নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিললো ফুফুর কক্ষের বাক্সে

নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিললো ফুফুর কক্ষের বাক্সে
বান্দরবান সংবাদদাতা

বান্দরবানে ফুফুর কক্ষ থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার দিকে সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের সুয়ালক বাজারসংলগ্ন ময়দার মিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মরদেহ উদ্ধার হওয়া শিশুর নাম তায়িফা সুলতানা। সে ওই এলাকার ইলিয়াস খানের মেয়ে। এ ঘটনায় তার ফুফু নার্গিস সুলতানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল থেকে শিশু তায়িফা নিখোঁজ ছিল। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তার বাবা ইলিয়াস খান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। তার বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। পরে পুলিশ ওই সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখে, নার্গিস সুলাতানা শিশু তায়িফাকে তার কক্ষে নিয়ে যাচ্ছে। এরপর তার কক্ষ তল্লাশি করে একটি বাক্সে তায়িফার লাশ পাওয়া যায়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নার্গিস সুলতানা ভাতিজিকে গলাটিপে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে কী কারণে হত্যা করেছেন, তা তিনি বলেননি।
নিহত শিশুর পরিবারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদস্য বলেন, নার্গিস সুলতানা স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর ভাই ইলিয়াস খানের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন। আপন ভাতিজিকে হত্যার ঘটনায় তারা সবাই স্তম্ভিত। ভাইয়ের বৌয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। তবে হত্যা সম্পর্কে নার্গিস কোনো কিছু বলছেন না।
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ পারভেজ বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নার্গিস সুলতানার কক্ষে তল্লাশি করে একটি বাক্সে শিশু তায়িফা সুলতানার লাশ পাওয়া গেছে। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আর হত্যা মামলায় নার্গিস সুলতানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বান্দরবানে ফুফুর কক্ষ থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার দিকে সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের সুয়ালক বাজারসংলগ্ন ময়দার মিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মরদেহ উদ্ধার হওয়া শিশুর নাম তায়িফা সুলতানা। সে ওই এলাকার ইলিয়াস খানের মেয়ে। এ ঘটনায় তার ফুফু নার্গিস সুলতানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল থেকে শিশু তায়িফা নিখোঁজ ছিল। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তার বাবা ইলিয়াস খান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। তার বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। পরে পুলিশ ওই সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখে, নার্গিস সুলাতানা শিশু তায়িফাকে তার কক্ষে নিয়ে যাচ্ছে। এরপর তার কক্ষ তল্লাশি করে একটি বাক্সে তায়িফার লাশ পাওয়া যায়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নার্গিস সুলতানা ভাতিজিকে গলাটিপে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে কী কারণে হত্যা করেছেন, তা তিনি বলেননি।
নিহত শিশুর পরিবারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদস্য বলেন, নার্গিস সুলতানা স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর ভাই ইলিয়াস খানের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন। আপন ভাতিজিকে হত্যার ঘটনায় তারা সবাই স্তম্ভিত। ভাইয়ের বৌয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। তবে হত্যা সম্পর্কে নার্গিস কোনো কিছু বলছেন না।
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ পারভেজ বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নার্গিস সুলতানার কক্ষে তল্লাশি করে একটি বাক্সে শিশু তায়িফা সুলতানার লাশ পাওয়া গেছে। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আর হত্যা মামলায় নার্গিস সুলতানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিললো ফুফুর কক্ষের বাক্সে
বান্দরবান সংবাদদাতা

বান্দরবানে ফুফুর কক্ষ থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার দিকে সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের সুয়ালক বাজারসংলগ্ন ময়দার মিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মরদেহ উদ্ধার হওয়া শিশুর নাম তায়িফা সুলতানা। সে ওই এলাকার ইলিয়াস খানের মেয়ে। এ ঘটনায় তার ফুফু নার্গিস সুলতানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল থেকে শিশু তায়িফা নিখোঁজ ছিল। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তার বাবা ইলিয়াস খান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। তার বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। পরে পুলিশ ওই সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখে, নার্গিস সুলাতানা শিশু তায়িফাকে তার কক্ষে নিয়ে যাচ্ছে। এরপর তার কক্ষ তল্লাশি করে একটি বাক্সে তায়িফার লাশ পাওয়া যায়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নার্গিস সুলতানা ভাতিজিকে গলাটিপে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে কী কারণে হত্যা করেছেন, তা তিনি বলেননি।
নিহত শিশুর পরিবারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদস্য বলেন, নার্গিস সুলতানা স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর ভাই ইলিয়াস খানের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন। আপন ভাতিজিকে হত্যার ঘটনায় তারা সবাই স্তম্ভিত। ভাইয়ের বৌয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। তবে হত্যা সম্পর্কে নার্গিস কোনো কিছু বলছেন না।
বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ পারভেজ বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নার্গিস সুলতানার কক্ষে তল্লাশি করে একটি বাক্সে শিশু তায়িফা সুলতানার লাশ পাওয়া গেছে। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আর হত্যা মামলায় নার্গিস সুলতানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।









