কিশোর গ্যাং লিডার ‘কুত্তা শ্রাবণ’ গ্রেপ্তার

কিশোর গ্যাং লিডার ‘কুত্তা শ্রাবণ’ গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কিশোর গ্যাং লিডার শ্রাবণ ওরফে কুত্তা শ্রাবণসহ তার তিন সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন ও ছয়টি লম্বা রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। শ্রাবণের বিরুদ্ধে হত্যা, হামলা, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১৮টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এসআরবি-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।
গ্রেপ্তারকৃত অন্য তিনজন হলেন- সিয়াম, দিপু ও কামরুজ্জামান।
এসআরবি-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত একটার দিকে রূপগঞ্জের চনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শ্রাবণ ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শ্রাবণ দীর্ঘদিন ধরে রূপগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় কিশোর ও উঠতি বয়সি তরুণদের নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ গ্যাং পরিচালনা করে আসছিলেন।
তিনি বলেন, তার নেতৃত্বাধীন গ্যাংয়ের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন। রূপগঞ্জে সক্রিয় দুটি প্রধান কিশোর গ্যাংয়ের একটি শ্রাবণ পরিচালনা করতেন। আরেকটি ‘নবী গ্রুপ’ নামে পরিচিত। গ্রেপ্তার এড়াতে শ্রাবণ এক জায়গায় স্থায়ীভাবে থাকতেন না। বিভিন্ন এলাকায় রাত কাটিয়ে আত্মগোপনে থাকতেন।
মাসুদ পারভেজ বলেন, শ্রাবণ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কেউ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করলে তাকে লক্ষ্য করে হামলা করা হতো। একটি মামলার কারণে বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। মামলার বাদী ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর কারণে অনেকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে সাহস পেতেন না। সাম্প্রতিক সময়ে রূপগঞ্জে ফল ব্যবসায়ী রনিকে হত্যার ঘটনায় শ্রাবণ ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার পর শ্রাবণের শাস্তির দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। এছাড়া গত ১৬ সেপ্টেম্বরের বহুল আলোচিত ‘নাদিম অপহরণ’ মামলায় শ্রাবণকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালে যৌথ বাহিনীর অভিযানে শ্রাবণ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। প্রায় ৬ থেকে সাড়ে ছয় মাস পর জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি আবারও একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।
গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদের রূপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কিশোর গ্যাং লিডার শ্রাবণ ওরফে কুত্তা শ্রাবণসহ তার তিন সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন ও ছয়টি লম্বা রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। শ্রাবণের বিরুদ্ধে হত্যা, হামলা, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১৮টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এসআরবি-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।
গ্রেপ্তারকৃত অন্য তিনজন হলেন- সিয়াম, দিপু ও কামরুজ্জামান।
এসআরবি-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত একটার দিকে রূপগঞ্জের চনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শ্রাবণ ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শ্রাবণ দীর্ঘদিন ধরে রূপগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় কিশোর ও উঠতি বয়সি তরুণদের নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ গ্যাং পরিচালনা করে আসছিলেন।
তিনি বলেন, তার নেতৃত্বাধীন গ্যাংয়ের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন। রূপগঞ্জে সক্রিয় দুটি প্রধান কিশোর গ্যাংয়ের একটি শ্রাবণ পরিচালনা করতেন। আরেকটি ‘নবী গ্রুপ’ নামে পরিচিত। গ্রেপ্তার এড়াতে শ্রাবণ এক জায়গায় স্থায়ীভাবে থাকতেন না। বিভিন্ন এলাকায় রাত কাটিয়ে আত্মগোপনে থাকতেন।
মাসুদ পারভেজ বলেন, শ্রাবণ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কেউ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করলে তাকে লক্ষ্য করে হামলা করা হতো। একটি মামলার কারণে বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। মামলার বাদী ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর কারণে অনেকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে সাহস পেতেন না। সাম্প্রতিক সময়ে রূপগঞ্জে ফল ব্যবসায়ী রনিকে হত্যার ঘটনায় শ্রাবণ ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার পর শ্রাবণের শাস্তির দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। এছাড়া গত ১৬ সেপ্টেম্বরের বহুল আলোচিত ‘নাদিম অপহরণ’ মামলায় শ্রাবণকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালে যৌথ বাহিনীর অভিযানে শ্রাবণ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। প্রায় ৬ থেকে সাড়ে ছয় মাস পর জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি আবারও একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।
গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদের রূপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।

কিশোর গ্যাং লিডার ‘কুত্তা শ্রাবণ’ গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কিশোর গ্যাং লিডার শ্রাবণ ওরফে কুত্তা শ্রাবণসহ তার তিন সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন ও ছয়টি লম্বা রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। শ্রাবণের বিরুদ্ধে হত্যা, হামলা, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১৮টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এসআরবি-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।
গ্রেপ্তারকৃত অন্য তিনজন হলেন- সিয়াম, দিপু ও কামরুজ্জামান।
এসআরবি-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত একটার দিকে রূপগঞ্জের চনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শ্রাবণ ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শ্রাবণ দীর্ঘদিন ধরে রূপগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় কিশোর ও উঠতি বয়সি তরুণদের নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ গ্যাং পরিচালনা করে আসছিলেন।
তিনি বলেন, তার নেতৃত্বাধীন গ্যাংয়ের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন। রূপগঞ্জে সক্রিয় দুটি প্রধান কিশোর গ্যাংয়ের একটি শ্রাবণ পরিচালনা করতেন। আরেকটি ‘নবী গ্রুপ’ নামে পরিচিত। গ্রেপ্তার এড়াতে শ্রাবণ এক জায়গায় স্থায়ীভাবে থাকতেন না। বিভিন্ন এলাকায় রাত কাটিয়ে আত্মগোপনে থাকতেন।
মাসুদ পারভেজ বলেন, শ্রাবণ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কেউ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করলে তাকে লক্ষ্য করে হামলা করা হতো। একটি মামলার কারণে বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। মামলার বাদী ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর কারণে অনেকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে সাহস পেতেন না। সাম্প্রতিক সময়ে রূপগঞ্জে ফল ব্যবসায়ী রনিকে হত্যার ঘটনায় শ্রাবণ ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার পর শ্রাবণের শাস্তির দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। এছাড়া গত ১৬ সেপ্টেম্বরের বহুল আলোচিত ‘নাদিম অপহরণ’ মামলায় শ্রাবণকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালে যৌথ বাহিনীর অভিযানে শ্রাবণ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। প্রায় ৬ থেকে সাড়ে ছয় মাস পর জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি আবারও একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।
গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদের রূপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।

যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ: আওয়ামী লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪







