। দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।
ইমরান খান এখনো নোটিশের জবাব দেননি।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

অভিনেতা ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ
বিনোদন ডেস্ক

বলিউড অভিনেতা ও আমির খানের ভাগ্নে ইমরান খানকে আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর তার বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নিয়েছে মোদি সরকার।
গত ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে আয়োজিত ওই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন ইমরান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা ও তার প্রেমিকা লেখা ওয়াশিংটন এবং চাচাতো বোন জেইন মেরি খান। বিক্ষোভ চলাকালে মুম্বাই পুলিশ তাদের তিনজনকেই আটক করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইমরানের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কারণ তিনি ভারতীয় নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। জানা গেছে, তিনি একজন মার্কিন নাগরিক। ২০১১ সালে ইন্ডিয়া টুডেতে তার মার্কিন নাগরিকত্ব নিয়ে বলা একটি বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছিল। ইমরান বলেছিলেন, ‘আমি একটি ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করছি। আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া চলছে। আমি আশা করি শীঘ্রই এটি পেয়ে যাব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি দেশের সেবা করা আমার কর্তব্য। আমি এখানকার নাগরিক না হওয়ায় ভোট দিতে পারি না। কিন্তু আমি ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। আমি নিজেকে এই দেশেরই অংশ বলে মনে করি।’
মুম্বাই পুলিশের জারি করা নোটিশে ইমরানকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছাড়তে বলা হয়েছে।
এর আগে বিজেপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য কিরিট সোমাইয়া ইমরানকে ভারত থেকে বের করে দেওয়ার দাবি জানান। তার বক্তব্য, ইমরান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তাই তার নাগরিকত্ব যাচাই করার জন্য মুম্বাই পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সোমাইয়া লেখেন, ‘অভিনেতা ইমরান খানকে অবিলম্বে দেশ থেকে বের করে দেওয়া উচিত।’ সেইসঙ্গে একজন বিদেশি নাগরিকের রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া কতটা যুক্তিসংগত, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এর আগে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ইমরান সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি হিসেবে নয় বরং মুম্বাইয়ের একজন বাসিন্দা হিসেবে সেখানে এসেছেন। চলাচলের স্বাধীনতায় বিধিনিষেধ এবং মানুষের কণ্ঠরোধের বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘আমার কোনো দাবি নেই। আমি এখানে একজন নাগরিক হিসেবে, এই শহরের একজন বাসিন্দা হিসেবে এসেছি।’
কোনো সংগঠনের অংশ নন বলেও জানান এই অভিনেতা।
শুধু এবারই প্রথম নয়, এর আগেও ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে আওয়াজ তুলেছেন ইমরান খান। চলতি বছরের জুলাই মাসে নিট পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছিলেন তিনি। দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।
ইমরান খান এখনো নোটিশের জবাব দেননি।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন ইমরান হাশমি
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করলো দিল্লি পুলিশ, নতুন ৩ স্থান নির্ধারণ







