প্রবাসীর স্ত্রীর চুল কেটে ও গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

প্রবাসীর স্ত্রীর চুল কেটে ও গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

পরকীয়ার অভিযোগ তুলে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে আটকে রেখে মারধর, মাথার চুল কেটে দেওয়া এবং গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনার দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
ঘটনাটি ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বেপারীডাঙ্গী গ্রামের। নির্যাতনের শিকার ওই নারী (২৮) গ্রামের এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গতকাল রবিবার সন্ধ্যা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্যাতনের ভিডিও দুটি ছড়িয়ে পড়ে।
ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এক গৃহবধূকে চেয়ারে বসিয়ে রাখা হয়েছে। কালো টি-শার্ট পরা এক যুবক তার হাত ধরে রেখেছেন। চেক টি-শার্ট পরা আরেক যুবক ধারালো কাঁচি দিয়ে ওই নারীর মাথার চুল এলোমেলোভাবে কেটে দিচ্ছেন। এ সময় ওই নারী চিৎকার করে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু তার আর্তচিৎকার উপেক্ষা করে চুল কাটতে থাকেন ওই যুবকেরা। ভিডিওর শেষদিকে গৃহবধূর মুখে থাপ্পড় মারতেও দেখা যায়।
অন্যদিকে, ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের আরেকটি ভিডিওতে রাতে ওই নারী ও এক যুবককে গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখার দৃশ্য দেখা যায়। ওই সময়ও গৃহবধূকে মারধর করতে দেখা গেছে। ভিডিও দুটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে আসেন ভুক্তভোগী ওই নারী। রাতেই তার কক্ষে এক যুবককে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তারা দুজনকে আটক করেন। এ সময় ওই যুবক পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাকে ধরে রাখেন।
স্থানীয়দের দাবি, পরদিন রবিবার বিকালে ওই গৃহবধূর চুল কেটে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আটক যুবককেও ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে কী পরিস্থিতিতে ওই নারীকে আটকে রাখা হয়েছিল, নির্যাতনের ঘটনায় কারা সরাসরি জড়িত ছিলেন এবং কার নির্দেশে এ ঘটনা ঘটেছে– এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে নির্যাতনে জড়িত হিসেবে সুমন হোসেন (২৬) ও জয় হোসেন (২৮) নামে দুই যুবকের নাম এসেছে। সুমন স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ বেপারীর নাতি বলে জানা গেছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নির্যাতনের শিকার ওই নারীর বাবার বাড়ি সদরপুর উপজেলার পাশের ভাষানচর ইউনিয়নের কারীরহাট গ্রামে। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আ. জলিল মোল্যা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে ভুক্তভোগী নারী বা তার পরিবারের সদস্যদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এসব বিষয়ে ওসি মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ বলেন, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। কেউ অপরাধ করলে তার বিচারের জন্য আইন রয়েছে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনিও সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযানে রয়েছেন।

পরকীয়ার অভিযোগ তুলে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে আটকে রেখে মারধর, মাথার চুল কেটে দেওয়া এবং গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনার দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
ঘটনাটি ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বেপারীডাঙ্গী গ্রামের। নির্যাতনের শিকার ওই নারী (২৮) গ্রামের এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গতকাল রবিবার সন্ধ্যা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্যাতনের ভিডিও দুটি ছড়িয়ে পড়ে।
ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এক গৃহবধূকে চেয়ারে বসিয়ে রাখা হয়েছে। কালো টি-শার্ট পরা এক যুবক তার হাত ধরে রেখেছেন। চেক টি-শার্ট পরা আরেক যুবক ধারালো কাঁচি দিয়ে ওই নারীর মাথার চুল এলোমেলোভাবে কেটে দিচ্ছেন। এ সময় ওই নারী চিৎকার করে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু তার আর্তচিৎকার উপেক্ষা করে চুল কাটতে থাকেন ওই যুবকেরা। ভিডিওর শেষদিকে গৃহবধূর মুখে থাপ্পড় মারতেও দেখা যায়।
অন্যদিকে, ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের আরেকটি ভিডিওতে রাতে ওই নারী ও এক যুবককে গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখার দৃশ্য দেখা যায়। ওই সময়ও গৃহবধূকে মারধর করতে দেখা গেছে। ভিডিও দুটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে আসেন ভুক্তভোগী ওই নারী। রাতেই তার কক্ষে এক যুবককে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তারা দুজনকে আটক করেন। এ সময় ওই যুবক পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাকে ধরে রাখেন।
স্থানীয়দের দাবি, পরদিন রবিবার বিকালে ওই গৃহবধূর চুল কেটে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আটক যুবককেও ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে কী পরিস্থিতিতে ওই নারীকে আটকে রাখা হয়েছিল, নির্যাতনের ঘটনায় কারা সরাসরি জড়িত ছিলেন এবং কার নির্দেশে এ ঘটনা ঘটেছে– এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে নির্যাতনে জড়িত হিসেবে সুমন হোসেন (২৬) ও জয় হোসেন (২৮) নামে দুই যুবকের নাম এসেছে। সুমন স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ বেপারীর নাতি বলে জানা গেছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নির্যাতনের শিকার ওই নারীর বাবার বাড়ি সদরপুর উপজেলার পাশের ভাষানচর ইউনিয়নের কারীরহাট গ্রামে। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আ. জলিল মোল্যা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে ভুক্তভোগী নারী বা তার পরিবারের সদস্যদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এসব বিষয়ে ওসি মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ বলেন, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। কেউ অপরাধ করলে তার বিচারের জন্য আইন রয়েছে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনিও সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযানে রয়েছেন।

প্রবাসীর স্ত্রীর চুল কেটে ও গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

পরকীয়ার অভিযোগ তুলে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে আটকে রেখে মারধর, মাথার চুল কেটে দেওয়া এবং গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনার দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
ঘটনাটি ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বেপারীডাঙ্গী গ্রামের। নির্যাতনের শিকার ওই নারী (২৮) গ্রামের এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গতকাল রবিবার সন্ধ্যা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্যাতনের ভিডিও দুটি ছড়িয়ে পড়ে।
ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এক গৃহবধূকে চেয়ারে বসিয়ে রাখা হয়েছে। কালো টি-শার্ট পরা এক যুবক তার হাত ধরে রেখেছেন। চেক টি-শার্ট পরা আরেক যুবক ধারালো কাঁচি দিয়ে ওই নারীর মাথার চুল এলোমেলোভাবে কেটে দিচ্ছেন। এ সময় ওই নারী চিৎকার করে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু তার আর্তচিৎকার উপেক্ষা করে চুল কাটতে থাকেন ওই যুবকেরা। ভিডিওর শেষদিকে গৃহবধূর মুখে থাপ্পড় মারতেও দেখা যায়।
অন্যদিকে, ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের আরেকটি ভিডিওতে রাতে ওই নারী ও এক যুবককে গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখার দৃশ্য দেখা যায়। ওই সময়ও গৃহবধূকে মারধর করতে দেখা গেছে। ভিডিও দুটি ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে আসেন ভুক্তভোগী ওই নারী। রাতেই তার কক্ষে এক যুবককে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তারা দুজনকে আটক করেন। এ সময় ওই যুবক পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাকে ধরে রাখেন।
স্থানীয়দের দাবি, পরদিন রবিবার বিকালে ওই গৃহবধূর চুল কেটে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আটক যুবককেও ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে কী পরিস্থিতিতে ওই নারীকে আটকে রাখা হয়েছিল, নির্যাতনের ঘটনায় কারা সরাসরি জড়িত ছিলেন এবং কার নির্দেশে এ ঘটনা ঘটেছে– এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে নির্যাতনে জড়িত হিসেবে সুমন হোসেন (২৬) ও জয় হোসেন (২৮) নামে দুই যুবকের নাম এসেছে। সুমন স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ বেপারীর নাতি বলে জানা গেছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নির্যাতনের শিকার ওই নারীর বাবার বাড়ি সদরপুর উপজেলার পাশের ভাষানচর ইউনিয়নের কারীরহাট গ্রামে। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আ. জলিল মোল্যা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে ভুক্তভোগী নারী বা তার পরিবারের সদস্যদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এসব বিষয়ে ওসি মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ বলেন, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। কেউ অপরাধ করলে তার বিচারের জন্য আইন রয়েছে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনিও সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযানে রয়েছেন।

পিস্তল ও বোমাসহ ফরিদপুর জেলা আ.লীগ সভাপতির সহযোগী গ্রেপ্তার







