কক্সবাজারে যৌথবাহিনীর অভিযানের পর পাহাড়ে ৩ লাশ

কক্সবাজারে যৌথবাহিনীর অভিযানের পর পাহাড়ে ৩ লাশ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ে যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় মানবপাচারকারীদের গুলিতে এক সেনাসদস্য নিহত হওয়ার পর পাহাড়ের দুর্গম এলাকায় তিনজনের লাশ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। তবে এখনো লাশগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ও লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর পায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এদিকে সশস্ত্র অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পাহাড়জুড়ে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পাহাড়ে তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়েছেন তারা। তবে লাশ উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান শুক্রবার বিকালে বলেন, পাহাড়ে তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। তবে উদ্ধারের আগে সেগুলো লাশ কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, মানবপাচার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান চলবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বিকালে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালীর দুর্গম পাহাড়ে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানায় অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। এ সময় অপরাধীদের গুলিতে সেনাবাহিনীর সৈনিক মো. তিতাস শেখ (২৭) নিহত হন। একই অভিযানে পাহাড়ে বন্দি অবস্থায় থাকা ৫৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় মানবপাচারকারী চক্রের ছয় সদস্যকে। উদ্ধার ব্যক্তিদের শুক্রবার সকালে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পাহাড়ে নতুন করে তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। তাদের অভিযোগ, টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ে সশস্ত্র অপরাধী ও মানবপাচারকারী চক্রের একাধিক আস্তানা রয়েছে। এসব অপরাধীকে নির্মূল করতে বিচ্ছিন্ন অভিযান যথেষ্ট নয়। পুরো পাহাড়ি এলাকায় সমন্বিত সাঁড়াশি অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম অনীক চৌধুরী বলেন, পাহাড়ে অবস্থানরত সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। অপরাধ করে কারও পার পাওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, মানবপাচারকারীদের গুলিতে দায়িত্ব পালনরত একজন সেনাসদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় তারা গভীরভাবে শোকাহত। এ ধরনের অপরাধ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ে যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় মানবপাচারকারীদের গুলিতে এক সেনাসদস্য নিহত হওয়ার পর পাহাড়ের দুর্গম এলাকায় তিনজনের লাশ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। তবে এখনো লাশগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ও লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর পায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এদিকে সশস্ত্র অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পাহাড়জুড়ে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পাহাড়ে তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়েছেন তারা। তবে লাশ উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান শুক্রবার বিকালে বলেন, পাহাড়ে তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। তবে উদ্ধারের আগে সেগুলো লাশ কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, মানবপাচার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান চলবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বিকালে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালীর দুর্গম পাহাড়ে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানায় অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। এ সময় অপরাধীদের গুলিতে সেনাবাহিনীর সৈনিক মো. তিতাস শেখ (২৭) নিহত হন। একই অভিযানে পাহাড়ে বন্দি অবস্থায় থাকা ৫৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় মানবপাচারকারী চক্রের ছয় সদস্যকে। উদ্ধার ব্যক্তিদের শুক্রবার সকালে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পাহাড়ে নতুন করে তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। তাদের অভিযোগ, টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ে সশস্ত্র অপরাধী ও মানবপাচারকারী চক্রের একাধিক আস্তানা রয়েছে। এসব অপরাধীকে নির্মূল করতে বিচ্ছিন্ন অভিযান যথেষ্ট নয়। পুরো পাহাড়ি এলাকায় সমন্বিত সাঁড়াশি অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম অনীক চৌধুরী বলেন, পাহাড়ে অবস্থানরত সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। অপরাধ করে কারও পার পাওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, মানবপাচারকারীদের গুলিতে দায়িত্ব পালনরত একজন সেনাসদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় তারা গভীরভাবে শোকাহত। এ ধরনের অপরাধ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

কক্সবাজারে যৌথবাহিনীর অভিযানের পর পাহাড়ে ৩ লাশ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

কক্সবাজারের টেকনাফের পাহাড়ে যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় মানবপাচারকারীদের গুলিতে এক সেনাসদস্য নিহত হওয়ার পর পাহাড়ের দুর্গম এলাকায় তিনজনের লাশ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। তবে এখনো লাশগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ও লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর পায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এদিকে সশস্ত্র অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পাহাড়জুড়ে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পাহাড়ে তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়েছেন তারা। তবে লাশ উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান শুক্রবার বিকালে বলেন, পাহাড়ে তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। তবে উদ্ধারের আগে সেগুলো লাশ কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, মানবপাচার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান চলবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বিকালে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালীর দুর্গম পাহাড়ে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানায় অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। এ সময় অপরাধীদের গুলিতে সেনাবাহিনীর সৈনিক মো. তিতাস শেখ (২৭) নিহত হন। একই অভিযানে পাহাড়ে বন্দি অবস্থায় থাকা ৫৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় মানবপাচারকারী চক্রের ছয় সদস্যকে। উদ্ধার ব্যক্তিদের শুক্রবার সকালে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পাহাড়ে নতুন করে তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। তাদের অভিযোগ, টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ে সশস্ত্র অপরাধী ও মানবপাচারকারী চক্রের একাধিক আস্তানা রয়েছে। এসব অপরাধীকে নির্মূল করতে বিচ্ছিন্ন অভিযান যথেষ্ট নয়। পুরো পাহাড়ি এলাকায় সমন্বিত সাঁড়াশি অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম অনীক চৌধুরী বলেন, পাহাড়ে অবস্থানরত সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। অপরাধ করে কারও পার পাওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, মানবপাচারকারীদের গুলিতে দায়িত্ব পালনরত একজন সেনাসদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় তারা গভীরভাবে শোকাহত। এ ধরনের অপরাধ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।









