মেসে পড়ে ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ

মেসে পড়ে ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার চাঁনখারপুলের একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পি কে গাঙ্গুলী লেনের একটি চারতলা ভবনের মেস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই শিক্ষার্থীর নাম অনিক চন্দ্র পাল (২১। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে।
বংশাল থানার পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারের পর অনিকের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অনিকের মরদেহের সঙ্গে হাসপাতালে যাওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জয় রেবু বলেন, রাতে অনিক মেসের কক্ষে একাই ছিলেন। দীর্ঘ সময় কক্ষের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে মেসের অন্য সদস্যরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। তখন তাকে ফ্যানের রডের সঙ্গে গামছার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনা জানার পরপরই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘স্টুডেন্টদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পরপরই আমি ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছাই। তবে ততক্ষণে আমাদের শিক্ষার্থী আর বেঁচে ছিল না।’
তিনি আরও বলেন, “আমি তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং তার বাবার সঙ্গেও কথা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ও মেডিকেল প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এইমাত্র পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়েছে।’
বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনিকের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার চাঁনখারপুলের একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পি কে গাঙ্গুলী লেনের একটি চারতলা ভবনের মেস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই শিক্ষার্থীর নাম অনিক চন্দ্র পাল (২১। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে।
বংশাল থানার পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারের পর অনিকের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অনিকের মরদেহের সঙ্গে হাসপাতালে যাওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জয় রেবু বলেন, রাতে অনিক মেসের কক্ষে একাই ছিলেন। দীর্ঘ সময় কক্ষের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে মেসের অন্য সদস্যরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। তখন তাকে ফ্যানের রডের সঙ্গে গামছার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনা জানার পরপরই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘স্টুডেন্টদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পরপরই আমি ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছাই। তবে ততক্ষণে আমাদের শিক্ষার্থী আর বেঁচে ছিল না।’
তিনি আরও বলেন, “আমি তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং তার বাবার সঙ্গেও কথা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ও মেডিকেল প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এইমাত্র পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়েছে।’
বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনিকের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।

মেসে পড়ে ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার চাঁনখারপুলের একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পি কে গাঙ্গুলী লেনের একটি চারতলা ভবনের মেস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই শিক্ষার্থীর নাম অনিক চন্দ্র পাল (২১। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে।
বংশাল থানার পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারের পর অনিকের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অনিকের মরদেহের সঙ্গে হাসপাতালে যাওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জয় রেবু বলেন, রাতে অনিক মেসের কক্ষে একাই ছিলেন। দীর্ঘ সময় কক্ষের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে মেসের অন্য সদস্যরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। তখন তাকে ফ্যানের রডের সঙ্গে গামছার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনা জানার পরপরই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘স্টুডেন্টদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পরপরই আমি ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছাই। তবে ততক্ষণে আমাদের শিক্ষার্থী আর বেঁচে ছিল না।’
তিনি আরও বলেন, “আমি তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং তার বাবার সঙ্গেও কথা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ও মেডিকেল প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এইমাত্র পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়েছে।’
বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনিকের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।









