কিশোরীকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় টর্চ জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

কিশোরীকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় টর্চ জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে এক কিশোরীকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়াকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকটি ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাশীনগর গ্রামের দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীকে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল একই গ্রামের রাকিব নামের এক ছেলে। তার বাবার নাম হুমায়ুন মিয়া। তবে রাকিবের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে রাজি নয় কিশোরীর পরিবার। এ নিয়ে বিরোধ চলতে থাকে। এর জেরে সম্প্রতি কিশোরীর পড়ালেখা বন্ধ করে দেয় পরিবার। মঙ্গলবার রাতে রাকিব ওই কিশোরীর সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়ির সামনে যায়। তখন কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা তাকে গালিগালাজ করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
সিঙ্গারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘কিশোরীকে বিয়ে না দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ লেগেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সংঘর্ষে কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।’
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) রাজিব চন্দ্র সরকার বলেন, ‘মেয়েসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে এক কিশোরীকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়াকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকটি ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাশীনগর গ্রামের দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীকে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল একই গ্রামের রাকিব নামের এক ছেলে। তার বাবার নাম হুমায়ুন মিয়া। তবে রাকিবের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে রাজি নয় কিশোরীর পরিবার। এ নিয়ে বিরোধ চলতে থাকে। এর জেরে সম্প্রতি কিশোরীর পড়ালেখা বন্ধ করে দেয় পরিবার। মঙ্গলবার রাতে রাকিব ওই কিশোরীর সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়ির সামনে যায়। তখন কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা তাকে গালিগালাজ করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
সিঙ্গারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘কিশোরীকে বিয়ে না দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ লেগেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সংঘর্ষে কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।’
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) রাজিব চন্দ্র সরকার বলেন, ‘মেয়েসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

কিশোরীকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় টর্চ জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে এক কিশোরীকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়াকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাশীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকটি ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাশীনগর গ্রামের দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীকে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল একই গ্রামের রাকিব নামের এক ছেলে। তার বাবার নাম হুমায়ুন মিয়া। তবে রাকিবের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে রাজি নয় কিশোরীর পরিবার। এ নিয়ে বিরোধ চলতে থাকে। এর জেরে সম্প্রতি কিশোরীর পড়ালেখা বন্ধ করে দেয় পরিবার। মঙ্গলবার রাতে রাকিব ওই কিশোরীর সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়ির সামনে যায়। তখন কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা তাকে গালিগালাজ করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। রাতের অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
সিঙ্গারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘কিশোরীকে বিয়ে না দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ লেগেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সংঘর্ষে কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।’
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) রাজিব চন্দ্র সরকার বলেন, ‘মেয়েসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনসার্ট স্থগিতের দাবিতে মাদ্রাসাছাত্রদের স্মারকলিপি






