যুবলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

যুবলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার
সিজেডএন ডেস্ক

লক্ষ্মীপুরে চলন্ত বাস থামিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতাকে জোর করে নামিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জামাল হোসেনের বয়স ৩২ বছর। তিনি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মজুপুর এলাকার বাসিন্দা আবু সাঈদের ছেলে।
মারধরের শিকার যুবলীগ নেতার নাম মেজবাহ উদ্দিন ওরফে হেলাল। তিনি রামগতি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এবং আ স ম আবদুর রব সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি (ভিপি)। তার বাড়ি রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের পূর্ব চর কলাকোপা গ্রামে।
এ ঘটনায় আজ বুধবার বিকেলে মেজবাহ উদ্দিন বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় জামাল হোসেনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মেজবাহ উদ্দিন ঢাকার দিক থেকে ইকোনো পরিবহনের একটি বাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাসটি লক্ষ্মীপুর শহরের ঝুমুর মোড়ে পৌঁছালে ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি তাকে জোর করে নামিয়ে নেন। পরে তাকে উত্তর তেমুহনী এলাকার লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যানিকেতনের মাঠে নিয়ে মারধর করা হয়।
খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সেখানে অভিযান চালায়। রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে ওই মাঠ থেকে মেজবাহ উদ্দিনকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে জামাল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
আজ বুধবার বিকেল তিনটার দিকে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। এ সময় একজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহেদ পারভেজ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বারাকাত সৌরভ বলেন, জামাল হোসেন তাদের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। তারা ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লক্ষ্মীপুরে চলন্ত বাস থামিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতাকে জোর করে নামিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জামাল হোসেনের বয়স ৩২ বছর। তিনি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মজুপুর এলাকার বাসিন্দা আবু সাঈদের ছেলে।
মারধরের শিকার যুবলীগ নেতার নাম মেজবাহ উদ্দিন ওরফে হেলাল। তিনি রামগতি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এবং আ স ম আবদুর রব সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি (ভিপি)। তার বাড়ি রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের পূর্ব চর কলাকোপা গ্রামে।
এ ঘটনায় আজ বুধবার বিকেলে মেজবাহ উদ্দিন বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় জামাল হোসেনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মেজবাহ উদ্দিন ঢাকার দিক থেকে ইকোনো পরিবহনের একটি বাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাসটি লক্ষ্মীপুর শহরের ঝুমুর মোড়ে পৌঁছালে ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি তাকে জোর করে নামিয়ে নেন। পরে তাকে উত্তর তেমুহনী এলাকার লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যানিকেতনের মাঠে নিয়ে মারধর করা হয়।
খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সেখানে অভিযান চালায়। রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে ওই মাঠ থেকে মেজবাহ উদ্দিনকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে জামাল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
আজ বুধবার বিকেল তিনটার দিকে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। এ সময় একজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহেদ পারভেজ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বারাকাত সৌরভ বলেন, জামাল হোসেন তাদের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। তারা ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুবলীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার
সিজেডএন ডেস্ক

লক্ষ্মীপুরে চলন্ত বাস থামিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতাকে জোর করে নামিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জামাল হোসেনের বয়স ৩২ বছর। তিনি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মজুপুর এলাকার বাসিন্দা আবু সাঈদের ছেলে।
মারধরের শিকার যুবলীগ নেতার নাম মেজবাহ উদ্দিন ওরফে হেলাল। তিনি রামগতি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এবং আ স ম আবদুর রব সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি (ভিপি)। তার বাড়ি রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের পূর্ব চর কলাকোপা গ্রামে।
এ ঘটনায় আজ বুধবার বিকেলে মেজবাহ উদ্দিন বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় জামাল হোসেনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মেজবাহ উদ্দিন ঢাকার দিক থেকে ইকোনো পরিবহনের একটি বাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাসটি লক্ষ্মীপুর শহরের ঝুমুর মোড়ে পৌঁছালে ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি তাকে জোর করে নামিয়ে নেন। পরে তাকে উত্তর তেমুহনী এলাকার লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যানিকেতনের মাঠে নিয়ে মারধর করা হয়।
খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সেখানে অভিযান চালায়। রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে ওই মাঠ থেকে মেজবাহ উদ্দিনকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে জামাল হোসেনকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
আজ বুধবার বিকেল তিনটার দিকে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। এ সময় একজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহেদ পারভেজ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বারাকাত সৌরভ বলেন, জামাল হোসেন তাদের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। তারা ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









