জলবায়ু-সহনশীল উদ্যোগ সম্প্রসারণে পিকেএসএফের প্রকল্প উদ্বোধন

জলবায়ু-সহনশীল উদ্যোগ সম্প্রসারণে পিকেএসএফের প্রকল্প উদ্বোধন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলা, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ‘গ্রোথ ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড নিউট্রিশন’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর পিকেএসএফ ভবন ১-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয়।
প্রকল্পের আওতায় হাওর, উপকূল, বরেন্দ্র ও চরাঞ্চলসহ দেশের ২ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি পরিবার প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে। জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী, নারী, যুব, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, সামাজিকভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা, সবুজ প্রযুক্তি, টেকসই উদ্যোক্তা উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবা এবং সহযোগী সংস্থাসমূহের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে প্রকল্পটি কাজ করবে।
প্রকল্পের উপস্থাপনায় উল্লেখ করা হয়, ২০২৬-২০৩১ মেয়াদে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। এতে মোট ২১১ দশমিক ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ) ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে। বাকি অর্থ পিকে এসএফ ও সহযোগী সংস্থাগুলো জোগান দেবে। এ যৌথ বিনিয়োগ দেশের জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে প্রচলিত ক্ষুদ্রঋণের ধারণা পেরিয়ে প্রবৃদ্ধিনির্ভর অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল কাদের বলেন, গ্রিন প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পিকেএসএফ কাজ করবে। ডিজিটাল ফাইন্যান্সিং, এগ্রো-ইকোলজিক্যাল কৃষি, কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ, স্থানীয় পর্যায়ে অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ও প্রাথমিক কৃষি পণ্যের সঙ্গে মূল্য সংযোজন, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যব্যবস্থা, সৌরশক্তির ব্যবহার এবং সার্কুলার ইকোনমির প্রসারে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে প্রকল্প গ্রহণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য দেন পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
প্রকল্পের ওপর একটি উপস্থাপনা দেন পিকেএসএফের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. হাবিবুর রহমান। এ ছাড়া পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক একিউএম গোলাম মাওলা, মো. মশিয়ার রহমান এবং মুহম্মদ হাসান খালেদ পিকেএসএফের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন।
উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে সহযোগী সংস্থাগুলোর নির্বাহী প্রধান ও প্রতিনিধিরা উপকূলীয় নারীদের জন্য কুটির শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও বাজার-সংযোগ, শিল্পদূষণ ও কার্বন নিঃসরণ মোকাবেলায় প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, হাওরাঞ্চলে এআইভিত্তিক আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য বীমা ও ঝুঁকি তহবিল গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সুপারিশ করেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলা, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ‘গ্রোথ ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড নিউট্রিশন’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর পিকেএসএফ ভবন ১-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয়।
প্রকল্পের আওতায় হাওর, উপকূল, বরেন্দ্র ও চরাঞ্চলসহ দেশের ২ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি পরিবার প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে। জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী, নারী, যুব, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, সামাজিকভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা, সবুজ প্রযুক্তি, টেকসই উদ্যোক্তা উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবা এবং সহযোগী সংস্থাসমূহের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে প্রকল্পটি কাজ করবে।
প্রকল্পের উপস্থাপনায় উল্লেখ করা হয়, ২০২৬-২০৩১ মেয়াদে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। এতে মোট ২১১ দশমিক ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ) ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে। বাকি অর্থ পিকে এসএফ ও সহযোগী সংস্থাগুলো জোগান দেবে। এ যৌথ বিনিয়োগ দেশের জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে প্রচলিত ক্ষুদ্রঋণের ধারণা পেরিয়ে প্রবৃদ্ধিনির্ভর অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল কাদের বলেন, গ্রিন প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পিকেএসএফ কাজ করবে। ডিজিটাল ফাইন্যান্সিং, এগ্রো-ইকোলজিক্যাল কৃষি, কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ, স্থানীয় পর্যায়ে অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ও প্রাথমিক কৃষি পণ্যের সঙ্গে মূল্য সংযোজন, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যব্যবস্থা, সৌরশক্তির ব্যবহার এবং সার্কুলার ইকোনমির প্রসারে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে প্রকল্প গ্রহণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য দেন পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
প্রকল্পের ওপর একটি উপস্থাপনা দেন পিকেএসএফের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. হাবিবুর রহমান। এ ছাড়া পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক একিউএম গোলাম মাওলা, মো. মশিয়ার রহমান এবং মুহম্মদ হাসান খালেদ পিকেএসএফের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন।
উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে সহযোগী সংস্থাগুলোর নির্বাহী প্রধান ও প্রতিনিধিরা উপকূলীয় নারীদের জন্য কুটির শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও বাজার-সংযোগ, শিল্পদূষণ ও কার্বন নিঃসরণ মোকাবেলায় প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, হাওরাঞ্চলে এআইভিত্তিক আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য বীমা ও ঝুঁকি তহবিল গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সুপারিশ করেন।

জলবায়ু-সহনশীল উদ্যোগ সম্প্রসারণে পিকেএসএফের প্রকল্প উদ্বোধন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলা, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ‘গ্রোথ ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড নিউট্রিশন’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর পিকেএসএফ ভবন ১-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয়।
প্রকল্পের আওতায় হাওর, উপকূল, বরেন্দ্র ও চরাঞ্চলসহ দেশের ২ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি পরিবার প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে। জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী, নারী, যুব, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, সামাজিকভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা, সবুজ প্রযুক্তি, টেকসই উদ্যোক্তা উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবা এবং সহযোগী সংস্থাসমূহের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে প্রকল্পটি কাজ করবে।
প্রকল্পের উপস্থাপনায় উল্লেখ করা হয়, ২০২৬-২০৩১ মেয়াদে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। এতে মোট ২১১ দশমিক ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ) ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে। বাকি অর্থ পিকে এসএফ ও সহযোগী সংস্থাগুলো জোগান দেবে। এ যৌথ বিনিয়োগ দেশের জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে প্রচলিত ক্ষুদ্রঋণের ধারণা পেরিয়ে প্রবৃদ্ধিনির্ভর অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল কাদের বলেন, গ্রিন প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পিকেএসএফ কাজ করবে। ডিজিটাল ফাইন্যান্সিং, এগ্রো-ইকোলজিক্যাল কৃষি, কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ, স্থানীয় পর্যায়ে অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ও প্রাথমিক কৃষি পণ্যের সঙ্গে মূল্য সংযোজন, নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্যব্যবস্থা, সৌরশক্তির ব্যবহার এবং সার্কুলার ইকোনমির প্রসারে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে প্রকল্প গ্রহণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য দেন পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
প্রকল্পের ওপর একটি উপস্থাপনা দেন পিকেএসএফের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. হাবিবুর রহমান। এ ছাড়া পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক একিউএম গোলাম মাওলা, মো. মশিয়ার রহমান এবং মুহম্মদ হাসান খালেদ পিকেএসএফের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন।
উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে সহযোগী সংস্থাগুলোর নির্বাহী প্রধান ও প্রতিনিধিরা উপকূলীয় নারীদের জন্য কুটির শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও বাজার-সংযোগ, শিল্পদূষণ ও কার্বন নিঃসরণ মোকাবেলায় প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, হাওরাঞ্চলে এআইভিত্তিক আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য বীমা ও ঝুঁকি তহবিল গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সুপারিশ করেন।

মাদ্রাসায় স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করছে ফ্রেশ অনন্যা






