অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে ৩ সন্দেহভাজন আটক

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে ৩ সন্দেহভাজন আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইয়াশাত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিম হত্যা ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে তুহিন, আনাস ও ফাহিম নামে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চত করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতিমের সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় তুহিন নামে একজনকে দেখা যায়। তারা দুজন প্রায় এক ঘণ্টা ক্যাম্পাস এলাকায় অবস্থান করেছিলেন। ওই ভিডিওর সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রথমে তুহিনকে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর আনাসের নাম উঠে আসে। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে আনাসকে আটক করা হয়। এবং তার আধাঘন্টা পর সাড়ে ৭টার দিকে ফাহিম নামের আরও একজনকে আটক করা হয়।
এর আগে, শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে গতকাল শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল অপ্রতিম। পরে আর বাসায় ফেরেনি। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত কোটবাড়ি এলাকার গন্ধমতীতে ফোনটির অবস্থান শনাক্ত করা যায়। ওই এলাকা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন। এরপর ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় ইশায়াত শাহরিয়ার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে আজ (শনিবার) দুপুর একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার জঙ্গলে ইশায়াতের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে এবং কীভাবে সে ওই জঙ্গলে পৌঁছাল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হতে পারে।
ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, অপ্রতিম হত্যা ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইয়াশাত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিম হত্যা ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে তুহিন, আনাস ও ফাহিম নামে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চত করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতিমের সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় তুহিন নামে একজনকে দেখা যায়। তারা দুজন প্রায় এক ঘণ্টা ক্যাম্পাস এলাকায় অবস্থান করেছিলেন। ওই ভিডিওর সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রথমে তুহিনকে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর আনাসের নাম উঠে আসে। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে আনাসকে আটক করা হয়। এবং তার আধাঘন্টা পর সাড়ে ৭টার দিকে ফাহিম নামের আরও একজনকে আটক করা হয়।
এর আগে, শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে গতকাল শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল অপ্রতিম। পরে আর বাসায় ফেরেনি। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত কোটবাড়ি এলাকার গন্ধমতীতে ফোনটির অবস্থান শনাক্ত করা যায়। ওই এলাকা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন। এরপর ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় ইশায়াত শাহরিয়ার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে আজ (শনিবার) দুপুর একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার জঙ্গলে ইশায়াতের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে এবং কীভাবে সে ওই জঙ্গলে পৌঁছাল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হতে পারে।
ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, অপ্রতিম হত্যা ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে ৩ সন্দেহভাজন আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইয়াশাত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিম হত্যা ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে তুহিন, আনাস ও ফাহিম নামে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চত করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতিমের সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় তুহিন নামে একজনকে দেখা যায়। তারা দুজন প্রায় এক ঘণ্টা ক্যাম্পাস এলাকায় অবস্থান করেছিলেন। ওই ভিডিওর সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রথমে তুহিনকে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর আনাসের নাম উঠে আসে। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে আনাসকে আটক করা হয়। এবং তার আধাঘন্টা পর সাড়ে ৭টার দিকে ফাহিম নামের আরও একজনকে আটক করা হয়।
এর আগে, শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে গতকাল শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল অপ্রতিম। পরে আর বাসায় ফেরেনি। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত কোটবাড়ি এলাকার গন্ধমতীতে ফোনটির অবস্থান শনাক্ত করা যায়। ওই এলাকা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন। এরপর ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় ইশায়াত শাহরিয়ার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে আজ (শনিবার) দুপুর একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার জঙ্গলে ইশায়াতের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে এবং কীভাবে সে ওই জঙ্গলে পৌঁছাল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হতে পারে।
ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, অপ্রতিম হত্যা ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

‘এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি, আমরা দিতাম’







