বেক্সিমকোর সম্পত্তি নিলামে উঠলেও মেলে না ক্রেতা

বেক্সিমকোর সম্পত্তি নিলামে উঠলেও মেলে না ক্রেতা
নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯০ কোটি ৯২ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ আদায়ে এবার বেক্সিমকো লিমিটেডের বন্ধক রাখা জমি নিলামে তুলছে রূপালী ব্যাংক। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে ২৬ একর জমি ও সম্পত্তি নিলামে ডাকা হয়েছে। তবে গ্রুপটির সম্পত্তি নিলামে তুললেও শেষ পর্যন্ত ক্রেতা পাওয়া যায় না।
গত শুক্রবার এই নিলাম বিজ্ঞপ্তির কথা জানানো হয়। রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেক্সিমকো টেক্সটাইলের কাছে রূপালী ব্যাংকের সর্বশেষ পাওনা ১৯০ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এর মধ্যে অনাদায়ী সুদ অন্তর্ভুক্ত নয়। ব্যাংকের পাওনা, অন্যান্য খরচ এবং আদালতের সুদসহ আদায়ের জন্য তফসিলে বর্ণিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি যে অবস্থায় আছে, সে অবস্থায় নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঋণগ্রহীতা হিসেবে সর্বশেষ বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডের (বেক্সিমকো লিমিটেড) নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আগে বেক্সটেক্স লিমিটেড নামে পরিচিত ছিল। বেক্সিমকো লিমিটেডের সঙ্গে পদ্মা টেক্সটাইল মিলস এবং বেক্সিমকো নিটিং একীভূত হয়েছে।
জানা গেছে, দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গ্রুপটির খেলাপি ঋণ ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর মালিক ব্যবসায়ী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। ব্যাংকের পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে সালমান এফ রহমানের ১৭নং ধানমন্ডির বাড়ির ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বেক্সিমকোর সম্পত্তি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা আটকে যায়। এছাড়া জিএমজি এয়ারলাইন্সের ঋণের বিপরীতে ২০১৬ সালে সালমান এফ রহমানের বাড়ি নিলাম ডেকেছিল সোনালী ব্যাংক। তবে শেষ পর্যন্ত ক্রেতা মেলেনি।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বেক্সিমকো ব্যাংক থেকে যে ঋণ নিয়েছে সেগুলো পরিশোধ করতে পারছে না। এজন্য তাদের সম্পত্তি নিলামে ডেকেছে। তবে এসব নিলামে সাধারণ ক্রেতা আসে না। ফলে এটি একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া মাত্র।
নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে গাজীপুরের জয়দেবপুর, কালিয়াকৈর ও কাপাসিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক তফসিলের জমির পরিমাণ ৮.৫৫ একর।অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের তারাবো ও যাত্রামুড়া মৌজাতে নিলামের তালিকায় রয়েছে ১৭.৪১ একর। দুই জেলায় মোট ২৫.৯৬ একর জমি নিলামে উঠছে।
নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ২টার মধ্যে নির্ধারিত কার্যালয়ে দরপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। ওইদিন বেলা ২টা ৫ মিনিটে দরপত্রদাতাদের উপস্থিতিতে দরপত্র খোলা হবে। নিলামে অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তাবিত দরের ওপর নির্ধারিত হারে জামানত দিতে হবে। ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত দর হলে এর ওপর ২০ শতাংশ; ১০ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে ১৫ শতাংশ; ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে ১০ শতাংশ হারে জামানত দিতে হবে। তবে সম্পত্তির প্রস্তাবিত মূল্য অস্বাভাবিকভাবে কম বা অপর্যাপ্ত মনে হলে কর্তৃপক্ষ দরপত্র বাতিল করতে পারবে।

