ইলিশের কেজি ২৩০০ টাকা, সবজিতে স্বস্তি

ইলিশের কেজি ২৩০০ টাকা, সবজিতে স্বস্তি
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে বাজারে আসতে শুরু করেছে নানা ধরনের শীতকালীন সবজি। সরবরাহ বাড়ায় কিছু সবজির দাম কমায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরছে। তবে মাছের বাজারে নেই সেই স্বস্তি। বিশেষ করে ইলিশের চড়া দামে বিপাকে পড়ছেন ক্রেতারা। আকার ও মানভেদে ছোট ইলিশ কিনতেও গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা। যদিও রুই, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাসসহ অন্যান্য মাছের দাম কিছুটা কম রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরজমিনে রাজধানীর নয়াবাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ও মানভেদে ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া প্রতি কেজি সিলভার কার্প ১৮০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, রুই ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, গ্রাস কার্প ১৮০ টাকা এবং পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছ বিক্রেতা সুজন মিয়া বলেন, মাছের দাম এখন মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা যাত্রাবাড়ী থেকে মাছ নিয়ে আসি। শীতের সময় ঘের, খাল ও নদী থেকে মাছ বেশি ধরা হয়। মাছের সরবরাহ বাড়লে দামও সাধারণত স্বাভাবিক থাকে। তবে ইলিশের দাম আকার ও মানের ওপর নির্ভর করে। ছোট ইলিশেরও একেকটির দাম একেক রকম।
ইলিশ কিনতে আসা আব্দুল আলিম নামে এক ক্রেতা বলেন, অন্যান্য মাছের দাম মোটামুটি নাগালের মধ্যে থাকলেও ইলিশের দাম অনেক বেশি। বড় আকারের ইলিশ কিনতে ২ হাজার টাকার বেশি খরচ করতে হচ্ছে। তাই ইচ্ছা থাকলেও নিয়মিত ইলিশ কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা যাচ্ছে। প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, রসুন ১০০ টাকা, শিম ৬০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা এবং মেটে আলু ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, ফুলকপি আকারভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতা শাহাদাত হোসেন বলেন, শ্যামবাজার থেকে সবজি কিনে নয়াবাজারে বিক্রি করি। শীতের শুরুতে সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করলেও সব ধরনের সবজির দাম এখনো কমেনি। তবে বেশিরভাগ সবজিরই দাম নাগালের ভেতর। সরবরাহ ও মানের ওপর নির্ভর করে দামে পার্থক্য রয়েছে। বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
সবজি কিনতে আসা আকাশ আহমেদ রুপম নামে এল ক্রেতা বলেন, শীতের সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। কিছু সবজির দাম আগের তুলনায় সহনীয় মনে হচ্ছে। তবে টমেটো, বেগুন ও কাঁচামরিচের দাম এখনো বেশি। সব ধরনের সবজির দাম কমলে সাধারণ মানুষের জন্য বাজার করা আরও সহজ হবে।
এদিকে, মাছ ও সবজির পাশাপাশি মাংসের বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ২৪০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা, গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে বাজারে আসতে শুরু করেছে নানা ধরনের শীতকালীন সবজি। সরবরাহ বাড়ায় কিছু সবজির দাম কমায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরছে। তবে মাছের বাজারে নেই সেই স্বস্তি। বিশেষ করে ইলিশের চড়া দামে বিপাকে পড়ছেন ক্রেতারা। আকার ও মানভেদে ছোট ইলিশ কিনতেও গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা। যদিও রুই, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাসসহ অন্যান্য মাছের দাম কিছুটা কম রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরজমিনে রাজধানীর নয়াবাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ও মানভেদে ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া প্রতি কেজি সিলভার কার্প ১৮০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, রুই ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, গ্রাস কার্প ১৮০ টাকা এবং পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছ বিক্রেতা সুজন মিয়া বলেন, মাছের দাম এখন মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা যাত্রাবাড়ী থেকে মাছ নিয়ে আসি। শীতের সময় ঘের, খাল ও নদী থেকে মাছ বেশি ধরা হয়। মাছের সরবরাহ বাড়লে দামও সাধারণত স্বাভাবিক থাকে। তবে ইলিশের দাম আকার ও মানের ওপর নির্ভর করে। ছোট ইলিশেরও একেকটির দাম একেক রকম।
