ভিকারুননিসায় ফেল করেছে ১৩৯

ভিকারুননিসায় ফেল করেছে ১৩৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন ২ হাজার ২৩৮ জন শিক্ষার্থী। অকৃতকার্য হয়েছেন ১৩৯ জন। প্রতিষ্ঠানটিতে পাসের হার ৯৪ দশমিক ১৫ শতাংশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, চলতি বছর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১ হাজার ৮৩১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৩৩ জন। পাস করেছেন ১ হাজার ৭০২ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ২৭৪ জন। পাস করেছেন ২৬২ জন। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৫৫ জন। মানবিক বিভাগের পরীক্ষার্থী ছিল ২৯১ জন। পাস করেছেন ২৭৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৮ জন।
ফলাফল খারাপ হওয়ার বিষয়ে অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম বলেন, আমাদের ত্রুটি রয়েছে কিন্তু আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করি ভালো করার জন্য, সবাইকে ধারণ করার চেষ্টা করি। যারা খারাপ ফল করেছে তার পিছনে কোন না কোন কারণ রয়েছে সেটা আমরা খুঁজে বের করবো।
তিনি বলেন, করোনা মহামারীর সময়ের পর থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে আসায় অনেকটা অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে কিন্তু অনেকেই পড়ালেখায় মনোযোগী থেকে শুরু করে নানা সমস্যায় পড়েছে। এটাও ফলাফল খারাপ হওয়ার একটি কারণ হতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন ছাত্রী ছিলেন। অর্থাৎ, এবার ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেন।
সারাদেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৫১ দশমিক ৫৪, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৬১ দশমিক ০৭ এবংকারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী।

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন ২ হাজার ২৩৮ জন শিক্ষার্থী। অকৃতকার্য হয়েছেন ১৩৯ জন। প্রতিষ্ঠানটিতে পাসের হার ৯৪ দশমিক ১৫ শতাংশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, চলতি বছর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১ হাজার ৮৩১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৩৩ জন। পাস করেছেন ১ হাজার ৭০২ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ২৭৪ জন। পাস করেছেন ২৬২ জন। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৫৫ জন। মানবিক বিভাগের পরীক্ষার্থী ছিল ২৯১ জন। পাস করেছেন ২৭৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৮ জন।
ফলাফল খারাপ হওয়ার বিষয়ে অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম বলেন, আমাদের ত্রুটি রয়েছে কিন্তু আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করি ভালো করার জন্য, সবাইকে ধারণ করার চেষ্টা করি। যারা খারাপ ফল করেছে তার পিছনে কোন না কোন কারণ রয়েছে সেটা আমরা খুঁজে বের করবো।
তিনি বলেন, করোনা মহামারীর সময়ের পর থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে আসায় অনেকটা অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে কিন্তু অনেকেই পড়ালেখায় মনোযোগী থেকে শুরু করে নানা সমস্যায় পড়েছে। এটাও ফলাফল খারাপ হওয়ার একটি কারণ হতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন ছাত্রী ছিলেন। অর্থাৎ, এবার ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেন।
সারাদেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৫১ দশমিক ৫৪, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৬১ দশমিক ০৭ এবংকারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী।

ভিকারুননিসায় ফেল করেছে ১৩৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন ২ হাজার ২৩৮ জন শিক্ষার্থী। অকৃতকার্য হয়েছেন ১৩৯ জন। প্রতিষ্ঠানটিতে পাসের হার ৯৪ দশমিক ১৫ শতাংশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, চলতি বছর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১ হাজার ৮৩১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৩৩ জন। পাস করেছেন ১ হাজার ৭০২ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ২৭৪ জন। পাস করেছেন ২৬২ জন। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৫৫ জন। মানবিক বিভাগের পরীক্ষার্থী ছিল ২৯১ জন। পাস করেছেন ২৭৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৮ জন।
ফলাফল খারাপ হওয়ার বিষয়ে অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম বলেন, আমাদের ত্রুটি রয়েছে কিন্তু আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করি ভালো করার জন্য, সবাইকে ধারণ করার চেষ্টা করি। যারা খারাপ ফল করেছে তার পিছনে কোন না কোন কারণ রয়েছে সেটা আমরা খুঁজে বের করবো।
তিনি বলেন, করোনা মহামারীর সময়ের পর থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে আসায় অনেকটা অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে কিন্তু অনেকেই পড়ালেখায় মনোযোগী থেকে শুরু করে নানা সমস্যায় পড়েছে। এটাও ফলাফল খারাপ হওয়ার একটি কারণ হতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন ছাত্রী ছিলেন। অর্থাৎ, এবার ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেন।
সারাদেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৫১ দশমিক ৫৪, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৬১ দশমিক ০৭ এবংকারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী।

২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার







