১৫ নভেম্বরের মধ্যে সেপটিক ট্যাংক-সোক ওয়েল নির্মাণ শুরু না করলে মোবাইল কোর্ট

১৫ নভেম্বরের মধ্যে সেপটিক ট্যাংক-সোক ওয়েল নির্মাণ শুরু না করলে মোবাইল কোর্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর লেকগুলো দূষণমুক্ত করতে এবার সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল নির্মাণে কড়াকড়ি আরোপ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। যেসব ভবনের অনুমোদিত নকশায় এসব স্থাপনা নির্মাণের ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব ভবনের মালিকদের আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে কাজ শুরু করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে রাজউকের আওতাধীন এলাকার লেকগুলো দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে গঠিত কারিগরি কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল ও স্যুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে ১ হাজার ২৬৯টি ভবনকে চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এসব ভবনের তালিকা সংশ্লিষ্ট সোসাইটিগুলোর কাছে পাঠানো হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু না করলে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এবং ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, রাজউক থেকে সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল নির্মাণের কাঠামোগত নকশার অনুমোদন নিতে হবে। তবে এ-সংক্রান্ত আবেদন পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যেই তা নিষ্পত্তি করতে হবে সংস্থাটিকে।
সভায় ঢাকার লেকগুলোতে দূষণের উৎস চিহ্নিত করা, পানির গুণগত মান উন্নয়ন এবং বর্জ্য ও পয়ঃবর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। লেকের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন ও মো. সারোয়ার আলম এবং রাজউকের সদস্য এরাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়াও সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রফিকুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কে এম মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, গুলশান, বারিধারা, বনানী ও নিকেতন সোসাইটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীর লেকগুলো দূষণমুক্ত করতে এবার সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল নির্মাণে কড়াকড়ি আরোপ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। যেসব ভবনের অনুমোদিত নকশায় এসব স্থাপনা নির্মাণের ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব ভবনের মালিকদের আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে কাজ শুরু করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে রাজউকের আওতাধীন এলাকার লেকগুলো দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে গঠিত কারিগরি কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল ও স্যুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে ১ হাজার ২৬৯টি ভবনকে চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এসব ভবনের তালিকা সংশ্লিষ্ট সোসাইটিগুলোর কাছে পাঠানো হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু না করলে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এবং ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, রাজউক থেকে সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল নির্মাণের কাঠামোগত নকশার অনুমোদন নিতে হবে। তবে এ-সংক্রান্ত আবেদন পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যেই তা নিষ্পত্তি করতে হবে সংস্থাটিকে।
সভায় ঢাকার লেকগুলোতে দূষণের উৎস চিহ্নিত করা, পানির গুণগত মান উন্নয়ন এবং বর্জ্য ও পয়ঃবর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। লেকের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন ও মো. সারোয়ার আলম এবং রাজউকের সদস্য এরাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়াও সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রফিকুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কে এম মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, গুলশান, বারিধারা, বনানী ও নিকেতন সোসাইটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১৫ নভেম্বরের মধ্যে সেপটিক ট্যাংক-সোক ওয়েল নির্মাণ শুরু না করলে মোবাইল কোর্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর লেকগুলো দূষণমুক্ত করতে এবার সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল নির্মাণে কড়াকড়ি আরোপ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। যেসব ভবনের অনুমোদিত নকশায় এসব স্থাপনা নির্মাণের ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব ভবনের মালিকদের আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে কাজ শুরু করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে রাজউকের আওতাধীন এলাকার লেকগুলো দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে গঠিত কারিগরি কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল ও স্যুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে ১ হাজার ২৬৯টি ভবনকে চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এসব ভবনের তালিকা সংশ্লিষ্ট সোসাইটিগুলোর কাছে পাঠানো হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু না করলে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এবং ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, রাজউক থেকে সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল নির্মাণের কাঠামোগত নকশার অনুমোদন নিতে হবে। তবে এ-সংক্রান্ত আবেদন পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যেই তা নিষ্পত্তি করতে হবে সংস্থাটিকে।
সভায় ঢাকার লেকগুলোতে দূষণের উৎস চিহ্নিত করা, পানির গুণগত মান উন্নয়ন এবং বর্জ্য ও পয়ঃবর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। লেকের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন ও মো. সারোয়ার আলম এবং রাজউকের সদস্য এরাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়াও সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রফিকুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কে এম মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, গুলশান, বারিধারা, বনানী ও নিকেতন সোসাইটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উন্নয়ন থেমে যায় ডিটিসিএর খামখেয়ালিতে 







