নদীতে ভাসছিল নিখোঁজ কলেজছাত্রের মরদেহ

নদীতে ভাসছিল নিখোঁজ কলেজছাত্রের মরদেহ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর কৌশিক সাহা জিতু (২৩) নামে কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফরিদপুর শহরের ভাটিলক্ষীপুর মদনখালী স্লুইসগেট সংলগ্ন কুমার নদ থেকে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কৌশিক সাহা শহরের ওয়্যারলেসপাড়া এলাকার কমলেশ সাহার ছেলে এবং সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের রসায়ন বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিল কৌশিক।
পুলিশ জানায়, সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়রা নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে ৯৯৯- এ ফোন করেন। খবর পেয়ে নৌপুলিশ ও কোতয়ালী থানা পুলিশের সদস্যরা গিয়ে অজ্ঞাত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করেন। মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় মরদেহের পরনের প্যান্টের পকেট থেকে একটি চাবি আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
এদিকে, অজ্ঞাত লাশের খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান নিখোঁজ কলেজছাত্রের বাবা কমলেশ সাহাসহ স্বজনরা। এ সময় মরদেহে পরনের টি-শার্ট ও প্যান্ট দেখে পরিচয় শনাক্ত করেন বাবা। পরে জব্দকৃত চাবি পরীক্ষা করে পরিচয় শনাক্ত করেন পুলিশ।
কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ হোসেন জানান, মরদেহটি পচে ফুলে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। পরে পরিবারের দাবি অনুযায়ী, জব্দকৃত চারটি চাবি (একসেট) তার বাসায় নিয়ে তালাগুলোতে পরীক্ষা করা হয় এবং সেগুলো খুলে যাওয়ায় আমরা পরিচয় নিশ্চিত হয়েছি।
নিহত যুবকের চাচা সুকেশ সাহা জানান, গত রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মা ইতি রানী সাহা মুক্তাকে নিয়ে বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরেছিল কৌশিক। এরপর বাসায় ফিরে পোশাক পরিবর্তন করে আবারও পূজা দেখার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তখন তার মাকে বলেই বাসার গেটের চাবি নিয়ে যায়। এরপর রাতে আর বাসায় ফিরেনি সে।
তিনি বলেন, কীভাবে কী হয়েছে, এখনও আমরা কিছু জানিনা। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাই।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন বলেন, লাশটি উদ্ধারের পর পরিবার শনাক্ত করেছেন। এখন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

ফরিদপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর কৌশিক সাহা জিতু (২৩) নামে কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফরিদপুর শহরের ভাটিলক্ষীপুর মদনখালী স্লুইসগেট সংলগ্ন কুমার নদ থেকে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কৌশিক সাহা শহরের ওয়্যারলেসপাড়া এলাকার কমলেশ সাহার ছেলে এবং সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের রসায়ন বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিল কৌশিক।
পুলিশ জানায়, সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়রা নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে ৯৯৯- এ ফোন করেন। খবর পেয়ে নৌপুলিশ ও কোতয়ালী থানা পুলিশের সদস্যরা গিয়ে অজ্ঞাত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করেন। মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় মরদেহের পরনের প্যান্টের পকেট থেকে একটি চাবি আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
এদিকে, অজ্ঞাত লাশের খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান নিখোঁজ কলেজছাত্রের বাবা কমলেশ সাহাসহ স্বজনরা। এ সময় মরদেহে পরনের টি-শার্ট ও প্যান্ট দেখে পরিচয় শনাক্ত করেন বাবা। পরে জব্দকৃত চাবি পরীক্ষা করে পরিচয় শনাক্ত করেন পুলিশ।
কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ হোসেন জানান, মরদেহটি পচে ফুলে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। পরে পরিবারের দাবি অনুযায়ী, জব্দকৃত চারটি চাবি (একসেট) তার বাসায় নিয়ে তালাগুলোতে পরীক্ষা করা হয় এবং সেগুলো খুলে যাওয়ায় আমরা পরিচয় নিশ্চিত হয়েছি।
নিহত যুবকের চাচা সুকেশ সাহা জানান, গত রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মা ইতি রানী সাহা মুক্তাকে নিয়ে বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরেছিল কৌশিক। এরপর বাসায় ফিরে পোশাক পরিবর্তন করে আবারও পূজা দেখার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তখন তার মাকে বলেই বাসার গেটের চাবি নিয়ে যায়। এরপর রাতে আর বাসায় ফিরেনি সে।
তিনি বলেন, কীভাবে কী হয়েছে, এখনও আমরা কিছু জানিনা। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাই।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন বলেন, লাশটি উদ্ধারের পর পরিবার শনাক্ত করেছেন। এখন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

নদীতে ভাসছিল নিখোঁজ কলেজছাত্রের মরদেহ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর কৌশিক সাহা জিতু (২৩) নামে কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফরিদপুর শহরের ভাটিলক্ষীপুর মদনখালী স্লুইসগেট সংলগ্ন কুমার নদ থেকে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কৌশিক সাহা শহরের ওয়্যারলেসপাড়া এলাকার কমলেশ সাহার ছেলে এবং সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের রসায়ন বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিল কৌশিক।
পুলিশ জানায়, সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়রা নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে ৯৯৯- এ ফোন করেন। খবর পেয়ে নৌপুলিশ ও কোতয়ালী থানা পুলিশের সদস্যরা গিয়ে অজ্ঞাত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করেন। মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় মরদেহের পরনের প্যান্টের পকেট থেকে একটি চাবি আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
এদিকে, অজ্ঞাত লাশের খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান নিখোঁজ কলেজছাত্রের বাবা কমলেশ সাহাসহ স্বজনরা। এ সময় মরদেহে পরনের টি-শার্ট ও প্যান্ট দেখে পরিচয় শনাক্ত করেন বাবা। পরে জব্দকৃত চাবি পরীক্ষা করে পরিচয় শনাক্ত করেন পুলিশ।
কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ হোসেন জানান, মরদেহটি পচে ফুলে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। পরে পরিবারের দাবি অনুযায়ী, জব্দকৃত চারটি চাবি (একসেট) তার বাসায় নিয়ে তালাগুলোতে পরীক্ষা করা হয় এবং সেগুলো খুলে যাওয়ায় আমরা পরিচয় নিশ্চিত হয়েছি।
নিহত যুবকের চাচা সুকেশ সাহা জানান, গত রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মা ইতি রানী সাহা মুক্তাকে নিয়ে বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরেছিল কৌশিক। এরপর বাসায় ফিরে পোশাক পরিবর্তন করে আবারও পূজা দেখার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তখন তার মাকে বলেই বাসার গেটের চাবি নিয়ে যায়। এরপর রাতে আর বাসায় ফিরেনি সে।
তিনি বলেন, কীভাবে কী হয়েছে, এখনও আমরা কিছু জানিনা। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাই।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন বলেন, লাশটি উদ্ধারের পর পরিবার শনাক্ত করেছেন। এখন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

পোষা বিড়ালকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, মরদেহ নিয়ে থানায় মালিক







