এসএসসি ফল পেয়ে ‘ভাইকিং রো’ স্টাইলে উদযাপন শিক্ষার্থীদের

এসএসসি ফল পেয়ে ‘ভাইকিং রো’ স্টাইলে উদযাপন শিক্ষার্থীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

এসএসসি ফলাফল প্রকাশের পর অনন্য ও ভিন্নধর্মী উল্লাসে মেতে উঠেছে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। কাঙ্ক্ষিত জিপিএ-৫ পাওয়ার পর নরওয়ের ফুটবলারদের উদযাপন শৈলী অনুসরণ করে আনন্দ প্রকাশ করে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) চলতি বছরের এসএসসির ফল প্রকাশের পর সরেজমিনে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে দেখা যায় এক আনন্দঘন পরিবেশ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ক্যাম্পাসের মধ্যে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা জড়ো হতে থাকেন।
কলেজের শহীদ মিনারের সামনে শিক্ষার্থী, স্কাউট বয়েস ও গার্লস টিমের সদস্যরা বাদ্যযন্ত্র বাজায়। তাদের বাদ্যের তালে তালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গানের তালে তালে নাচতে থাকে। এসময় শিক্ষার্থীরা নরওয়ের ফুটবলারদের বিজয়ী গান ‘ভাইকিং রো’ স্টাইলে উদযাপন করে।
জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী রুতমা সিজেএডন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘আগে থেকেই জানতাম আমি জিপিএ ৫ পাবো। কারণ আমি সেভাবেই পড়াশোনা করেছিলাম। যদিও আমার বন্ধুদের (সহপাঠী) সবসময় বলতাম আমি পড়ি না। কিন্তু বাসায় জিপিএ ৫ পাওয়ার জন্য ঠিকই পড়েছিলাম।
তিনি আরও বলেন, ‘(আজ) সকালে বাসায় বসে যখন খবরে শুনলাম এ বছর জিপিএ ৫ সংখ্যা কম– তখন থেকে একটু আতঙ্কে ছিলাম। তবে রেজাল্ট পাওয়ার পরে দুশ্চিন্তা অনেকটা কমে গেছে। আমরা বন্ধুরা মিলে প্ল্যান করেছি নরওয়ের ফুটবলারদের আদলে উচ্ছ্বাস করবো।’

শিক্ষার্থী সানভী রহমান আয়ান জানান, তার সাফল্যমণ্ডিত ফলাফলে পরিবারের সবাই খুব খুশি। বাবা অফিস থেকেই মোবাইল রেজাল্ট বের করে প্রথম জানিয়েছেন। মা খুশি হয়ে সাথে সাথে স্কুল নিয়ে এসেছে। এখন বন্ধু-সহপাঠীরা মিলে একসাথে উল্লাস করছেন।
দেবশ্রী সরকার নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি রেজাল্ট নিয়ে অনেক চিন্তিত ছিলাম। যা আশা করছিলাম, তার চেয়ে ভালো করেছি। আমার রেজাল্ট নিয়ে আমি সন্তুষ্ট।’
অন্যদিকে, জিপিএ ৫ না পেয়েও খুশি শিক্ষার্থী নাফিজুল ইসলাম। তিনি জানান, বাসা থেকে রেজাল্ট বের করে তার আম্মুকে নিয়ে তার ক্যাম্পাস মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসেছেন। এখন বন্ধু-সহপাঠীরা মিলে আনন্দ উদযাপন করছেন।
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে কথা হয় শাহনাজ বেগম নামের এক অভিভাবকের সঙ্গে। তিনি জানান, তার সন্তান জিপিএ ৫ না পেলেও তিনি খুশি। সবাইকে জিপিএ ৫ পেতে হবে এমন নয়। পড়াশোনার পাশাপাশি সন্তানদের ভালো মানুষ হওয়ার প্রতি তিনি বেশি বিশ্বাসী।

ওয়ারীর বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী নামের আরেক অভিভাবক জানান, তার মেয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছেন। এতে তিনি খুশি। তার মেয়ের পরিশ্রম সফল হয়েছে। মেয়েকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা করাবেন বলেও জানান এই অভিভাবক।

