৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন যারা

৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন যারা
নিজস্ব প্রতিবেদক

৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ শাখা থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পিএসসির ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখের সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১২ অক্টোবর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন মর্মে ধরে নেওয়া হবে এবং এ নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সরকারি কর্ম কমিশনের ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বরের সুপারিশক্রমে ৬১১ জন প্রার্থীকে জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬ অনুসারে টাকা ৪৪০০০-১০৫৯০০/- বেতনক্রমে নিয়োগ দেওয়া হলো।
নিয়োগের শর্তে বলা হয়, তাকে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে তাকে তার চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার যেরূপ স্থির করবে সেরূপ পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। তাকে দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে।
প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিশকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর বর্ধিত করতে পারবে। এই সময়ে তিনি যদি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ ব্যতিরেকে তাকে চাকরি হতে অপসারণ করা যাবে। প্রশিক্ষণ সাফল্যের সাথে সমাপন, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে অতিক্রান্ত হলে তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে।
৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫ এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী তার জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হবে। নিয়োগ পরবর্তী কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো রকম বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
যদি তিনি কোনো বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করে থাকেন অথবা বিয়ে করার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে থাকেন তবে এ নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
চাকরিতে যোগদানের সময় সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ে তাকে পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন/দখলে থাকা সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত একটি ঘোষণাপত্র জমা দিতে হবে। এ ছাড়া প্রতি পাঁচ বছর পর পর ডিসেম্বর মাসে প্রদর্শিত সম্পত্তির হ্র্রাস/বৃদ্ধির হিসাব বিবরণী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখের সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হলো।

৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ শাখা থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পিএসসির ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখের সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১২ অক্টোবর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন মর্মে ধরে নেওয়া হবে এবং এ নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সরকারি কর্ম কমিশনের ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বরের সুপারিশক্রমে ৬১১ জন প্রার্থীকে জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬ অনুসারে টাকা ৪৪০০০-১০৫৯০০/- বেতনক্রমে নিয়োগ দেওয়া হলো।
নিয়োগের শর্তে বলা হয়, তাকে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে তাকে তার চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার যেরূপ স্থির করবে সেরূপ পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। তাকে দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে।
প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিশকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর বর্ধিত করতে পারবে। এই সময়ে তিনি যদি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ ব্যতিরেকে তাকে চাকরি হতে অপসারণ করা যাবে। প্রশিক্ষণ সাফল্যের সাথে সমাপন, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে অতিক্রান্ত হলে তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে।
৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫ এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী তার জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হবে। নিয়োগ পরবর্তী কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো রকম বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
যদি তিনি কোনো বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করে থাকেন অথবা বিয়ে করার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে থাকেন তবে এ নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
চাকরিতে যোগদানের সময় সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ে তাকে পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন/দখলে থাকা সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত একটি ঘোষণাপত্র জমা দিতে হবে। এ ছাড়া প্রতি পাঁচ বছর পর পর ডিসেম্বর মাসে প্রদর্শিত সম্পত্তির হ্র্রাস/বৃদ্ধির হিসাব বিবরণী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখের সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হলো।

৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন যারা
নিজস্ব প্রতিবেদক

৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ শাখা থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পিএসসির ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখের সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১২ অক্টোবর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন মর্মে ধরে নেওয়া হবে এবং এ নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সরকারি কর্ম কমিশনের ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বরের সুপারিশক্রমে ৬১১ জন প্রার্থীকে জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬ অনুসারে টাকা ৪৪০০০-১০৫৯০০/- বেতনক্রমে নিয়োগ দেওয়া হলো।
নিয়োগের শর্তে বলা হয়, তাকে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে তাকে তার চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার যেরূপ স্থির করবে সেরূপ পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। তাকে দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে।
প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিশকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর বর্ধিত করতে পারবে। এই সময়ে তিনি যদি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ ব্যতিরেকে তাকে চাকরি হতে অপসারণ করা যাবে। প্রশিক্ষণ সাফল্যের সাথে সমাপন, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে অতিক্রান্ত হলে তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে।
৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫ এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী তার জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হবে। নিয়োগ পরবর্তী কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো রকম বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
যদি তিনি কোনো বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করে থাকেন অথবা বিয়ে করার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে থাকেন তবে এ নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
চাকরিতে যোগদানের সময় সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ে তাকে পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন/দখলে থাকা সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত একটি ঘোষণাপত্র জমা দিতে হবে। এ ছাড়া প্রতি পাঁচ বছর পর পর ডিসেম্বর মাসে প্রদর্শিত সম্পত্তির হ্র্রাস/বৃদ্ধির হিসাব বিবরণী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখের সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হলো।









