লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৫ দিনে আটক ৭৮৮

লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৫ দিনে আটক ৭৮৮
লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা

দেশের বিভিন্ন স্থানে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম বেড়েছে। এজন্য কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে লক্ষ্মীপুরে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টার অভিযানে জেলার ছয় থানা এলাকা থেকে ১৩৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত ৫ দিনে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭৮৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। এর মধ্যে আগে আটক ৬৫৩ জনের যাচাই-বাছাই শেষে ৪৪৭ জনকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর ২০৬ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর, চন্দ্রগঞ্জ, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর থানার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুরে অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং চক্র রয়েছে। এসব চক্রের সদস্য সংখ্যা ১০০০ জনেরও বেশি। দীর্ঘদিন ধরে তাদের অপতৎপরতা আর বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করা, নিজেদের মধ্যে মারামারি ও নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে জেলার সব থানা এলাকায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু করে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত এসব চক্রের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, কিশোরেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে নিয়মিত কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আটক কিশোরদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে কউকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, আর বাকিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
জেলা পুলিশ সুপার আবু তারেক বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭৮৮ জনকে আটক করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে ২০৬ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের মূল আশ্রয়দাতাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

দেশের বিভিন্ন স্থানে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম বেড়েছে। এজন্য কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে লক্ষ্মীপুরে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টার অভিযানে জেলার ছয় থানা এলাকা থেকে ১৩৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত ৫ দিনে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭৮৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। এর মধ্যে আগে আটক ৬৫৩ জনের যাচাই-বাছাই শেষে ৪৪৭ জনকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর ২০৬ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর, চন্দ্রগঞ্জ, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর থানার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুরে অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং চক্র রয়েছে। এসব চক্রের সদস্য সংখ্যা ১০০০ জনেরও বেশি। দীর্ঘদিন ধরে তাদের অপতৎপরতা আর বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করা, নিজেদের মধ্যে মারামারি ও নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে জেলার সব থানা এলাকায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু করে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত এসব চক্রের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, কিশোরেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে নিয়মিত কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আটক কিশোরদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে কউকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, আর বাকিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
জেলা পুলিশ সুপার আবু তারেক বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭৮৮ জনকে আটক করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে ২০৬ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের মূল আশ্রয়দাতাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৫ দিনে আটক ৭৮৮
লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা

দেশের বিভিন্ন স্থানে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম বেড়েছে। এজন্য কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে লক্ষ্মীপুরে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টার অভিযানে জেলার ছয় থানা এলাকা থেকে ১৩৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত ৫ দিনে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭৮৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। এর মধ্যে আগে আটক ৬৫৩ জনের যাচাই-বাছাই শেষে ৪৪৭ জনকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর ২০৬ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর, চন্দ্রগঞ্জ, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর থানার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুরে অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং চক্র রয়েছে। এসব চক্রের সদস্য সংখ্যা ১০০০ জনেরও বেশি। দীর্ঘদিন ধরে তাদের অপতৎপরতা আর বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করা, নিজেদের মধ্যে মারামারি ও নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে জেলার সব থানা এলাকায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু করে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত এসব চক্রের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, কিশোরেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে নিয়মিত কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আটক কিশোরদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে কউকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, আর বাকিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
জেলা পুলিশ সুপার আবু তারেক বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭৮৮ জনকে আটক করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে ২০৬ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের মূল আশ্রয়দাতাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ৫ ‘মূল হোতা’ গ্রেপ্তার







