স্ত্রী-সন্তান, শ্যালক ও তিন শ্যালিকাকে হারালেন নূর আলম

স্ত্রী-সন্তান, শ্যালক ও তিন শ্যালিকাকে হারালেন নূর আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন নূর আলম। অফিসের কাজের প্রয়োজনে এক দিন আগেই তিনি ফিরে যান চুয়াডাঙ্গায়। শনিবার সকালে সংবাদমাধ্যমে ইনানীর একটি রিসোর্টে আগুন লাগার খবর দেখে স্বজনদের খোঁজ নিতে শুরু করেন নূর আলম। এরপর জানতে পারেন, আগুনে প্রাণ হারিয়েছেন তার স্ত্রী, পাঁচ বছরের সন্তানসহ পরিবারের ছয়জন। যে সফর শেষে সবাই একসঙ্গে বাড়ি ফেরার কথা ছিল, সেই সফরই কেড়ে নিল তাঁর সবচেয়ে কাছের মানুষগুলোকে।
স্ত্রী ফারিয়া কবির, পাঁচ বছরের ছেলে ফাইজান নূর, শ্যালক ও শ্যালিকাদের নিয়ে গত বৃহস্পতিবার কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন ওষুধ কোম্পানি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা নূর আলম। কিন্তু শনিবার সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে একটি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তার পরিবারের ছয়জনের মৃত্যু হয়।
চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত নূর আলম জানান, তার স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতা সত্ত্বেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে কক্সবাজার গিয়েছিলেন তিনি। নূর আলমও তাদের সঙ্গে ছিলেন। তবে কক্সবাজারে পৌঁছানোর পর অফিসের কাজে শুক্রবার তাকে চুয়াডাঙ্গায় ফিরে যেতে হয়।
শনিবার সকালে গণমাধ্যমে আগুনের খবর দেখে তিনি স্বজনদের খোঁজ নিতে শুরু করেন। তখনই জানতে পারেন, নিহত ছয়জনই তার পরিবারের সদস্য।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন নূর আলমের স্ত্রী ফারিয়া কবির (৩৩), তাদের পাঁচ বছর বয়সী সন্তান ফাইজান নূর, শ্যালক নাসির উদ্দিন (২৫) এবং তিন শ্যালিকা ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩)। অগ্নিকাণ্ডে নিহত আরেকজন হলেন নাফিসতা মীম (২৭)।
শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগে। কাঠের তৈরি এই রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজে অংশ নেন।
বেলা সোয়া দুইটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সেখানে আরও মরদেহ থাকতে পারে। তখনো উদ্ধার অভিযান চলছিল।

কক্সবাজারে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন নূর আলম। অফিসের কাজের প্রয়োজনে এক দিন আগেই তিনি ফিরে যান চুয়াডাঙ্গায়। শনিবার সকালে সংবাদমাধ্যমে ইনানীর একটি রিসোর্টে আগুন লাগার খবর দেখে স্বজনদের খোঁজ নিতে শুরু করেন নূর আলম। এরপর জানতে পারেন, আগুনে প্রাণ হারিয়েছেন তার স্ত্রী, পাঁচ বছরের সন্তানসহ পরিবারের ছয়জন। যে সফর শেষে সবাই একসঙ্গে বাড়ি ফেরার কথা ছিল, সেই সফরই কেড়ে নিল তাঁর সবচেয়ে কাছের মানুষগুলোকে।
স্ত্রী ফারিয়া কবির, পাঁচ বছরের ছেলে ফাইজান নূর, শ্যালক ও শ্যালিকাদের নিয়ে গত বৃহস্পতিবার কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন ওষুধ কোম্পানি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা নূর আলম। কিন্তু শনিবার সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে একটি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তার পরিবারের ছয়জনের মৃত্যু হয়।
চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত নূর আলম জানান, তার স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতা সত্ত্বেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে কক্সবাজার গিয়েছিলেন তিনি। নূর আলমও তাদের সঙ্গে ছিলেন। তবে কক্সবাজারে পৌঁছানোর পর অফিসের কাজে শুক্রবার তাকে চুয়াডাঙ্গায় ফিরে যেতে হয়।
শনিবার সকালে গণমাধ্যমে আগুনের খবর দেখে তিনি স্বজনদের খোঁজ নিতে শুরু করেন। তখনই জানতে পারেন, নিহত ছয়জনই তার পরিবারের সদস্য।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন নূর আলমের স্ত্রী ফারিয়া কবির (৩৩), তাদের পাঁচ বছর বয়সী সন্তান ফাইজান নূর, শ্যালক নাসির উদ্দিন (২৫) এবং তিন শ্যালিকা ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩)। অগ্নিকাণ্ডে নিহত আরেকজন হলেন নাফিসতা মীম (২৭)।
শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগে। কাঠের তৈরি এই রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজে অংশ নেন।
বেলা সোয়া দুইটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সেখানে আরও মরদেহ থাকতে পারে। তখনো উদ্ধার অভিযান চলছিল।

স্ত্রী-সন্তান, শ্যালক ও তিন শ্যালিকাকে হারালেন নূর আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন নূর আলম। অফিসের কাজের প্রয়োজনে এক দিন আগেই তিনি ফিরে যান চুয়াডাঙ্গায়। শনিবার সকালে সংবাদমাধ্যমে ইনানীর একটি রিসোর্টে আগুন লাগার খবর দেখে স্বজনদের খোঁজ নিতে শুরু করেন নূর আলম। এরপর জানতে পারেন, আগুনে প্রাণ হারিয়েছেন তার স্ত্রী, পাঁচ বছরের সন্তানসহ পরিবারের ছয়জন। যে সফর শেষে সবাই একসঙ্গে বাড়ি ফেরার কথা ছিল, সেই সফরই কেড়ে নিল তাঁর সবচেয়ে কাছের মানুষগুলোকে।
স্ত্রী ফারিয়া কবির, পাঁচ বছরের ছেলে ফাইজান নূর, শ্যালক ও শ্যালিকাদের নিয়ে গত বৃহস্পতিবার কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন ওষুধ কোম্পানি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা নূর আলম। কিন্তু শনিবার সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে একটি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তার পরিবারের ছয়জনের মৃত্যু হয়।
চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত নূর আলম জানান, তার স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতা সত্ত্বেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে কক্সবাজার গিয়েছিলেন তিনি। নূর আলমও তাদের সঙ্গে ছিলেন। তবে কক্সবাজারে পৌঁছানোর পর অফিসের কাজে শুক্রবার তাকে চুয়াডাঙ্গায় ফিরে যেতে হয়।
শনিবার সকালে গণমাধ্যমে আগুনের খবর দেখে তিনি স্বজনদের খোঁজ নিতে শুরু করেন। তখনই জানতে পারেন, নিহত ছয়জনই তার পরিবারের সদস্য।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন নূর আলমের স্ত্রী ফারিয়া কবির (৩৩), তাদের পাঁচ বছর বয়সী সন্তান ফাইজান নূর, শ্যালক নাসির উদ্দিন (২৫) এবং তিন শ্যালিকা ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩)। অগ্নিকাণ্ডে নিহত আরেকজন হলেন নাফিসতা মীম (২৭)।
শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগে। কাঠের তৈরি এই রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজে অংশ নেন।
বেলা সোয়া দুইটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সেখানে আরও মরদেহ থাকতে পারে। তখনো উদ্ধার অভিযান চলছিল।