এসএসসি ফলাফল প্রকাশের পর অনন্য ও ভিন্নধর্মী উল্লাসে মেতে উঠেছে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। কাঙ্ক্ষিত জিপিএ-৫ পাওয়ার পর নরওয়ের ফুটবলারদের উদযাপন শৈলী অনুসরণ করে আনন্দ প্রকাশ করে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) চলতি বছরের এসএসসির ফল প্রকাশের পর সরেজমিনে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে দেখা যায় এক আনন্দঘন পরিবেশ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ক্যাম্পাসের মধ্যে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা জড়ো হতে থাকেন।
কলেজের শহীদ মিনারের সামনে শিক্ষার্থী, স্কাউট বয়েস ও গার্লস টিমের সদস্যরা বাদ্যযন্ত্র বাজায়। তাদের বাদ্যের তালে তালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গানের তালে তালে নাচতে থাকে। এসময় শিক্ষার্থীরা নরওয়ের ফুটবলারদের বিজয়ী গান ‘ভাইকিং রো’ স্টাইলে উদযাপন করে।
জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী রুতমা সিজেএডন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘আগে থেকেই জানতাম আমি জিপিএ ৫ পাবো। কারণ আমি সেভাবেই পড়াশোনা করেছিলাম। যদিও আমার বন্ধুদের (সহপাঠী) সবসময় বলতাম আমি পড়ি না। কিন্তু বাসায় জিপিএ ৫ পাওয়ার জন্য ঠিকই পড়েছিলাম।
তিনি আরও বলেন, ‘(আজ) সকালে বাসায় বসে যখন খবরে শুনলাম এ বছর জিপিএ ৫ সংখ্যা কম– তখন থেকে একটু আতঙ্কে ছিলাম। তবে রেজাল্ট পাওয়ার পরে দুশ্চিন্তা অনেকটা কমে গেছে। আমরা বন্ধুরা মিলে প্ল্যান করেছি নরওয়ের ফুটবলারদের আদলে উচ্ছ্বাস করবো।’

শিক্ষার্থী সানভী রহমান আয়ান জানান, তার সাফল্যমণ্ডিত ফলাফলে পরিবারের সবাই খুব খুশি। বাবা অফিস থেকেই মোবাইল রেজাল্ট বের করে প্রথম জানিয়েছেন। মা খুশি হয়ে সাথে সাথে স্কুল নিয়ে এসেছে। এখন বন্ধু-সহপাঠীরা মিলে একসাথে উল্লাস করছেন।
দেবশ্রী সরকার নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি রেজাল্ট নিয়ে অনেক চিন্তিত ছিলাম। যা আশা করছিলাম, তার চেয়ে ভালো করেছি। আমার রেজাল্ট নিয়ে আমি সন্তুষ্ট।’
অন্যদিকে, জিপিএ ৫ না পেয়েও খুশি শিক্ষার্থী নাফিজুল ইসলাম। তিনি জানান, বাসা থেকে রেজাল্ট বের করে তার আম্মুকে নিয়ে তার ক্যাম্পাস মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসেছেন। এখন বন্ধু-সহপাঠীরা মিলে আনন্দ উদযাপন করছেন।
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে কথা হয় শাহনাজ বেগম নামের এক অভিভাবকের সঙ্গে। তিনি জানান, তার সন্তান জিপিএ ৫ না পেলেও তিনি খুশি। সবাইকে জিপিএ ৫ পেতে হবে এমন নয়। পড়াশোনার পাশাপাশি সন্তানদের ভালো মানুষ হওয়ার প্রতি তিনি বেশি বিশ্বাসী।

ওয়ারীর বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী নামের আরেক অভিভাবক জানান, তার মেয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছেন। এতে তিনি খুশি। তার মেয়ের পরিশ্রম সফল হয়েছে। মেয়েকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা করাবেন বলেও জানান এই অভিভাবক।

এসএসসি ফল পেয়ে ‘ভাইকিং রো’ স্টাইলে উদযাপন শিক্ষার্থীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

এসএসসি ফলাফল প্রকাশের পর অনন্য ও ভিন্নধর্মী উল্লাসে মেতে উঠেছে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। কাঙ্ক্ষিত জিপিএ-৫ পাওয়ার পর নরওয়ের ফুটবলারদের উদযাপন শৈলী অনুসরণ করে আনন্দ প্রকাশ করে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) চলতি বছরের এসএসসির ফল প্রকাশের পর সরেজমিনে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে দেখা যায় এক আনন্দঘন পরিবেশ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ক্যাম্পাসের মধ্যে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা জড়ো হতে থাকেন।
কলেজের শহীদ মিনারের সামনে শিক্ষার্থী, স্কাউট বয়েস ও গার্লস টিমের সদস্যরা বাদ্যযন্ত্র বাজায়। তাদের বাদ্যের তালে তালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গানের তালে তালে নাচতে থাকে। এসময় শিক্ষার্থীরা নরওয়ের ফুটবলারদের বিজয়ী গান ‘ভাইকিং রো’ স্টাইলে উদযাপন করে।
জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী রুতমা সিজেএডন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘আগে থেকেই জানতাম আমি জিপিএ ৫ পাবো। কারণ আমি সেভাবেই পড়াশোনা করেছিলাম। যদিও আমার বন্ধুদের (সহপাঠী) সবসময় বলতাম আমি পড়ি না। কিন্তু বাসায় জিপিএ ৫ পাওয়ার জন্য ঠিকই পড়েছিলাম।
তিনি আরও বলেন, ‘(আজ) সকালে বাসায় বসে যখন খবরে শুনলাম এ বছর জিপিএ ৫ সংখ্যা কম– তখন থেকে একটু আতঙ্কে ছিলাম। তবে রেজাল্ট পাওয়ার পরে দুশ্চিন্তা অনেকটা কমে গেছে। আমরা বন্ধুরা মিলে প্ল্যান করেছি নরওয়ের ফুটবলারদের আদলে উচ্ছ্বাস করবো।’

শিক্ষার্থী সানভী রহমান আয়ান জানান, তার সাফল্যমণ্ডিত ফলাফলে পরিবারের সবাই খুব খুশি। বাবা অফিস থেকেই মোবাইল রেজাল্ট বের করে প্রথম জানিয়েছেন। মা খুশি হয়ে সাথে সাথে স্কুল নিয়ে এসেছে। এখন বন্ধু-সহপাঠীরা মিলে একসাথে উল্লাস করছেন।
দেবশ্রী সরকার নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি রেজাল্ট নিয়ে অনেক চিন্তিত ছিলাম। যা আশা করছিলাম, তার চেয়ে ভালো করেছি। আমার রেজাল্ট নিয়ে আমি সন্তুষ্ট।’
অন্যদিকে, জিপিএ ৫ না পেয়েও খুশি শিক্ষার্থী নাফিজুল ইসলাম। তিনি জানান, বাসা থেকে রেজাল্ট বের করে তার আম্মুকে নিয়ে তার ক্যাম্পাস মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসেছেন। এখন বন্ধু-সহপাঠীরা মিলে আনন্দ উদযাপন করছেন।
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে কথা হয় শাহনাজ বেগম নামের এক অভিভাবকের সঙ্গে। তিনি জানান, তার সন্তান জিপিএ ৫ না পেলেও তিনি খুশি। সবাইকে জিপিএ ৫ পেতে হবে এমন নয়। পড়াশোনার পাশাপাশি সন্তানদের ভালো মানুষ হওয়ার প্রতি তিনি বেশি বিশ্বাসী।

ওয়ারীর বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী নামের আরেক অভিভাবক জানান, তার মেয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছেন। এতে তিনি খুশি। তার মেয়ের পরিশ্রম সফল হয়েছে। মেয়েকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা করাবেন বলেও জানান এই অভিভাবক।

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন যেভাবে