১৯০ কোটি ৯২ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ আদায়ে এবার বেক্সিমকো লিমিটেডের বন্ধক রাখা জমি নিলামে তুলছে রূপালী ব্যাংক। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে ২৬ একর জমি ও সম্পত্তি নিলামে ডাকা হয়েছে। তবে গ্রুপটির সম্পত্তি নিলামে তুললেও শেষ পর্যন্ত ক্রেতা পাওয়া যায় না।
গত শুক্রবার এই নিলাম বিজ্ঞপ্তির কথা জানানো হয়। রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেক্সিমকো টেক্সটাইলের কাছে রূপালী ব্যাংকের সর্বশেষ পাওনা ১৯০ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এর মধ্যে অনাদায়ী সুদ অন্তর্ভুক্ত নয়। ব্যাংকের পাওনা, অন্যান্য খরচ এবং আদালতের সুদসহ আদায়ের জন্য তফসিলে বর্ণিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি যে অবস্থায় আছে, সে অবস্থায় নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঋণগ্রহীতা হিসেবে সর্বশেষ বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডের (বেক্সিমকো লিমিটেড) নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আগে বেক্সটেক্স লিমিটেড নামে পরিচিত ছিল। বেক্সিমকো লিমিটেডের সঙ্গে পদ্মা টেক্সটাইল মিলস এবং বেক্সিমকো নিটিং একীভূত হয়েছে।
জানা গেছে, দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গ্রুপটির খেলাপি ঋণ ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর মালিক ব্যবসায়ী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। ব্যাংকের পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে সালমান এফ রহমানের ১৭নং ধানমন্ডির বাড়ির ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বেক্সিমকোর সম্পত্তি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা আটকে যায়। এছাড়া জিএমজি এয়ারলাইন্সের ঋণের বিপরীতে ২০১৬ সালে সালমান এফ রহমানের বাড়ি নিলাম ডেকেছিল সোনালী ব্যাংক। তবে শেষ পর্যন্ত ক্রেতা মেলেনি।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বেক্সিমকো ব্যাংক থেকে যে ঋণ নিয়েছে সেগুলো পরিশোধ করতে পারছে না। এজন্য তাদের সম্পত্তি নিলামে ডেকেছে। তবে এসব নিলামে সাধারণ ক্রেতা আসে না। ফলে এটি একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া মাত্র।
নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে গাজীপুরের জয়দেবপুর, কালিয়াকৈর ও কাপাসিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক তফসিলের জমির পরিমাণ ৮.৫৫ একর।অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের তারাবো ও যাত্রামুড়া মৌজাতে নিলামের তালিকায় রয়েছে ১৭.৪১ একর। দুই জেলায় মোট ২৫.৯৬ একর জমি নিলামে উঠছে।
নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ২টার মধ্যে নির্ধারিত কার্যালয়ে দরপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। ওইদিন বেলা ২টা ৫ মিনিটে দরপত্রদাতাদের উপস্থিতিতে দরপত্র খোলা হবে। নিলামে অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তাবিত দরের ওপর নির্ধারিত হারে জামানত দিতে হবে। ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত দর হলে এর ওপর ২০ শতাংশ; ১০ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে ১৫ শতাংশ; ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে ১০ শতাংশ হারে জামানত দিতে হবে। তবে সম্পত্তির প্রস্তাবিত মূল্য অস্বাভাবিকভাবে কম বা অপর্যাপ্ত মনে হলে কর্তৃপক্ষ দরপত্র বাতিল করতে পারবে।

বেক্সিমকোর সম্পত্তি নিলামে উঠলেও মেলে না ক্রেতা
নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯০ কোটি ৯২ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ আদায়ে এবার বেক্সিমকো লিমিটেডের বন্ধক রাখা জমি নিলামে তুলছে রূপালী ব্যাংক। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে ২৬ একর জমি ও সম্পত্তি নিলামে ডাকা হয়েছে। তবে গ্রুপটির সম্পত্তি নিলামে তুললেও শেষ পর্যন্ত ক্রেতা পাওয়া যায় না।
গত শুক্রবার এই নিলাম বিজ্ঞপ্তির কথা জানানো হয়। রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেক্সিমকো টেক্সটাইলের কাছে রূপালী ব্যাংকের সর্বশেষ পাওনা ১৯০ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এর মধ্যে অনাদায়ী সুদ অন্তর্ভুক্ত নয়। ব্যাংকের পাওনা, অন্যান্য খরচ এবং আদালতের সুদসহ আদায়ের জন্য তফসিলে বর্ণিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি যে অবস্থায় আছে, সে অবস্থায় নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঋণগ্রহীতা হিসেবে সর্বশেষ বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডের (বেক্সিমকো লিমিটেড) নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আগে বেক্সটেক্স লিমিটেড নামে পরিচিত ছিল। বেক্সিমকো লিমিটেডের সঙ্গে পদ্মা টেক্সটাইল মিলস এবং বেক্সিমকো নিটিং একীভূত হয়েছে।
জানা গেছে, দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গ্রুপটির খেলাপি ঋণ ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর মালিক ব্যবসায়ী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। ব্যাংকের পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে সালমান এফ রহমানের ১৭নং ধানমন্ডির বাড়ির ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বেক্সিমকোর সম্পত্তি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা আটকে যায়। এছাড়া জিএমজি এয়ারলাইন্সের ঋণের বিপরীতে ২০১৬ সালে সালমান এফ রহমানের বাড়ি নিলাম ডেকেছিল সোনালী ব্যাংক। তবে শেষ পর্যন্ত ক্রেতা মেলেনি।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বেক্সিমকো ব্যাংক থেকে যে ঋণ নিয়েছে সেগুলো পরিশোধ করতে পারছে না। এজন্য তাদের সম্পত্তি নিলামে ডেকেছে। তবে এসব নিলামে সাধারণ ক্রেতা আসে না। ফলে এটি একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া মাত্র।
নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে গাজীপুরের জয়দেবপুর, কালিয়াকৈর ও কাপাসিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক তফসিলের জমির পরিমাণ ৮.৫৫ একর।অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের তারাবো ও যাত্রামুড়া মৌজাতে নিলামের তালিকায় রয়েছে ১৭.৪১ একর। দুই জেলায় মোট ২৫.৯৬ একর জমি নিলামে উঠছে।
নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ২টার মধ্যে নির্ধারিত কার্যালয়ে দরপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। ওইদিন বেলা ২টা ৫ মিনিটে দরপত্রদাতাদের উপস্থিতিতে দরপত্র খোলা হবে। নিলামে অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তাবিত দরের ওপর নির্ধারিত হারে জামানত দিতে হবে। ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত দর হলে এর ওপর ২০ শতাংশ; ১০ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে ১৫ শতাংশ; ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে ১০ শতাংশ হারে জামানত দিতে হবে। তবে সম্পত্তির প্রস্তাবিত মূল্য অস্বাভাবিকভাবে কম বা অপর্যাপ্ত মনে হলে কর্তৃপক্ষ দরপত্র বাতিল করতে পারবে।

বেক্সিমকো ফার্মার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলো লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ







