ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, ২ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, ২ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় বাবা-মেয়েসহ একই পরিবারের তিনজনকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে তাদের চুনারুঘাট থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করার আদেশ দেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ।
অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য হলেন– চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুম আল মামুন ও কনস্টেবল রুহুল আমিন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বগাডুবী রেললাইনের মোড় থেকে কালীশিরী গ্রামের ছায়েদ মিয়া (৫০), তার মেয়ে জাসমিন আক্তার (২৪) ও ছোট ভাই ইউনুস মিয়াকে (৪৫) আটক করে পুলিশ। তাদের ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ এনে এসআই মাসুম আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ছায়েদ মিয়ার পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী একটি পরিবারের বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলা ও পাল্টা মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার একটি মামলায় হাজিরা দিতে ছায়েদ মিয়া, জাসমিন ও ইউনুস ইজিবাইকে করে চুনারুঘাট যাচ্ছিলেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বগাডুবী রেললাইনের মোড়ে পৌঁছালে এসআই মাসুম আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাদের ইজিবাইকের গতি রোধ করে। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তিও পুলিশের সঙ্গে ছিলেন। পরে তাদের তল্লাশি করে পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দেখানোর চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে তাদের পুলিশের গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে কালীশিরীসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের লোকজন চুনারুঘাট থানার সামনে জড়ো হন। তারা ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এরপর ওই দিন বিকেল পাঁচটার দিকে আটক তিনজনকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, আটক তিনজনের সঙ্গে ইয়াবা ব্যবসার জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই, বৃহস্পতিবার বিকালেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আর এ ঘটনায় এসআই মাসুম আল মামুন ও কনস্টেবল রুহুল আমিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় বাবা-মেয়েসহ একই পরিবারের তিনজনকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে তাদের চুনারুঘাট থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করার আদেশ দেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ।
অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য হলেন– চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুম আল মামুন ও কনস্টেবল রুহুল আমিন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বগাডুবী রেললাইনের মোড় থেকে কালীশিরী গ্রামের ছায়েদ মিয়া (৫০), তার মেয়ে জাসমিন আক্তার (২৪) ও ছোট ভাই ইউনুস মিয়াকে (৪৫) আটক করে পুলিশ। তাদের ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ এনে এসআই মাসুম আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ছায়েদ মিয়ার পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী একটি পরিবারের বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলা ও পাল্টা মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার একটি মামলায় হাজিরা দিতে ছায়েদ মিয়া, জাসমিন ও ইউনুস ইজিবাইকে করে চুনারুঘাট যাচ্ছিলেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বগাডুবী রেললাইনের মোড়ে পৌঁছালে এসআই মাসুম আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাদের ইজিবাইকের গতি রোধ করে। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তিও পুলিশের সঙ্গে ছিলেন। পরে তাদের তল্লাশি করে পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দেখানোর চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে তাদের পুলিশের গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে কালীশিরীসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের লোকজন চুনারুঘাট থানার সামনে জড়ো হন। তারা ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এরপর ওই দিন বিকেল পাঁচটার দিকে আটক তিনজনকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, আটক তিনজনের সঙ্গে ইয়াবা ব্যবসার জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই, বৃহস্পতিবার বিকালেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আর এ ঘটনায় এসআই মাসুম আল মামুন ও কনস্টেবল রুহুল আমিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, ২ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
হবিগঞ্জ সংবাদদাতা

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় বাবা-মেয়েসহ একই পরিবারের তিনজনকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে তাদের চুনারুঘাট থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করার আদেশ দেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ।
অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য হলেন– চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুম আল মামুন ও কনস্টেবল রুহুল আমিন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বগাডুবী রেললাইনের মোড় থেকে কালীশিরী গ্রামের ছায়েদ মিয়া (৫০), তার মেয়ে জাসমিন আক্তার (২৪) ও ছোট ভাই ইউনুস মিয়াকে (৪৫) আটক করে পুলিশ। তাদের ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ এনে এসআই মাসুম আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ছায়েদ মিয়ার পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী একটি পরিবারের বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলা ও পাল্টা মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার একটি মামলায় হাজিরা দিতে ছায়েদ মিয়া, জাসমিন ও ইউনুস ইজিবাইকে করে চুনারুঘাট যাচ্ছিলেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বগাডুবী রেললাইনের মোড়ে পৌঁছালে এসআই মাসুম আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাদের ইজিবাইকের গতি রোধ করে। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তিও পুলিশের সঙ্গে ছিলেন। পরে তাদের তল্লাশি করে পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দেখানোর চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে তাদের পুলিশের গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে কালীশিরীসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের লোকজন চুনারুঘাট থানার সামনে জড়ো হন। তারা ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এরপর ওই দিন বিকেল পাঁচটার দিকে আটক তিনজনকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, আটক তিনজনের সঙ্গে ইয়াবা ব্যবসার জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই, বৃহস্পতিবার বিকালেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আর এ ঘটনায় এসআই মাসুম আল মামুন ও কনস্টেবল রুহুল আমিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আ.লীগ সমর্থকের বাড়িতে ভূরিভোজ, ওসি প্রত্যাহার