ইলিশ কিনতে আসা আব্দুল আলিম নামে এক ক্রেতা বলেন, অন্যান্য মাছের দাম মোটামুটি নাগালের মধ্যে থাকলেও ইলিশের দাম অনেক বেশি। বড় আকারের ইলিশ কিনতে ২ হাজার টাকার বেশি খরচ করতে হচ্ছে। তাই ইচ্ছা থাকলেও নিয়মিত ইলিশ কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা যাচ্ছে। প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, রসুন ১০০ টাকা, শিম ৬০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা এবং মেটে আলু ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, ফুলকপি আকারভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতা শাহাদাত হোসেন বলেন, শ্যামবাজার থেকে সবজি কিনে নয়াবাজারে বিক্রি করি। শীতের শুরুতে সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করলেও সব ধরনের সবজির দাম এখনো কমেনি। তবে বেশিরভাগ সবজিরই দাম নাগালের ভেতর। সরবরাহ ও মানের ওপর নির্ভর করে দামে পার্থক্য রয়েছে। বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
সবজি কিনতে আসা আকাশ আহমেদ রুপম নামে এল ক্রেতা বলেন, শীতের সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। কিছু সবজির দাম আগের তুলনায় সহনীয় মনে হচ্ছে। তবে টমেটো, বেগুন ও কাঁচামরিচের দাম এখনো বেশি। সব ধরনের সবজির দাম কমলে সাধারণ মানুষের জন্য বাজার করা আরও সহজ হবে।
এদিকে, মাছ ও সবজির পাশাপাশি মাংসের বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ২৪০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা, গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ইলিশের কেজি ২৩০০ টাকা, সবজিতে স্বস্তি
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে বাজারে আসতে শুরু করেছে নানা ধরনের শীতকালীন সবজি। সরবরাহ বাড়ায় কিছু সবজির দাম কমায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরছে। তবে মাছের বাজারে নেই সেই স্বস্তি। বিশেষ করে ইলিশের চড়া দামে বিপাকে পড়ছেন ক্রেতারা। আকার ও মানভেদে ছোট ইলিশ কিনতেও গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা। যদিও রুই, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাসসহ অন্যান্য মাছের দাম কিছুটা কম রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরজমিনে রাজধানীর নয়াবাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ও মানভেদে ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া প্রতি কেজি সিলভার কার্প ১৮০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, রুই ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, গ্রাস কার্প ১৮০ টাকা এবং পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছ বিক্রেতা সুজন মিয়া বলেন, মাছের দাম এখন মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা যাত্রাবাড়ী থেকে মাছ নিয়ে আসি। শীতের সময় ঘের, খাল ও নদী থেকে মাছ বেশি ধরা হয়। মাছের সরবরাহ বাড়লে দামও সাধারণত স্বাভাবিক থাকে। তবে ইলিশের দাম আকার ও মানের ওপর নির্ভর করে। ছোট ইলিশেরও একেকটির দাম একেক রকম।
ইলিশ কিনতে আসা আব্দুল আলিম নামে এক ক্রেতা বলেন, অন্যান্য মাছের দাম মোটামুটি নাগালের মধ্যে থাকলেও ইলিশের দাম অনেক বেশি। বড় আকারের ইলিশ কিনতে ২ হাজার টাকার বেশি খরচ করতে হচ্ছে। তাই ইচ্ছা থাকলেও নিয়মিত ইলিশ কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা যাচ্ছে। প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, রসুন ১০০ টাকা, শিম ৬০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা এবং মেটে আলু ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, ফুলকপি আকারভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতা শাহাদাত হোসেন বলেন, শ্যামবাজার থেকে সবজি কিনে নয়াবাজারে বিক্রি করি। শীতের শুরুতে সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করলেও সব ধরনের সবজির দাম এখনো কমেনি। তবে বেশিরভাগ সবজিরই দাম নাগালের ভেতর। সরবরাহ ও মানের ওপর নির্ভর করে দামে পার্থক্য রয়েছে। বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
সবজি কিনতে আসা আকাশ আহমেদ রুপম নামে এল ক্রেতা বলেন, শীতের সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। কিছু সবজির দাম আগের তুলনায় সহনীয় মনে হচ্ছে। তবে টমেটো, বেগুন ও কাঁচামরিচের দাম এখনো বেশি। সব ধরনের সবজির দাম কমলে সাধারণ মানুষের জন্য বাজার করা আরও সহজ হবে।
এদিকে, মাছ ও সবজির পাশাপাশি মাংসের বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ২৪০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা, গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কমেছে ডিমের দাম, কাঁচামরিচ ১২০







