কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: টুপটুপের ইনচার্জ আটক

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: টুপটুপের ইনচার্জ আটক
উখিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের ইনানী এলাকায় ‘টুপটুপ’ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ইনচার্জ মোহাম্মদ সুমনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক সুমনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে রিসোর্টের মালিক নিয়াজ মোরশেদ ও তানভীরের খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এর আগে, শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করেন পর্যটকরা। এ সময় কয়েকজন বের হতে পারলেও অন্যরা রিসোর্টের ভেতরে আটকা পড়েন।
খবর পেয়ে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। সকাল ৯টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে রিসোর্ট থেকে দশজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া আরও নয়জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, রিসোর্টটির বেশির ভাগ অংশ কাঠ দিয়ে তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভবনের পেছনের অংশ ইট দিয়ে নির্মিত। প্রতিটি কক্ষে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ও রেফ্রিজারেটর থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বেড়েছিলো।

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের ইনানী এলাকায় ‘টুপটুপ’ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ইনচার্জ মোহাম্মদ সুমনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক সুমনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে রিসোর্টের মালিক নিয়াজ মোরশেদ ও তানভীরের খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এর আগে, শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করেন পর্যটকরা। এ সময় কয়েকজন বের হতে পারলেও অন্যরা রিসোর্টের ভেতরে আটকা পড়েন।
খবর পেয়ে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। সকাল ৯টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে রিসোর্ট থেকে দশজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া আরও নয়জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, রিসোর্টটির বেশির ভাগ অংশ কাঠ দিয়ে তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভবনের পেছনের অংশ ইট দিয়ে নির্মিত। প্রতিটি কক্ষে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ও রেফ্রিজারেটর থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বেড়েছিলো।

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: টুপটুপের ইনচার্জ আটক
উখিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের ইনানী এলাকায় ‘টুপটুপ’ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ইনচার্জ মোহাম্মদ সুমনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক সুমনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে রিসোর্টের মালিক নিয়াজ মোরশেদ ও তানভীরের খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এর আগে, শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করেন পর্যটকরা। এ সময় কয়েকজন বের হতে পারলেও অন্যরা রিসোর্টের ভেতরে আটকা পড়েন।
খবর পেয়ে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। সকাল ৯টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে রিসোর্ট থেকে দশজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া আরও নয়জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, রিসোর্টটির বেশির ভাগ অংশ কাঠ দিয়ে তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভবনের পেছনের অংশ ইট দিয়ে নির্মিত। প্রতিটি কক্ষে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ও রেফ্রিজারেটর থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বেড়েছিলো।

স্ত্রী-সন্তান, শ্যালক ও তিন শ্যালিকাকে হারালেন নূর আলম






