‘আমার ভাগনে-ভাগনিসহ ছয়জন মারা গেছে’

‘আমার ভাগনে-ভাগনিসহ ছয়জন মারা গেছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন এক পরিবারের ৯ জন। খুব আনন্দে সময় কাটছিল পরিবারটির। কিন্তু হঠাৎই এক দুর্ঘটনায় নিমিষেই সেই আনন্দ রূপ নিয়েছে চরম হতাশায়। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতের এক রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে একসঙ্গে ওই পরিবারের ছয়জন মারা গেছেন। পরিবারের এতগুলো মানুষকে হারিয়ে এভাবেই বুকফাটা কান্নায় ভাসছেন আমিনুল ইসলাম।
সকালে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে কক্সবাজারে ছুটে যান আমিনুল। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার নয়জন বেড়াতে যান। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাদের ঢাকায় ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সব শেষ।
আমিনুল বলেন, আগুন লাগার সময় তার স্বজনদের দুজন রিসোর্টের বাইরে ছিলেন। তারাই ফোন করে তাকে দুর্ঘটনার খবর দেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে আমিনুল সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমার তিন বোনের পাঁচ ছেলে-মেয়ে মারা গেছে। বড় ভাগনির বাচ্চাও মারা গেছে। ওরা নয়জন বেড়াতে এসেছিল, তিনজন বেঁচে আছে।’
শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন কাঠের তৈরি টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৭টা ২৩ মিনিটে আগুনের খবর আসে। সকাল আটটার দিকে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
তবে ততক্ষণে ঘটে যায় বড় বিপর্যয়। শনিবার বেলা সোয়া দুইটা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছিল। উদ্ধার অভিযান চলছিল, আর আশঙ্কা ছিল– ধ্বংসস্তূপে আরও মরদেহ থাকতে পারে।

কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন এক পরিবারের ৯ জন। খুব আনন্দে সময় কাটছিল পরিবারটির। কিন্তু হঠাৎই এক দুর্ঘটনায় নিমিষেই সেই আনন্দ রূপ নিয়েছে চরম হতাশায়। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতের এক রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে একসঙ্গে ওই পরিবারের ছয়জন মারা গেছেন। পরিবারের এতগুলো মানুষকে হারিয়ে এভাবেই বুকফাটা কান্নায় ভাসছেন আমিনুল ইসলাম।
সকালে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে কক্সবাজারে ছুটে যান আমিনুল। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার নয়জন বেড়াতে যান। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাদের ঢাকায় ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সব শেষ।
আমিনুল বলেন, আগুন লাগার সময় তার স্বজনদের দুজন রিসোর্টের বাইরে ছিলেন। তারাই ফোন করে তাকে দুর্ঘটনার খবর দেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে আমিনুল সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমার তিন বোনের পাঁচ ছেলে-মেয়ে মারা গেছে। বড় ভাগনির বাচ্চাও মারা গেছে। ওরা নয়জন বেড়াতে এসেছিল, তিনজন বেঁচে আছে।’
শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন কাঠের তৈরি টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৭টা ২৩ মিনিটে আগুনের খবর আসে। সকাল আটটার দিকে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
তবে ততক্ষণে ঘটে যায় বড় বিপর্যয়। শনিবার বেলা সোয়া দুইটা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছিল। উদ্ধার অভিযান চলছিল, আর আশঙ্কা ছিল– ধ্বংসস্তূপে আরও মরদেহ থাকতে পারে।

‘আমার ভাগনে-ভাগনিসহ ছয়জন মারা গেছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন এক পরিবারের ৯ জন। খুব আনন্দে সময় কাটছিল পরিবারটির। কিন্তু হঠাৎই এক দুর্ঘটনায় নিমিষেই সেই আনন্দ রূপ নিয়েছে চরম হতাশায়। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতের এক রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে একসঙ্গে ওই পরিবারের ছয়জন মারা গেছেন। পরিবারের এতগুলো মানুষকে হারিয়ে এভাবেই বুকফাটা কান্নায় ভাসছেন আমিনুল ইসলাম।
সকালে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঢাকা থেকে উড়োজাহাজে কক্সবাজারে ছুটে যান আমিনুল। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার নয়জন বেড়াতে যান। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাদের ঢাকায় ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সব শেষ।
আমিনুল বলেন, আগুন লাগার সময় তার স্বজনদের দুজন রিসোর্টের বাইরে ছিলেন। তারাই ফোন করে তাকে দুর্ঘটনার খবর দেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে আমিনুল সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমার তিন বোনের পাঁচ ছেলে-মেয়ে মারা গেছে। বড় ভাগনির বাচ্চাও মারা গেছে। ওরা নয়জন বেড়াতে এসেছিল, তিনজন বেঁচে আছে।’
শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক সৈকতে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন কাঠের তৈরি টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৭টা ২৩ মিনিটে আগুনের খবর আসে। সকাল আটটার দিকে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
তবে ততক্ষণে ঘটে যায় বড় বিপর্যয়। শনিবার বেলা সোয়া দুইটা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছিল। উদ্ধার অভিযান চলছিল, আর আশঙ্কা ছিল– ধ্বংসস্তূপে আরও মরদেহ থাকতে পারে।









