এক কর্মীর পায়ের রগ কেটেছে জামায়াত-শিবির: গণঅধিকার পরিষদ

এক কর্মীর পায়ের রগ কেটেছে জামায়াত-শিবির: গণঅধিকার পরিষদ
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

আমাদের এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দিয়েছেন জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা বলে অভিযোগ করেছেন গণ অধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ।
রবিবার (১৬ আগস্ট) রাতে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এ অভিযোগ করেন তিনি।
তৌকির আহমেদ বলেন, শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে তাদের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ছিল। কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ের ওপর শান্তিপূর্ণ সমাবেশে সমাপনী বক্তব্যের শেষ মুহূর্তে সংসদ সদস্য আমির হামজা এবং জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করেন। তখন আমরা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করি। এ সময় আমাদের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয়।
তিনি বলেন, তারা আমাদের এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দেয়। আরেকজন নেতার নাকের হাড় ভেঙে যায় এবং কপালের হাড় ফেটে যায়। এ ছাড়া জামায়াত-শিবিরের হামলায় আমাদের অসংখ্য নেতা–কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।
গণ অধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, সমাবেশের সামনে দিয়ে কেন আমির হামজা গাড়ি নিয়ে তার বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন, তা আমাদের বোধগম্য নয়। সমাবেশস্থলে পৌঁছানো মাত্র গাড়ি থামিয়ে দেন। তিনি অন্যপথেও বাড়িতে যেতে পারতেন।
তিনি বলেন, আমির হামজা বলেছেন, আমি নাকি ইট দিয়ে প্রথম আঘাত করেছি। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, এমন কোনো ছবি বা ভিডিও যদি আমির হামজা দেখাতে পারেন, তবে আমি নাকে খত দিয়ে রাজনীতি ছেড়ে দেব। আর যদি না দেখাতে পারে, তবে আমির হামজাকে নাকে খত দিতে হবে।
তৌকির আহমেদ বলেন, আমাদের কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে থানায় একটি এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে গণ অধিকার পরিষদের খুলনা বিভাগীয় মুখ্য সমন্বয়ক শাকিল আহমেদ (তিয়াস), জেলা গণ অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিপ্লব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাকিবুল হাসান, সদর উপজেলা সভাপতি রয়েল, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রুমন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

আমাদের এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দিয়েছেন জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা বলে অভিযোগ করেছেন গণ অধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ।
রবিবার (১৬ আগস্ট) রাতে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এ অভিযোগ করেন তিনি।
তৌকির আহমেদ বলেন, শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে তাদের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ছিল। কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ের ওপর শান্তিপূর্ণ সমাবেশে সমাপনী বক্তব্যের শেষ মুহূর্তে সংসদ সদস্য আমির হামজা এবং জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করেন। তখন আমরা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করি। এ সময় আমাদের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয়।
তিনি বলেন, তারা আমাদের এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দেয়। আরেকজন নেতার নাকের হাড় ভেঙে যায় এবং কপালের হাড় ফেটে যায়। এ ছাড়া জামায়াত-শিবিরের হামলায় আমাদের অসংখ্য নেতা–কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।
গণ অধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, সমাবেশের সামনে দিয়ে কেন আমির হামজা গাড়ি নিয়ে তার বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন, তা আমাদের বোধগম্য নয়। সমাবেশস্থলে পৌঁছানো মাত্র গাড়ি থামিয়ে দেন। তিনি অন্যপথেও বাড়িতে যেতে পারতেন।
তিনি বলেন, আমির হামজা বলেছেন, আমি নাকি ইট দিয়ে প্রথম আঘাত করেছি। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, এমন কোনো ছবি বা ভিডিও যদি আমির হামজা দেখাতে পারেন, তবে আমি নাকে খত দিয়ে রাজনীতি ছেড়ে দেব। আর যদি না দেখাতে পারে, তবে আমির হামজাকে নাকে খত দিতে হবে।
তৌকির আহমেদ বলেন, আমাদের কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে থানায় একটি এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে গণ অধিকার পরিষদের খুলনা বিভাগীয় মুখ্য সমন্বয়ক শাকিল আহমেদ (তিয়াস), জেলা গণ অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিপ্লব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাকিবুল হাসান, সদর উপজেলা সভাপতি রয়েল, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রুমন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

এক কর্মীর পায়ের রগ কেটেছে জামায়াত-শিবির: গণঅধিকার পরিষদ
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

আমাদের এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দিয়েছেন জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা বলে অভিযোগ করেছেন গণ অধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ।
রবিবার (১৬ আগস্ট) রাতে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এ অভিযোগ করেন তিনি।
তৌকির আহমেদ বলেন, শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে তাদের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ছিল। কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ের ওপর শান্তিপূর্ণ সমাবেশে সমাপনী বক্তব্যের শেষ মুহূর্তে সংসদ সদস্য আমির হামজা এবং জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করেন। তখন আমরা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করি। এ সময় আমাদের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয়।
তিনি বলেন, তারা আমাদের এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দেয়। আরেকজন নেতার নাকের হাড় ভেঙে যায় এবং কপালের হাড় ফেটে যায়। এ ছাড়া জামায়াত-শিবিরের হামলায় আমাদের অসংখ্য নেতা–কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।
গণ অধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, সমাবেশের সামনে দিয়ে কেন আমির হামজা গাড়ি নিয়ে তার বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন, তা আমাদের বোধগম্য নয়। সমাবেশস্থলে পৌঁছানো মাত্র গাড়ি থামিয়ে দেন। তিনি অন্যপথেও বাড়িতে যেতে পারতেন।
তিনি বলেন, আমির হামজা বলেছেন, আমি নাকি ইট দিয়ে প্রথম আঘাত করেছি। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, এমন কোনো ছবি বা ভিডিও যদি আমির হামজা দেখাতে পারেন, তবে আমি নাকে খত দিয়ে রাজনীতি ছেড়ে দেব। আর যদি না দেখাতে পারে, তবে আমির হামজাকে নাকে খত দিতে হবে।
তৌকির আহমেদ বলেন, আমাদের কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে থানায় একটি এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে গণ অধিকার পরিষদের খুলনা বিভাগীয় মুখ্য সমন্বয়ক শাকিল আহমেদ (তিয়াস), জেলা গণ অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিপ্লব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাকিবুল হাসান, সদর উপজেলা সভাপতি রয়েল, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রুমন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামে ‘গোপন বৈঠক’ থেকে আ.লীগের পাঁচ নেত্রীসহ আটক ১৫







