নেতারা ভালো হলেই দেশ ভালো হবে: ফজলুর রহমান

নেতারা ভালো হলেই দেশ ভালো হবে: ফজলুর রহমান
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, নেতাকর্মীরা আগের সরকারের মতো একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে জনগণ তাদেরও প্রত্যাখ্যান করবে। নিজেদের মধ্যে চাওয়া-পাওয়ার প্রতিযোগিতা বাদ দিয়ে জনগণের জন্য কাজ করতে হবে। নেতারা ভালো হলেই দেশ ভালো হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজিত এক গণসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
ফজলুর রহমান বলেন, আমরা নিজেরা যদি এটা পাওয়ার জন্য, ওটা পাওয়ার জন্য- প্রতিযোগিতা করি, তাহলে আমরা কেউই টিকতে পারব না। জনগণ আমাদের বিদায় করে দেবে।
তিনি বলেন, আগে নেতারা যেমন ছিলো, হাসিনাও তেমন ছিলো। এখন যদি তোমরাও একই কাজ করো, তাহলে জনগণ তোমাদেরও বিদায় করে দেবে। নেতারা নিজেদের জন্য সবকিছু চাইলে জনগণ কিছুই পাবে না। আমি আশা করি, আমার নেতারা ভালো। এখনো পর্যন্ত আমার নেতারা ভালো আছেন। তবে আরও ভালো হতে হবে। আমাকে আরও ভালো হওয়ার সুযোগ দিন।
এই সংসদ সদস্য বলেন, খুব পরিষ্কার কথা, আমার জীবনে আর কতদিন আছে, আমি জানি না। নয় দিন পর আমার বয়স ৭৯ বছর হবে। আল্লাহ আমাকে আর কতদিন রাখবেন, সেটাও জানি না। তবে আমার বাকি জীবনটা আমি মানুষের জন্য দিয়ে যেতে চাই।
তিনি বলেন, আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমার কাছে টাকা-পয়সা, সাদা কাগজ—এসব কোনো বিষয় নয়। আমি চাই, কিছু নেতা এমন হোক। সবাইকে হতে হবে, তা বলছি না। শুধু টাকা-পয়সা দিয়ে দেশ চালানো যায় না। প্রশাসনও একা সব কাজ করতে পারবে না।
ফজলুর রহমান বলেন, তোমরা ১৬ বছর অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছো, জেলে জেলে জীবন কাটিয়েছো। শেখ হাসিনার শাসনেও তোমরা মিছিল করেছো। এত কষ্ট যখন করেছো, আরও কিছুদিন কষ্ট করো। আগে দেশটাকে আমরা সবাই মিলে উন্নত করি।
গণসমাবেশে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখাসহ কাস্তুল ইউনিয়ন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, নেতাকর্মীরা আগের সরকারের মতো একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে জনগণ তাদেরও প্রত্যাখ্যান করবে। নিজেদের মধ্যে চাওয়া-পাওয়ার প্রতিযোগিতা বাদ দিয়ে জনগণের জন্য কাজ করতে হবে। নেতারা ভালো হলেই দেশ ভালো হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজিত এক গণসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
ফজলুর রহমান বলেন, আমরা নিজেরা যদি এটা পাওয়ার জন্য, ওটা পাওয়ার জন্য- প্রতিযোগিতা করি, তাহলে আমরা কেউই টিকতে পারব না। জনগণ আমাদের বিদায় করে দেবে।
তিনি বলেন, আগে নেতারা যেমন ছিলো, হাসিনাও তেমন ছিলো। এখন যদি তোমরাও একই কাজ করো, তাহলে জনগণ তোমাদেরও বিদায় করে দেবে। নেতারা নিজেদের জন্য সবকিছু চাইলে জনগণ কিছুই পাবে না। আমি আশা করি, আমার নেতারা ভালো। এখনো পর্যন্ত আমার নেতারা ভালো আছেন। তবে আরও ভালো হতে হবে। আমাকে আরও ভালো হওয়ার সুযোগ দিন।
এই সংসদ সদস্য বলেন, খুব পরিষ্কার কথা, আমার জীবনে আর কতদিন আছে, আমি জানি না। নয় দিন পর আমার বয়স ৭৯ বছর হবে। আল্লাহ আমাকে আর কতদিন রাখবেন, সেটাও জানি না। তবে আমার বাকি জীবনটা আমি মানুষের জন্য দিয়ে যেতে চাই।
তিনি বলেন, আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমার কাছে টাকা-পয়সা, সাদা কাগজ—এসব কোনো বিষয় নয়। আমি চাই, কিছু নেতা এমন হোক। সবাইকে হতে হবে, তা বলছি না। শুধু টাকা-পয়সা দিয়ে দেশ চালানো যায় না। প্রশাসনও একা সব কাজ করতে পারবে না।
ফজলুর রহমান বলেন, তোমরা ১৬ বছর অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছো, জেলে জেলে জীবন কাটিয়েছো। শেখ হাসিনার শাসনেও তোমরা মিছিল করেছো। এত কষ্ট যখন করেছো, আরও কিছুদিন কষ্ট করো। আগে দেশটাকে আমরা সবাই মিলে উন্নত করি।
গণসমাবেশে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখাসহ কাস্তুল ইউনিয়ন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

