ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল আংশিক চালু, সহসাই কাটছে না গ্যাস সংকট

ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল আংশিক চালু, সহসাই কাটছে না গ্যাস সংকট
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লোডশেডিং। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। আগুনে বন্ধ হয়ে যাওয়া এলএনজি টার্মিনাল-এফএসআরইউ অবশেষে আংশিক চালু হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যার পর টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। তবে সেটা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। অন্যদিকে আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের (এলএনজি) কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হলেও গ্যাস সরবরাহ কতটা স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
এই সংকটের শুরু গত ২১ জুলাই। এদিন বঙ্গোপসাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) একটিতে আগুন ধরে যায়। দেশে আমদানি করা এলএনজি কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এই টার্মিনাল দুটিতে রূপান্তর করা হয়। এর একটি পরিচালনা করে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি, অন্যটি দেশীয় কোম্পানি সামিট। মার্কিন কোম্পানি পরিচালিত ওই টার্মিনালেই আগুন লেগে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে দৈনিক ২৬৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সবরবরাহ করা হতো। এর মধ্যে এলএনজি ১১০ কোটি ঘনফুটের বেশি। টার্মিনালে আগুন লাগার কারণে এখন দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে দৈনিক ২১৩ থেকে ২১৪ কোটি ঘনফুট। এর প্রভাব পড়েছে বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে। গ্যাসের অভাবে বাসাবাড়ির চুলা জ্বলছে না। এছাড়া প্রায় সব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেকগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। অন্যদিকে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উদপাদন কেন্দ্রও বন্ধ হওয়ার উপক্রম। ফলে বেড়েছে লোডশেডিং। এতে জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টার্মিনালে আগুন লাগার পর স্পট মার্কেটে বাংলাদেশকে কেউ এলএনজি সরবরাহ করতে রাজি হচ্ছে না। গত ২৮ জুলাই এলএনজি কোম্পানি-আরপিজিসিএল ১০ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত স্পট মার্কেট থেকে ৩ কার্গো এলএনজি সরবরাহ করতে আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করে। তবে শুধু ১৫-১৬ আগস্টের জন্য একটি কার্গো সরবরাহ দিতে টেন্ডারে অংশ নেয় বিটল এশিয়া। ওই এক কার্গো এলএনজি কেনা হচ্ছে ৯৪৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকার বেশি দিয়ে।
এদিকে ১০ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ করতে রাজি হয়নি কোনো কোম্পানি। যদিও পরে সৌদি কোম্পানি আরামকো আগামী ১২-১৩ আগস্ট এলএনজি সরবরাহে রাজি হয়েছে। যার মূল্য পড়বে প্রতি ইউনিট ২১ ডলারের বেশি। আরামকোর ওই এলএনজি বিক্রির প্রস্তাব আজ ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উঠতে পারে। এরপর তাদের ক্রয়াদেশ দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে সামিট এবং এক্সিলারেট এনার্জির দুই টার্মিনাল পুরোদমে চালু হবে। তবে এখন পর্যন্ত ওই টার্মিনালের জন্য শিডিউল অনুযায়ী এলএনজি কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সহসাই কাটছে না গ্যাস সংকট।

গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লোডশেডিং। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। আগুনে বন্ধ হয়ে যাওয়া এলএনজি টার্মিনাল-এফএসআরইউ অবশেষে আংশিক চালু হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যার পর টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। তবে সেটা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। অন্যদিকে আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের (এলএনজি) কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হলেও গ্যাস সরবরাহ কতটা স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
এই সংকটের শুরু গত ২১ জুলাই। এদিন বঙ্গোপসাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) একটিতে আগুন ধরে যায়। দেশে আমদানি করা এলএনজি কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এই টার্মিনাল দুটিতে রূপান্তর করা হয়। এর একটি পরিচালনা করে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি, অন্যটি দেশীয় কোম্পানি সামিট। মার্কিন কোম্পানি পরিচালিত ওই টার্মিনালেই আগুন লেগে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে দৈনিক ২৬৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সবরবরাহ করা হতো। এর মধ্যে এলএনজি ১১০ কোটি ঘনফুটের বেশি। টার্মিনালে আগুন লাগার কারণে এখন দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে দৈনিক ২১৩ থেকে ২১৪ কোটি ঘনফুট। এর প্রভাব পড়েছে বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে। গ্যাসের অভাবে বাসাবাড়ির চুলা জ্বলছে না। এছাড়া প্রায় সব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেকগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। অন্যদিকে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উদপাদন কেন্দ্রও বন্ধ হওয়ার উপক্রম। ফলে বেড়েছে লোডশেডিং। এতে জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টার্মিনালে আগুন লাগার পর স্পট মার্কেটে বাংলাদেশকে কেউ এলএনজি সরবরাহ করতে রাজি হচ্ছে না। গত ২৮ জুলাই এলএনজি কোম্পানি-আরপিজিসিএল ১০ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত স্পট মার্কেট থেকে ৩ কার্গো এলএনজি সরবরাহ করতে আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করে। তবে শুধু ১৫-১৬ আগস্টের জন্য একটি কার্গো সরবরাহ দিতে টেন্ডারে অংশ নেয় বিটল এশিয়া। ওই এক কার্গো এলএনজি কেনা হচ্ছে ৯৪৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকার বেশি দিয়ে।
এদিকে ১০ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ করতে রাজি হয়নি কোনো কোম্পানি। যদিও পরে সৌদি কোম্পানি আরামকো আগামী ১২-১৩ আগস্ট এলএনজি সরবরাহে রাজি হয়েছে। যার মূল্য পড়বে প্রতি ইউনিট ২১ ডলারের বেশি। আরামকোর ওই এলএনজি বিক্রির প্রস্তাব আজ ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উঠতে পারে। এরপর তাদের ক্রয়াদেশ দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে সামিট এবং এক্সিলারেট এনার্জির দুই টার্মিনাল পুরোদমে চালু হবে। তবে এখন পর্যন্ত ওই টার্মিনালের জন্য শিডিউল অনুযায়ী এলএনজি কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সহসাই কাটছে না গ্যাস সংকট।

ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল আংশিক চালু, সহসাই কাটছে না গ্যাস সংকট
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লোডশেডিং। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। আগুনে বন্ধ হয়ে যাওয়া এলএনজি টার্মিনাল-এফএসআরইউ অবশেষে আংশিক চালু হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যার পর টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। তবে সেটা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। অন্যদিকে আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের (এলএনজি) কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হলেও গ্যাস সরবরাহ কতটা স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
এই সংকটের শুরু গত ২১ জুলাই। এদিন বঙ্গোপসাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) একটিতে আগুন ধরে যায়। দেশে আমদানি করা এলএনজি কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এই টার্মিনাল দুটিতে রূপান্তর করা হয়। এর একটি পরিচালনা করে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি, অন্যটি দেশীয় কোম্পানি সামিট। মার্কিন কোম্পানি পরিচালিত ওই টার্মিনালেই আগুন লেগে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে দৈনিক ২৬৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সবরবরাহ করা হতো। এর মধ্যে এলএনজি ১১০ কোটি ঘনফুটের বেশি। টার্মিনালে আগুন লাগার কারণে এখন দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে দৈনিক ২১৩ থেকে ২১৪ কোটি ঘনফুট। এর প্রভাব পড়েছে বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে। গ্যাসের অভাবে বাসাবাড়ির চুলা জ্বলছে না। এছাড়া প্রায় সব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেকগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। অন্যদিকে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উদপাদন কেন্দ্রও বন্ধ হওয়ার উপক্রম। ফলে বেড়েছে লোডশেডিং। এতে জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টার্মিনালে আগুন লাগার পর স্পট মার্কেটে বাংলাদেশকে কেউ এলএনজি সরবরাহ করতে রাজি হচ্ছে না। গত ২৮ জুলাই এলএনজি কোম্পানি-আরপিজিসিএল ১০ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত স্পট মার্কেট থেকে ৩ কার্গো এলএনজি সরবরাহ করতে আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করে। তবে শুধু ১৫-১৬ আগস্টের জন্য একটি কার্গো সরবরাহ দিতে টেন্ডারে অংশ নেয় বিটল এশিয়া। ওই এক কার্গো এলএনজি কেনা হচ্ছে ৯৪৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকার বেশি দিয়ে।
এদিকে ১০ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ করতে রাজি হয়নি কোনো কোম্পানি। যদিও পরে সৌদি কোম্পানি আরামকো আগামী ১২-১৩ আগস্ট এলএনজি সরবরাহে রাজি হয়েছে। যার মূল্য পড়বে প্রতি ইউনিট ২১ ডলারের বেশি। আরামকোর ওই এলএনজি বিক্রির প্রস্তাব আজ ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উঠতে পারে। এরপর তাদের ক্রয়াদেশ দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে সামিট এবং এক্সিলারেট এনার্জির দুই টার্মিনাল পুরোদমে চালু হবে। তবে এখন পর্যন্ত ওই টার্মিনালের জন্য শিডিউল অনুযায়ী এলএনজি কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সহসাই কাটছে না গ্যাস সংকট।

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে নাকাল দেশবাসী
গ্যাস সংকট: চাকরি হারানোর শঙ্কায় ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা






