সেনা-বিজিবির পাহারায় বান্দরবান-থানচি সড়কে বাস চলাচল শুরু

সেনা-বিজিবির পাহারায় বান্দরবান-থানচি সড়কে বাস চলাচল শুরু
বান্দরবান সংবাদদাতা

সেনা-বিজিবির পাহারায় টানা ছয়দিন পর বান্দরবান-থানচি পর্যটননির্ভর সড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাসে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে সড়কটিতে নিয়মিত যাত্রীসেবা শুরু হয়।
বাস মালিক সমিতি সূত্রে জানা যায়, একটি সন্ত্রাসী দল বিপুল অংকের চাঁদা দাবি করে বাস না চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। হুমকির মুখে গত ৮ অক্টোবর থেকে বান্দরবান-থানচি সড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ করে দেন পরিবহনশ্রমিকেরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর বান্দরবান সদর জোন কর্তৃপক্ষের সাথে বাস মালিক সমিতি এবং পরিবহন কর্মচারীদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নিরাপত্তা বিধানের স্পষ্ট আশ্বাস পাওয়ার পর শ্রমিকরা আবার বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেন।
বান্দরবান-থানচি-রুমা-রোয়াংছড়ি যাত্রীবাহী বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আলম বলেন, নিরাপত্তা বিধানে প্রশাসনের আশ্বাস ও বেড়াতে আসা পর্যটকদের স্বার্থ বিবেচনায় অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই আমরা থানচি সড়কে যাত্রীবাহী বাস চালাতে রাজি হয়েছি।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান সদর জোন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাস মালিক সমিতি ও পরিবহনকর্মীদের বৈঠক হয়। বৈঠকে বান্দরবান-থানচি সড়কের ওয়াই জংশন পয়েন্ট থেকে নীলগিরি পর্যটনকেন্দ্র পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে এসকর্টের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত হয়।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার মো ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, জনভোগান্তির লাঘবে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ প্রশাসনের সার্বিক নিরাপত্তার মাধ্যমে বান্দরবান থানচি সড়কে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

সেনা-বিজিবির পাহারায় টানা ছয়দিন পর বান্দরবান-থানচি পর্যটননির্ভর সড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাসে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে সড়কটিতে নিয়মিত যাত্রীসেবা শুরু হয়।
বাস মালিক সমিতি সূত্রে জানা যায়, একটি সন্ত্রাসী দল বিপুল অংকের চাঁদা দাবি করে বাস না চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। হুমকির মুখে গত ৮ অক্টোবর থেকে বান্দরবান-থানচি সড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ করে দেন পরিবহনশ্রমিকেরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর বান্দরবান সদর জোন কর্তৃপক্ষের সাথে বাস মালিক সমিতি এবং পরিবহন কর্মচারীদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নিরাপত্তা বিধানের স্পষ্ট আশ্বাস পাওয়ার পর শ্রমিকরা আবার বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেন।
বান্দরবান-থানচি-রুমা-রোয়াংছড়ি যাত্রীবাহী বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আলম বলেন, নিরাপত্তা বিধানে প্রশাসনের আশ্বাস ও বেড়াতে আসা পর্যটকদের স্বার্থ বিবেচনায় অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই আমরা থানচি সড়কে যাত্রীবাহী বাস চালাতে রাজি হয়েছি।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান সদর জোন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাস মালিক সমিতি ও পরিবহনকর্মীদের বৈঠক হয়। বৈঠকে বান্দরবান-থানচি সড়কের ওয়াই জংশন পয়েন্ট থেকে নীলগিরি পর্যটনকেন্দ্র পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে এসকর্টের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত হয়।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার মো ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, জনভোগান্তির লাঘবে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ প্রশাসনের সার্বিক নিরাপত্তার মাধ্যমে বান্দরবান থানচি সড়কে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

সেনা-বিজিবির পাহারায় বান্দরবান-থানচি সড়কে বাস চলাচল শুরু
বান্দরবান সংবাদদাতা

সেনা-বিজিবির পাহারায় টানা ছয়দিন পর বান্দরবান-থানচি পর্যটননির্ভর সড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাসে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে সড়কটিতে নিয়মিত যাত্রীসেবা শুরু হয়।
বাস মালিক সমিতি সূত্রে জানা যায়, একটি সন্ত্রাসী দল বিপুল অংকের চাঁদা দাবি করে বাস না চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। হুমকির মুখে গত ৮ অক্টোবর থেকে বান্দরবান-থানচি সড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ করে দেন পরিবহনশ্রমিকেরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর বান্দরবান সদর জোন কর্তৃপক্ষের সাথে বাস মালিক সমিতি এবং পরিবহন কর্মচারীদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নিরাপত্তা বিধানের স্পষ্ট আশ্বাস পাওয়ার পর শ্রমিকরা আবার বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেন।
বান্দরবান-থানচি-রুমা-রোয়াংছড়ি যাত্রীবাহী বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আলম বলেন, নিরাপত্তা বিধানে প্রশাসনের আশ্বাস ও বেড়াতে আসা পর্যটকদের স্বার্থ বিবেচনায় অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই আমরা থানচি সড়কে যাত্রীবাহী বাস চালাতে রাজি হয়েছি।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান সদর জোন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাস মালিক সমিতি ও পরিবহনকর্মীদের বৈঠক হয়। বৈঠকে বান্দরবান-থানচি সড়কের ওয়াই জংশন পয়েন্ট থেকে নীলগিরি পর্যটনকেন্দ্র পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে এসকর্টের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত হয়।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার মো ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, জনভোগান্তির লাঘবে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ প্রশাসনের সার্বিক নিরাপত্তার মাধ্যমে বান্দরবান থানচি সড়কে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

টঙ্গীতে ওষুধ কারখানা আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিট







