শুনানিতে অস্বাভাবিক আচরণ, আইনজীবীর ডোপ টেস্টের নির্দেশ

শুনানিতে অস্বাভাবিক আচরণ, আইনজীবীর ডোপ টেস্টের নির্দেশ
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামে আসামির জামিন শুনানিতে অস্বাভাবিক আচরণের অভিযোগে শাহেদুল হক নামের এক আইনজীবীর ডোপ টেস্ট (মাদক পরীক্ষা) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফার আদালত এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার বিষয়টি জানাজানি হয়।
আদালত ও আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, নগরের হালিশহর থানার একটি নালিশি মামলায় আসামি এমরান চৌধুরীর জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী শাহেদুল হক। শুনানির শুরুতে বাদীপক্ষের আইনজীবী শ্যামলী চৌধুরী আদালতকে জানান, আসামির আইনজীবী আদালতে আসতে চাচ্ছেন না। এ সময় তিনি নিজেই আসামির জামিন শুনানি করতে চান এবং এতে বাদীর কোনো আপত্তি নেই বলে আদালতকে জানান।
তবে বিচারক বলেন, জামিন শুনানির সময় আসামির আইনজীবীকে সশরীরে আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। পরে বিকালের দিকে আইনজীবী শাহেদুল হক এজলাসে প্রবেশ করেন।
আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়, শুনানির সময় শাহেদুল হকের কথা জড়িয়ে যাচ্ছিল। তার পোশাকও পরিপাটি ছিল না। তিনি আদালতে অসংলগ্নভাবে বলেন, আসামি ভুল করেছে, আর এমন করবে না। আমি আদালতের কাছে জামিনের প্রার্থনা করছি। তার শারীরিক অবস্থা ও কথাবার্তা দেখে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়, তিনি মদজাতীয় কিছু পান করে অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় ছিলেন। এরপর আদালত তাকে জরুরি ভিত্তিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ডোপ টেস্ট করার নির্দেশ দেন।
আদালতের আদেশে আরও বলা হয়েছে, ডোপ টেস্টের জন্য আইনজীবী শাহেদুল হককে জরুরি ভিত্তিতে চমেক হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে আদেশের অনুলিপি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চমেক হাসপাতালের পরিচালক এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মঈনুদ্দীন বলেন, আদালত এক আইনজীবীর ডোপ টেস্টের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন পাইনি।

চট্টগ্রামে আসামির জামিন শুনানিতে অস্বাভাবিক আচরণের অভিযোগে শাহেদুল হক নামের এক আইনজীবীর ডোপ টেস্ট (মাদক পরীক্ষা) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফার আদালত এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার বিষয়টি জানাজানি হয়।
আদালত ও আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, নগরের হালিশহর থানার একটি নালিশি মামলায় আসামি এমরান চৌধুরীর জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী শাহেদুল হক। শুনানির শুরুতে বাদীপক্ষের আইনজীবী শ্যামলী চৌধুরী আদালতকে জানান, আসামির আইনজীবী আদালতে আসতে চাচ্ছেন না। এ সময় তিনি নিজেই আসামির জামিন শুনানি করতে চান এবং এতে বাদীর কোনো আপত্তি নেই বলে আদালতকে জানান।
তবে বিচারক বলেন, জামিন শুনানির সময় আসামির আইনজীবীকে সশরীরে আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। পরে বিকালের দিকে আইনজীবী শাহেদুল হক এজলাসে প্রবেশ করেন।
আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়, শুনানির সময় শাহেদুল হকের কথা জড়িয়ে যাচ্ছিল। তার পোশাকও পরিপাটি ছিল না। তিনি আদালতে অসংলগ্নভাবে বলেন, আসামি ভুল করেছে, আর এমন করবে না। আমি আদালতের কাছে জামিনের প্রার্থনা করছি। তার শারীরিক অবস্থা ও কথাবার্তা দেখে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়, তিনি মদজাতীয় কিছু পান করে অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় ছিলেন। এরপর আদালত তাকে জরুরি ভিত্তিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ডোপ টেস্ট করার নির্দেশ দেন।
আদালতের আদেশে আরও বলা হয়েছে, ডোপ টেস্টের জন্য আইনজীবী শাহেদুল হককে জরুরি ভিত্তিতে চমেক হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে আদেশের অনুলিপি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চমেক হাসপাতালের পরিচালক এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মঈনুদ্দীন বলেন, আদালত এক আইনজীবীর ডোপ টেস্টের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন পাইনি।

শুনানিতে অস্বাভাবিক আচরণ, আইনজীবীর ডোপ টেস্টের নির্দেশ
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামে আসামির জামিন শুনানিতে অস্বাভাবিক আচরণের অভিযোগে শাহেদুল হক নামের এক আইনজীবীর ডোপ টেস্ট (মাদক পরীক্ষা) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফার আদালত এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার বিষয়টি জানাজানি হয়।
আদালত ও আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, নগরের হালিশহর থানার একটি নালিশি মামলায় আসামি এমরান চৌধুরীর জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী শাহেদুল হক। শুনানির শুরুতে বাদীপক্ষের আইনজীবী শ্যামলী চৌধুরী আদালতকে জানান, আসামির আইনজীবী আদালতে আসতে চাচ্ছেন না। এ সময় তিনি নিজেই আসামির জামিন শুনানি করতে চান এবং এতে বাদীর কোনো আপত্তি নেই বলে আদালতকে জানান।
তবে বিচারক বলেন, জামিন শুনানির সময় আসামির আইনজীবীকে সশরীরে আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। পরে বিকালের দিকে আইনজীবী শাহেদুল হক এজলাসে প্রবেশ করেন।
আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়, শুনানির সময় শাহেদুল হকের কথা জড়িয়ে যাচ্ছিল। তার পোশাকও পরিপাটি ছিল না। তিনি আদালতে অসংলগ্নভাবে বলেন, আসামি ভুল করেছে, আর এমন করবে না। আমি আদালতের কাছে জামিনের প্রার্থনা করছি। তার শারীরিক অবস্থা ও কথাবার্তা দেখে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়, তিনি মদজাতীয় কিছু পান করে অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় ছিলেন। এরপর আদালত তাকে জরুরি ভিত্তিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ডোপ টেস্ট করার নির্দেশ দেন।
আদালতের আদেশে আরও বলা হয়েছে, ডোপ টেস্টের জন্য আইনজীবী শাহেদুল হককে জরুরি ভিত্তিতে চমেক হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে আদেশের অনুলিপি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চমেক হাসপাতালের পরিচালক এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মঈনুদ্দীন বলেন, আদালত এক আইনজীবীর ডোপ টেস্টের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন পাইনি।









