পাবনায় শিশু কলি হত্যাকাণ্ড: জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবিতে মানববন্ধন

পাবনায় শিশু কলি হত্যাকাণ্ড: জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবিতে মানববন্ধন
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনায় শিশু কামরুন্নাহার কলি হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে পাবনা জেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে স্থানীয় এলাকাবাসী, নিহত শিশুর স্বজন ও সহপাঠীরা অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি আদালত এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এসব কর্মসূচি পালনকালে হত্যায় অভিযুক্ত দুই আসামির দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে ফাঁসির দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।
এর আগে, নিখোঁজের সাতদিন পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে পাবনা সদর উপজেলার কুলুনিয়া গ্রামে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় কলির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে হত্যার ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে হয়। গ্রেপ্তার মোস্তফা কামাল (৫৫) কুলুনিয়া গ্রামের মৃত আবদুল মতিন প্রামাণিকের ছেলে। অপর আসামি ইয়াছিন আলী (২১) সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার সুবর্ণসারা গ্রামের মৃত মোহাব্বত আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি মোস্তফার বাসায় ভাড়া থাকতেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে বলে জানায় পুলিশ।
মামলার তদন্ত ও অভিযুক্ত দুই আসামির স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কুলুনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে কামরুন্নাহার কলি (১০) নিখোঁজ হয়। ওইদিন প্রতিবেশী মোস্তফা কামাল ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াছিন আলী শিশুটিকে ফুসলিয়ে মোস্তফার মুদি দোকানের পেছনের শোবার ঘরে নিয়ে যান। এরপর দুজন মিলে ধর্ষণ করেন। পরে ঘটনা জানাজানি হওয়ার আশঙ্কায় শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তারা।
তিনি আরও জানান, হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে, তার সাথে দুটি ইট বেঁধে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ডোবায় ঝোপঝাড় ও লতাপাতার নিচে পানিতে ডুবিয়ে রাখে অভিযুক্তরা।

পাবনায় শিশু কামরুন্নাহার কলি হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে পাবনা জেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে স্থানীয় এলাকাবাসী, নিহত শিশুর স্বজন ও সহপাঠীরা অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি আদালত এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এসব কর্মসূচি পালনকালে হত্যায় অভিযুক্ত দুই আসামির দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে ফাঁসির দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।
এর আগে, নিখোঁজের সাতদিন পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে পাবনা সদর উপজেলার কুলুনিয়া গ্রামে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় কলির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে হত্যার ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে হয়। গ্রেপ্তার মোস্তফা কামাল (৫৫) কুলুনিয়া গ্রামের মৃত আবদুল মতিন প্রামাণিকের ছেলে। অপর আসামি ইয়াছিন আলী (২১) সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার সুবর্ণসারা গ্রামের মৃত মোহাব্বত আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি মোস্তফার বাসায় ভাড়া থাকতেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে বলে জানায় পুলিশ।
মামলার তদন্ত ও অভিযুক্ত দুই আসামির স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কুলুনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে কামরুন্নাহার কলি (১০) নিখোঁজ হয়। ওইদিন প্রতিবেশী মোস্তফা কামাল ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াছিন আলী শিশুটিকে ফুসলিয়ে মোস্তফার মুদি দোকানের পেছনের শোবার ঘরে নিয়ে যান। এরপর দুজন মিলে ধর্ষণ করেন। পরে ঘটনা জানাজানি হওয়ার আশঙ্কায় শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তারা।
তিনি আরও জানান, হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে, তার সাথে দুটি ইট বেঁধে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ডোবায় ঝোপঝাড় ও লতাপাতার নিচে পানিতে ডুবিয়ে রাখে অভিযুক্তরা।

পাবনায় শিশু কলি হত্যাকাণ্ড: জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবিতে মানববন্ধন
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনায় শিশু কামরুন্নাহার কলি হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে পাবনা জেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে স্থানীয় এলাকাবাসী, নিহত শিশুর স্বজন ও সহপাঠীরা অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি আদালত এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এসব কর্মসূচি পালনকালে হত্যায় অভিযুক্ত দুই আসামির দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে ফাঁসির দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।
এর আগে, নিখোঁজের সাতদিন পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে পাবনা সদর উপজেলার কুলুনিয়া গ্রামে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় কলির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে হত্যার ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে হয়। গ্রেপ্তার মোস্তফা কামাল (৫৫) কুলুনিয়া গ্রামের মৃত আবদুল মতিন প্রামাণিকের ছেলে। অপর আসামি ইয়াছিন আলী (২১) সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার সুবর্ণসারা গ্রামের মৃত মোহাব্বত আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি মোস্তফার বাসায় ভাড়া থাকতেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে বলে জানায় পুলিশ।
মামলার তদন্ত ও অভিযুক্ত দুই আসামির স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কুলুনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে কামরুন্নাহার কলি (১০) নিখোঁজ হয়। ওইদিন প্রতিবেশী মোস্তফা কামাল ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াছিন আলী শিশুটিকে ফুসলিয়ে মোস্তফার মুদি দোকানের পেছনের শোবার ঘরে নিয়ে যান। এরপর দুজন মিলে ধর্ষণ করেন। পরে ঘটনা জানাজানি হওয়ার আশঙ্কায় শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তারা।
তিনি আরও জানান, হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে, তার সাথে দুটি ইট বেঁধে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ডোবায় ঝোপঝাড় ও লতাপাতার নিচে পানিতে ডুবিয়ে রাখে অভিযুক্তরা।









