তাজমিন হত্যা: কক্সবাজার থেকে হোটেলকর্মী রাজু আটক

তাজমিন হত্যা: কক্সবাজার থেকে হোটেলকর্মী রাজু আটক
সিজেডএন ডেস্ক

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) হত্যা মামলায় রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজু নামের এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। রাজু ওই এলাকার একটি হোটেলের কর্মচারী।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলাতলীর মেঘলা রিসোর্ট নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন তাজমিন। সেখানে তার অবস্থানের ব্যবস্থা করতে রাজু সহায়তা করেছিলেন বলে দাবি করেছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। পরদিন বুধবার বেলা ১১টার দিকে হোটেলটি ছেড়ে যান তাজমিন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ারবাজার বিশ্বরোড এলাকায় হোটেল নূরজাহানের সামনে একটি বাস থেকে নামেন তাজমিন। এরপর শহরের রেসকোর্স এলাকার বাসায় যাওয়ার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন তিনি।
পুলিশের ভাষ্য, অটোরিকশাচালক সুমন তাকে গন্তব্যে না নিয়ে লালমাই উপজেলার ভোরালজগতপুর উত্তরপাড়ার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে ওই এলাকার একটি ধানখেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় পরে চট্টগ্রাম থেকে অটোরিকশাচালক সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। উদ্ধার হওয়া মুঠোফোনের কল রেকর্ড ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে পুরো ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) হত্যা মামলায় রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজু নামের এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। রাজু ওই এলাকার একটি হোটেলের কর্মচারী।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলাতলীর মেঘলা রিসোর্ট নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন তাজমিন। সেখানে তার অবস্থানের ব্যবস্থা করতে রাজু সহায়তা করেছিলেন বলে দাবি করেছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। পরদিন বুধবার বেলা ১১টার দিকে হোটেলটি ছেড়ে যান তাজমিন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ারবাজার বিশ্বরোড এলাকায় হোটেল নূরজাহানের সামনে একটি বাস থেকে নামেন তাজমিন। এরপর শহরের রেসকোর্স এলাকার বাসায় যাওয়ার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন তিনি।
পুলিশের ভাষ্য, অটোরিকশাচালক সুমন তাকে গন্তব্যে না নিয়ে লালমাই উপজেলার ভোরালজগতপুর উত্তরপাড়ার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে ওই এলাকার একটি ধানখেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় পরে চট্টগ্রাম থেকে অটোরিকশাচালক সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। উদ্ধার হওয়া মুঠোফোনের কল রেকর্ড ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে পুরো ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

তাজমিন হত্যা: কক্সবাজার থেকে হোটেলকর্মী রাজু আটক
সিজেডএন ডেস্ক

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) হত্যা মামলায় রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজু নামের এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। রাজু ওই এলাকার একটি হোটেলের কর্মচারী।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলাতলীর মেঘলা রিসোর্ট নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন তাজমিন। সেখানে তার অবস্থানের ব্যবস্থা করতে রাজু সহায়তা করেছিলেন বলে দাবি করেছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। পরদিন বুধবার বেলা ১১টার দিকে হোটেলটি ছেড়ে যান তাজমিন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ারবাজার বিশ্বরোড এলাকায় হোটেল নূরজাহানের সামনে একটি বাস থেকে নামেন তাজমিন। এরপর শহরের রেসকোর্স এলাকার বাসায় যাওয়ার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন তিনি।
পুলিশের ভাষ্য, অটোরিকশাচালক সুমন তাকে গন্তব্যে না নিয়ে লালমাই উপজেলার ভোরালজগতপুর উত্তরপাড়ার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে ওই এলাকার একটি ধানখেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় পরে চট্টগ্রাম থেকে অটোরিকশাচালক সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। উদ্ধার হওয়া মুঠোফোনের কল রেকর্ড ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে পুরো ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।









