আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের দুর্নীতির তথ্য চায় সংসদীয় কমিটি

আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের দুর্নীতির তথ্য চায় সংসদীয় কমিটি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

আওয়ামী লীগ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন বিভিন্ন দপ্তরে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়ে থাকলে তার বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে এসব ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা।
কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, দীপেন দেওয়ান, শাহজাহান চৌধুরী, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং মাছুম মোস্তফা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পে কর্মরত পাড়াকর্মীর জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের সম্মানী ভাতা সম্মানজনক হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া সাজেক ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে মন্ত্রণালয় কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা আগামী বৈঠকে অবহিত করার সুপারিশ করে কমিটি।
কমিটি পার্বত্য অঞ্চলে প্রত্যাগত শরণার্থী ও গুচ্ছগ্রামের অ-উপজাতীয়দের রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়ম দূর করে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে যেন কার্ড বিতরণ করা হয় হয় সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সুপারিশ করে।
মন্ত্রণালয় ও তার অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরে যে শূন্য পদ আছে এবং শূন্য পদ পূরণে মন্ত্রণালয় কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে।
আগামী ডিসেম্বর ২০২৬ সালে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডকে নিয়ে বৈঠক ও পরিদর্শন করবে মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
এছাড়া, কমিটি চলতি অর্থ বছরে মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেটের বিভাজন ও সুষম বণ্টন, খাদ্য শস্য বরাদ্দে অনিয়ম, ব্যয় পরিকল্পনা ও বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ প্রদান করে।

আওয়ামী লীগ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন বিভিন্ন দপ্তরে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়ে থাকলে তার বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে এসব ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা।
কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, দীপেন দেওয়ান, শাহজাহান চৌধুরী, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং মাছুম মোস্তফা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পে কর্মরত পাড়াকর্মীর জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের সম্মানী ভাতা সম্মানজনক হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া সাজেক ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে মন্ত্রণালয় কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা আগামী বৈঠকে অবহিত করার সুপারিশ করে কমিটি।
কমিটি পার্বত্য অঞ্চলে প্রত্যাগত শরণার্থী ও গুচ্ছগ্রামের অ-উপজাতীয়দের রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়ম দূর করে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে যেন কার্ড বিতরণ করা হয় হয় সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সুপারিশ করে।
মন্ত্রণালয় ও তার অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরে যে শূন্য পদ আছে এবং শূন্য পদ পূরণে মন্ত্রণালয় কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে।
আগামী ডিসেম্বর ২০২৬ সালে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডকে নিয়ে বৈঠক ও পরিদর্শন করবে মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
এছাড়া, কমিটি চলতি অর্থ বছরে মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেটের বিভাজন ও সুষম বণ্টন, খাদ্য শস্য বরাদ্দে অনিয়ম, ব্যয় পরিকল্পনা ও বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ প্রদান করে।

আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের দুর্নীতির তথ্য চায় সংসদীয় কমিটি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

আওয়ামী লীগ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন বিভিন্ন দপ্তরে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়ে থাকলে তার বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে এসব ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা।
কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, দীপেন দেওয়ান, শাহজাহান চৌধুরী, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং মাছুম মোস্তফা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পে কর্মরত পাড়াকর্মীর জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের সম্মানী ভাতা সম্মানজনক হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া সাজেক ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে মন্ত্রণালয় কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা আগামী বৈঠকে অবহিত করার সুপারিশ করে কমিটি।
কমিটি পার্বত্য অঞ্চলে প্রত্যাগত শরণার্থী ও গুচ্ছগ্রামের অ-উপজাতীয়দের রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়ম দূর করে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে যেন কার্ড বিতরণ করা হয় হয় সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সুপারিশ করে।
মন্ত্রণালয় ও তার অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরে যে শূন্য পদ আছে এবং শূন্য পদ পূরণে মন্ত্রণালয় কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে।
আগামী ডিসেম্বর ২০২৬ সালে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডকে নিয়ে বৈঠক ও পরিদর্শন করবে মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
এছাড়া, কমিটি চলতি অর্থ বছরে মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেটের বিভাজন ও সুষম বণ্টন, খাদ্য শস্য বরাদ্দে অনিয়ম, ব্যয় পরিকল্পনা ও বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ প্রদান করে।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর







