খুলনায় যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা

খুলনায় যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা
খুলনা সংবাদদাতা

খুলনার রূপসা উপজেলায় ফখরুল শেখ নামে এক যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকার রূপসা ব্রিকস নামের একটি ইটভাটায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত ফখরুল উপজেলার নৈহাটি গ্রামের মমিন উদ্দিনের ছেলে। তিনি যুবদল নেতা ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই।
স্থানীয়রা জানান, নিহতের ভাই ফরহাদ ও শরিফুল রূপসা ব্রিকস ইটভাটা পরিচালনা করে আসছেন। ফখরুল মঙ্গলবার রাতে ইটভাটা ও মাছের ঘের দেখাশোনার জন্য সেখানে যান।
এর আগে মঙ্গলবার বিকালে ইটভাটার নাইট গার্ড তৈয়বের সঙ্গে ফখরুলের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে তৈয়ব রাতে দায়িত্ব পালন করতে যাননি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। রাত ১২টার দিকে ইটভাটার অফিস কক্ষের পাশে একদল অস্ত্রধারী ফখরুলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তার ঘাড়ে একটি এবং মাথায় আরেকটি গুলি লাগে। তবে কারা এবং কী কারণে ফখরুলকে হত্যা করেছে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি তার পরিবার।
গুলির শব্দ ও ঘটনার খবর পেয়ে তার ভাই ফরহাদসহ আরও তিন ভাই ঘটনাস্থলে গিয়ে ফখরুলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাই ফরহাদ বলেন, ‘আমার ভাই ফখরুল রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা এবং বর্তমানে যুবদলের কর্মী হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভাটার ক্যানেল ও মাছের ঘেরে কাজ করতেন। রাতে মেয়ের ওষুধ কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। পথে তার সঙ্গে দেখা হলে আমাকে জানান, ওষুধ নিয়ে ভাটা থেকে ঘুরে বাড়ি ফিরবেন।’
তিনি বলেন, ‘রাত ১২টা ১১ মিনিটে তার এক বন্ধু আমাকে ফোন করে বলেন, ভাই ফখরুলকে কারা যেন মারছে, আপনি দ্রুত আসেন। খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখি অফিসের পাশে নিথর হয়ে পড়ে আছে।’
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মীর বলেন, ‘খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। সুরতহালে তার শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিহতের ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

খুলনার রূপসা উপজেলায় ফখরুল শেখ নামে এক যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকার রূপসা ব্রিকস নামের একটি ইটভাটায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত ফখরুল উপজেলার নৈহাটি গ্রামের মমিন উদ্দিনের ছেলে। তিনি যুবদল নেতা ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই।
স্থানীয়রা জানান, নিহতের ভাই ফরহাদ ও শরিফুল রূপসা ব্রিকস ইটভাটা পরিচালনা করে আসছেন। ফখরুল মঙ্গলবার রাতে ইটভাটা ও মাছের ঘের দেখাশোনার জন্য সেখানে যান।
এর আগে মঙ্গলবার বিকালে ইটভাটার নাইট গার্ড তৈয়বের সঙ্গে ফখরুলের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে তৈয়ব রাতে দায়িত্ব পালন করতে যাননি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। রাত ১২টার দিকে ইটভাটার অফিস কক্ষের পাশে একদল অস্ত্রধারী ফখরুলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তার ঘাড়ে একটি এবং মাথায় আরেকটি গুলি লাগে। তবে কারা এবং কী কারণে ফখরুলকে হত্যা করেছে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি তার পরিবার।
গুলির শব্দ ও ঘটনার খবর পেয়ে তার ভাই ফরহাদসহ আরও তিন ভাই ঘটনাস্থলে গিয়ে ফখরুলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাই ফরহাদ বলেন, ‘আমার ভাই ফখরুল রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা এবং বর্তমানে যুবদলের কর্মী হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভাটার ক্যানেল ও মাছের ঘেরে কাজ করতেন। রাতে মেয়ের ওষুধ কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। পথে তার সঙ্গে দেখা হলে আমাকে জানান, ওষুধ নিয়ে ভাটা থেকে ঘুরে বাড়ি ফিরবেন।’
তিনি বলেন, ‘রাত ১২টা ১১ মিনিটে তার এক বন্ধু আমাকে ফোন করে বলেন, ভাই ফখরুলকে কারা যেন মারছে, আপনি দ্রুত আসেন। খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখি অফিসের পাশে নিথর হয়ে পড়ে আছে।’
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মীর বলেন, ‘খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। সুরতহালে তার শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিহতের ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

খুলনায় যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা
খুলনা সংবাদদাতা

খুলনার রূপসা উপজেলায় ফখরুল শেখ নামে এক যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকার রূপসা ব্রিকস নামের একটি ইটভাটায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত ফখরুল উপজেলার নৈহাটি গ্রামের মমিন উদ্দিনের ছেলে। তিনি যুবদল নেতা ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই।
স্থানীয়রা জানান, নিহতের ভাই ফরহাদ ও শরিফুল রূপসা ব্রিকস ইটভাটা পরিচালনা করে আসছেন। ফখরুল মঙ্গলবার রাতে ইটভাটা ও মাছের ঘের দেখাশোনার জন্য সেখানে যান।
এর আগে মঙ্গলবার বিকালে ইটভাটার নাইট গার্ড তৈয়বের সঙ্গে ফখরুলের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে তৈয়ব রাতে দায়িত্ব পালন করতে যাননি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। রাত ১২টার দিকে ইটভাটার অফিস কক্ষের পাশে একদল অস্ত্রধারী ফখরুলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তার ঘাড়ে একটি এবং মাথায় আরেকটি গুলি লাগে। তবে কারা এবং কী কারণে ফখরুলকে হত্যা করেছে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি তার পরিবার।
গুলির শব্দ ও ঘটনার খবর পেয়ে তার ভাই ফরহাদসহ আরও তিন ভাই ঘটনাস্থলে গিয়ে ফখরুলকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাই ফরহাদ বলেন, ‘আমার ভাই ফখরুল রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা এবং বর্তমানে যুবদলের কর্মী হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভাটার ক্যানেল ও মাছের ঘেরে কাজ করতেন। রাতে মেয়ের ওষুধ কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। পথে তার সঙ্গে দেখা হলে আমাকে জানান, ওষুধ নিয়ে ভাটা থেকে ঘুরে বাড়ি ফিরবেন।’
তিনি বলেন, ‘রাত ১২টা ১১ মিনিটে তার এক বন্ধু আমাকে ফোন করে বলেন, ভাই ফখরুলকে কারা যেন মারছে, আপনি দ্রুত আসেন। খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখি অফিসের পাশে নিথর হয়ে পড়ে আছে।’
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মীর বলেন, ‘খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। সুরতহালে তার শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিহতের ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’









