ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে পিওএস মেশিনে করছাড়

ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে পিওএস মেশিনে করছাড়
সিটিজেন ডেস্ক

দেশে ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা আরও বিস্তৃত করতে পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) মেশিন আমদানিতে শুল্ক ও কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন এবং আইটি-নির্ভর কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য সামনে রেখে কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিপণ্য আমদানির ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন শুল্ক ও কর প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ সংক্রান্ত প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সরকার বেশ কিছু কর-সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার এবং মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রযোজ্য সব ধরনের আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের আশা, এর ফলে প্রযুক্তিপণ্যের দাম তুলনামূলকভাবে কমবে এবং ডিজিটাল অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।
এ ছাড়া সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি) আমদানির ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য কর-সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এসএসডির ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল থাকলেও রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং ভ্যাট প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। এতে করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ এই সংরক্ষণ প্রযুক্তির খরচ কমতে পারে বলে মনে করছে সরকার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকার দীর্ঘদিন ধরে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে কাজ করছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে পিওএস মেশিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এসব যন্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে করের বোঝা কমিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এর ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, পিওএস মেশিন আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমানে বিদ্যমান ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ আগাম কর (এটি) সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের প্রত্যাশা, এর ফলে দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো দ্রুত সম্প্রসারিত হবে এবং নগদ অর্থের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক লেনদেনের ব্যবহার আরও বৃদ্ধি পাবে।

দেশে ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা আরও বিস্তৃত করতে পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) মেশিন আমদানিতে শুল্ক ও কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন এবং আইটি-নির্ভর কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য সামনে রেখে কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিপণ্য আমদানির ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন শুল্ক ও কর প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ সংক্রান্ত প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সরকার বেশ কিছু কর-সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার এবং মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রযোজ্য সব ধরনের আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের আশা, এর ফলে প্রযুক্তিপণ্যের দাম তুলনামূলকভাবে কমবে এবং ডিজিটাল অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।
এ ছাড়া সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি) আমদানির ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য কর-সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এসএসডির ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল থাকলেও রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং ভ্যাট প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। এতে করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ এই সংরক্ষণ প্রযুক্তির খরচ কমতে পারে বলে মনে করছে সরকার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকার দীর্ঘদিন ধরে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে কাজ করছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে পিওএস মেশিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এসব যন্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে করের বোঝা কমিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এর ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, পিওএস মেশিন আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমানে বিদ্যমান ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ আগাম কর (এটি) সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের প্রত্যাশা, এর ফলে দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো দ্রুত সম্প্রসারিত হবে এবং নগদ অর্থের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক লেনদেনের ব্যবহার আরও বৃদ্ধি পাবে।

ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে পিওএস মেশিনে করছাড়
সিটিজেন ডেস্ক

দেশে ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা আরও বিস্তৃত করতে পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) মেশিন আমদানিতে শুল্ক ও কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন এবং আইটি-নির্ভর কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য সামনে রেখে কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিপণ্য আমদানির ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন শুল্ক ও কর প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ সংক্রান্ত প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সরকার বেশ কিছু কর-সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার এবং মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রযোজ্য সব ধরনের আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের আশা, এর ফলে প্রযুক্তিপণ্যের দাম তুলনামূলকভাবে কমবে এবং ডিজিটাল অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।
এ ছাড়া সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি) আমদানির ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য কর-সুবিধার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এসএসডির ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল থাকলেও রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং ভ্যাট প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। এতে করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ এই সংরক্ষণ প্রযুক্তির খরচ কমতে পারে বলে মনে করছে সরকার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকার দীর্ঘদিন ধরে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে কাজ করছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে পিওএস মেশিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এসব যন্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে করের বোঝা কমিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এর ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, পিওএস মেশিন আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমানে বিদ্যমান ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ আগাম কর (এটি) সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের প্রত্যাশা, এর ফলে দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো দ্রুত সম্প্রসারিত হবে এবং নগদ অর্থের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক লেনদেনের ব্যবহার আরও বৃদ্ধি পাবে।