নেতারা ভালো হলেই দেশ ভালো হবে: ফজলুর রহমান
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, নেতাকর্মীরা আগের সরকারের মতো একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে জনগণ তাদেরও প্রত্যাখ্যান করবে। নিজেদের মধ্যে চাওয়া-পাওয়ার প্রতিযোগিতা বাদ দিয়ে জনগণের জন্য কাজ করতে হবে। নেতারা ভালো হলেই দেশ ভালো হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজিত এক গণসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
ফজলুর রহমান বলেন, আমরা নিজেরা যদি এটা পাওয়ার জন্য, ওটা পাওয়ার জন্য- প্রতিযোগিতা করি, তাহলে আমরা কেউই টিকতে পারব না। জনগণ আমাদের বিদায় করে দেবে।
তিনি বলেন, আগে নেতারা যেমন ছিলো, হাসিনাও তেমন ছিলো। এখন যদি তোমরাও একই কাজ করো, তাহলে জনগণ তোমাদেরও বিদায় করে দেবে। নেতারা নিজেদের জন্য সবকিছু চাইলে জনগণ কিছুই পাবে না। আমি আশা করি, আমার নেতারা ভালো। এখনো পর্যন্ত আমার নেতারা ভালো আছেন। তবে আরও ভালো হতে হবে। আমাকে আরও ভালো হওয়ার সুযোগ দিন।
এই সংসদ সদস্য বলেন, খুব পরিষ্কার কথা, আমার জীবনে আর কতদিন আছে, আমি জানি না। নয় দিন পর আমার বয়স ৭৯ বছর হবে। আল্লাহ আমাকে আর কতদিন রাখবেন, সেটাও জানি না। তবে আমার বাকি জীবনটা আমি মানুষের জন্য দিয়ে যেতে চাই।
তিনি বলেন, আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমার কাছে টাকা-পয়সা, সাদা কাগজ—এসব কোনো বিষয় নয়। আমি চাই, কিছু নেতা এমন হোক। সবাইকে হতে হবে, তা বলছি না। শুধু টাকা-পয়সা দিয়ে দেশ চালানো যায় না। প্রশাসনও একা সব কাজ করতে পারবে না।
ফজলুর রহমান বলেন, তোমরা ১৬ বছর অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছো, জেলে জেলে জীবন কাটিয়েছো। শেখ হাসিনার শাসনেও তোমরা মিছিল করেছো। এত কষ্ট যখন করেছো, আরও কিছুদিন কষ্ট করো। আগে দেশটাকে আমরা সবাই মিলে উন্নত করি।
গণসমাবেশে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখাসহ কাস্তুল ইউনিয়ন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

রিটেন পাস করলে অ্যাডমিট নিয়ে আইবা, ফোন কইরা দেবো: ফজলুর রহমান







