মিরপুরে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিলেন এডিসি, ৭ ঘণ্টায়ও ফেরত মেলেনি

মিরপুরে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিলেন এডিসি, ৭ ঘণ্টায়ও ফেরত মেলেনি
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহের সময় কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহবুবুল ইসলামের মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের লাঠিচার্জের দৃশ্য ধারণের সময় তার মোবাইল ফোন নিয়ে যান মিরপুর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জাহিদুল ইসলাম। তবে ঘটনার প্রায় সাত ঘণ্টা পার হলেও ফোনটি ফেরত পাননি ওই সাংবাদিক।
মাহবুবুল ইসলামের অভিযোগ, মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে তিনি পুলিশের লাঠিচার্জের দৃশ্য ধারণ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ এডিসি জাহিদুল ইসলাম তার দিকে এগিয়ে এসে মোবাইল ফোন দিতে বলেন। তিনি ফোনটি পেছনে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ওই কর্মকর্তা টান দিয়ে ফোনটি নিয়ে নেন। পরে নিজের সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেখালেও ফোনটি ফেরত পাননি তিনি।
ঘটনাস্থলে মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উপস্থিত ছিলেন। পরে তার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন মাহবুবুল। এরপর এডিসি জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে ফোনটি ফেরত চান। প্রতিবারই ফোন দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। একপর্যায়ে ফোনটি নির্দিষ্ট একটি স্থানে রয়েছে বলেও জানানো হয়। তবে সর্বশেষ যোগাযোগে পুলিশ জানায়, ফোনটি এখনো তাদের হাতে পৌঁছায়নি। খুঁজে পাওয়া না গেলে কিনে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
একই ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন ঢাকা পোস্টের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মারুফ হোসেন। তার অভিযোগ, ভিডিও ধারণের সময় এডিসি জাহিদুল ইসলাম তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘ভাই, আপনারা কি ভিডিও করছেন? সরে যান, দূরে যান।’
এ সময় ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এখন অনেক ঝামেলায় আছি, মাথা গরম আছে।’
জবাবে মারুফ হোসেন বলেন, ‘আপনি অপেশাদার আচরণ করছেন। আপনি আন্দোলনে পুলিশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আপনার মতো একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা যদি সাংবাদিকদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করেন, তাহলে অধস্তন কর্মকর্তারা কী আচরণ করবেন?’ পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় সাংবাদিকরা সেখান থেকে সরে আসেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মাহবুবুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মোবাইল ফোনে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, বিশেষ প্রতিবেদনসংক্রান্ত বক্তব্য ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় নথি রয়েছে। ফোনটি না থাকায় সারাদিন কোনো কাজ করতে পারিনি। দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে ফোনটি নেওয়ার পর থেকে বারবার যোগাযোগ করেও এখনো ফেরত পাইনি।’
এদিকে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এডিসি জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমি সাংবাদিকের কোনো মোবাইল নিইনি।’
এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা তাকে ঘটনার ভিডিও ফুটেজের প্রমাণ দেখাতে চাইলে তিনি সেখান থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘স্যার আছেন, স্যারের সঙ্গে কথা বলেন।’

রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহের সময় কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহবুবুল ইসলামের মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের লাঠিচার্জের দৃশ্য ধারণের সময় তার মোবাইল ফোন নিয়ে যান মিরপুর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জাহিদুল ইসলাম। তবে ঘটনার প্রায় সাত ঘণ্টা পার হলেও ফোনটি ফেরত পাননি ওই সাংবাদিক।
মাহবুবুল ইসলামের অভিযোগ, মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে তিনি পুলিশের লাঠিচার্জের দৃশ্য ধারণ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ এডিসি জাহিদুল ইসলাম তার দিকে এগিয়ে এসে মোবাইল ফোন দিতে বলেন। তিনি ফোনটি পেছনে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ওই কর্মকর্তা টান দিয়ে ফোনটি নিয়ে নেন। পরে নিজের সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেখালেও ফোনটি ফেরত পাননি তিনি।
ঘটনাস্থলে মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উপস্থিত ছিলেন। পরে তার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন মাহবুবুল। এরপর এডিসি জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে ফোনটি ফেরত চান। প্রতিবারই ফোন দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। একপর্যায়ে ফোনটি নির্দিষ্ট একটি স্থানে রয়েছে বলেও জানানো হয়। তবে সর্বশেষ যোগাযোগে পুলিশ জানায়, ফোনটি এখনো তাদের হাতে পৌঁছায়নি। খুঁজে পাওয়া না গেলে কিনে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
একই ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন ঢাকা পোস্টের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মারুফ হোসেন। তার অভিযোগ, ভিডিও ধারণের সময় এডিসি জাহিদুল ইসলাম তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘ভাই, আপনারা কি ভিডিও করছেন? সরে যান, দূরে যান।’
এ সময় ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এখন অনেক ঝামেলায় আছি, মাথা গরম আছে।’
জবাবে মারুফ হোসেন বলেন, ‘আপনি অপেশাদার আচরণ করছেন। আপনি আন্দোলনে পুলিশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আপনার মতো একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা যদি সাংবাদিকদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করেন, তাহলে অধস্তন কর্মকর্তারা কী আচরণ করবেন?’ পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় সাংবাদিকরা সেখান থেকে সরে আসেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মাহবুবুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মোবাইল ফোনে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, বিশেষ প্রতিবেদনসংক্রান্ত বক্তব্য ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় নথি রয়েছে। ফোনটি না থাকায় সারাদিন কোনো কাজ করতে পারিনি। দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে ফোনটি নেওয়ার পর থেকে বারবার যোগাযোগ করেও এখনো ফেরত পাইনি।’
এদিকে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এডিসি জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমি সাংবাদিকের কোনো মোবাইল নিইনি।’
এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা তাকে ঘটনার ভিডিও ফুটেজের প্রমাণ দেখাতে চাইলে তিনি সেখান থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘স্যার আছেন, স্যারের সঙ্গে কথা বলেন।’

মিরপুরে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিলেন এডিসি, ৭ ঘণ্টায়ও ফেরত মেলেনি
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহের সময় কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহবুবুল ইসলামের মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের লাঠিচার্জের দৃশ্য ধারণের সময় তার মোবাইল ফোন নিয়ে যান মিরপুর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জাহিদুল ইসলাম। তবে ঘটনার প্রায় সাত ঘণ্টা পার হলেও ফোনটি ফেরত পাননি ওই সাংবাদিক।
মাহবুবুল ইসলামের অভিযোগ, মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে তিনি পুলিশের লাঠিচার্জের দৃশ্য ধারণ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ এডিসি জাহিদুল ইসলাম তার দিকে এগিয়ে এসে মোবাইল ফোন দিতে বলেন। তিনি ফোনটি পেছনে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ওই কর্মকর্তা টান দিয়ে ফোনটি নিয়ে নেন। পরে নিজের সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেখালেও ফোনটি ফেরত পাননি তিনি।
ঘটনাস্থলে মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উপস্থিত ছিলেন। পরে তার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন মাহবুবুল। এরপর এডিসি জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে ফোনটি ফেরত চান। প্রতিবারই ফোন দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। একপর্যায়ে ফোনটি নির্দিষ্ট একটি স্থানে রয়েছে বলেও জানানো হয়। তবে সর্বশেষ যোগাযোগে পুলিশ জানায়, ফোনটি এখনো তাদের হাতে পৌঁছায়নি। খুঁজে পাওয়া না গেলে কিনে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
একই ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন ঢাকা পোস্টের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মারুফ হোসেন। তার অভিযোগ, ভিডিও ধারণের সময় এডিসি জাহিদুল ইসলাম তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘ভাই, আপনারা কি ভিডিও করছেন? সরে যান, দূরে যান।’
এ সময় ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এখন অনেক ঝামেলায় আছি, মাথা গরম আছে।’
জবাবে মারুফ হোসেন বলেন, ‘আপনি অপেশাদার আচরণ করছেন। আপনি আন্দোলনে পুলিশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আপনার মতো একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা যদি সাংবাদিকদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করেন, তাহলে অধস্তন কর্মকর্তারা কী আচরণ করবেন?’ পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় সাংবাদিকরা সেখান থেকে সরে আসেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মাহবুবুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মোবাইল ফোনে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, বিশেষ প্রতিবেদনসংক্রান্ত বক্তব্য ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় নথি রয়েছে। ফোনটি না থাকায় সারাদিন কোনো কাজ করতে পারিনি। দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে ফোনটি নেওয়ার পর থেকে বারবার যোগাযোগ করেও এখনো ফেরত পাইনি।’
এদিকে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এডিসি জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমি সাংবাদিকের কোনো মোবাইল নিইনি।’
এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা তাকে ঘটনার ভিডিও ফুটেজের প্রমাণ দেখাতে চাইলে তিনি সেখান থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘স্যার আছেন, স্যারের সঙ্গে কথা বলেন।’

মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ







