গুলিস্তানে ডিএসসিসির অভিযান, উচ্ছেদ শতাধিক দোকান

গুলিস্তানে ডিএসসিসির অভিযান, উচ্ছেদ শতাধিক দোকান
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলিস্তানে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এ সময় দোকানের মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেটসংলগ্ন ফুটপাতে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, শতাধিক উচ্ছেদকর্মী ও পুলিশের ছয় প্লাটুন সদস্য অংশ নেন। পে-লোডারসহ ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে দেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। তিনি অভিযান পরিদর্শন করেন এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।
আবদুস সালাম বলেন, রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। হকারদের এসব নির্ধারিত স্থানেই বসতে হবে।
তিনি বলেন, গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো সড়ক পরিষ্কার রাখা হবে। মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না।

হকারদের আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছে জানিয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, এ বিষয়ে হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও হয়েছে। এরপরও উচ্ছেদের পর আবার ফুটপাত ও সড়ক দখল করে বসায় কঠোর ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে। নিয়ম অমান্য করে বসলে মালামাল জব্দ করা হবে। প্রয়োজনে গ্রেপ্তারও করা হবে।
অভিযান পরিচালনা করেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা হাছিবা খান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম।
পথচারীদের নিরাপদে চলাচলের সুযোগ তৈরি করতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি।

রাজধানীর গুলিস্তানে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এ সময় দোকানের মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেটসংলগ্ন ফুটপাতে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, শতাধিক উচ্ছেদকর্মী ও পুলিশের ছয় প্লাটুন সদস্য অংশ নেন। পে-লোডারসহ ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে দেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। তিনি অভিযান পরিদর্শন করেন এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।
আবদুস সালাম বলেন, রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। হকারদের এসব নির্ধারিত স্থানেই বসতে হবে।
তিনি বলেন, গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো সড়ক পরিষ্কার রাখা হবে। মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না।

হকারদের আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছে জানিয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, এ বিষয়ে হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও হয়েছে। এরপরও উচ্ছেদের পর আবার ফুটপাত ও সড়ক দখল করে বসায় কঠোর ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে। নিয়ম অমান্য করে বসলে মালামাল জব্দ করা হবে। প্রয়োজনে গ্রেপ্তারও করা হবে।
অভিযান পরিচালনা করেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা হাছিবা খান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম।
পথচারীদের নিরাপদে চলাচলের সুযোগ তৈরি করতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি।

গুলিস্তানে ডিএসসিসির অভিযান, উচ্ছেদ শতাধিক দোকান
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলিস্তানে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এ সময় দোকানের মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেটসংলগ্ন ফুটপাতে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, শতাধিক উচ্ছেদকর্মী ও পুলিশের ছয় প্লাটুন সদস্য অংশ নেন। পে-লোডারসহ ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে দেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। তিনি অভিযান পরিদর্শন করেন এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।
আবদুস সালাম বলেন, রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। হকারদের এসব নির্ধারিত স্থানেই বসতে হবে।
তিনি বলেন, গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো সড়ক পরিষ্কার রাখা হবে। মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না।

হকারদের আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছে জানিয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, এ বিষয়ে হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও হয়েছে। এরপরও উচ্ছেদের পর আবার ফুটপাত ও সড়ক দখল করে বসায় কঠোর ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে। নিয়ম অমান্য করে বসলে মালামাল জব্দ করা হবে। প্রয়োজনে গ্রেপ্তারও করা হবে।
অভিযান পরিচালনা করেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা হাছিবা খান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম।
পথচারীদের নিরাপদে চলাচলের সুযোগ তৈরি করতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি।









