মালিকানা পেলেই বংশালের ঐতিহাসিক পুকুরের উন্নয়নকাজ শুরু: ডিএসসিসি প্রশাসক

মালিকানা পেলেই বংশালের ঐতিহাসিক পুকুরের উন্নয়নকাজ শুরু: ডিএসসিসি প্রশাসক
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুরান ঢাকার বংশালের ঐতিহাসিক পুকুরটির মালিকানা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) কাছে হস্তান্তর করা হলে দ্রুত উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসক আবদুস সালাম। পুকুরটির ভাঙনরোধ, সংরক্ষণ ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নগর ভবনে প্রশাসকের সভাকক্ষে বংশাল এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদসহ স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা এলাকার দীর্ঘদিনের নাগরিক সংকট– বিশেষ করে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা ও যাতায়াত ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বংশালের পুরোনো পুকুরটির পাড় ভেঙে আশপাশের ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।
ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘বংশাল পুরান ঢাকার অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী একটি এলাকা। এখানকার পুরোনো পুকুরটির পাড় ভেঙে যাওয়ায় আশপাশের বাসাবাড়ি ও ভবন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় পুকুরটি সংরক্ষণ করা জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুকুরটি সিটি কর্পোরেশনের অধীনে না এলে সেখানে সরকারি তহবিলে উন্নয়নকাজ করা সম্ভব নয়। স্থানীয় মুরুব্বিরা এটি ডিএসসিসির ব্যবস্থাপনায় বুঝিয়ে দেওয়া মাত্রই আমরা কাজ শুরু করবো। এটিকে সৌন্দর্যবর্ধন, লাইটিং ও সবুজায়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক পার্কের আদলে গড়ে তোলা হবে, যেন সব বয়সের মানুষ এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন।’
প্রশাসক জানান, সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য ডিএসসিসির প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে একটি কারিগরি দল দ্রুতই বংশালের পুকুরটি পরিদর্শনে যাবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পঞ্চায়েত কমিটির সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে পুরান ঢাকার এই ঐতিহ্য রক্ষায় ডিএসসিসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পুরান ঢাকার বংশালের ঐতিহাসিক পুকুরটির মালিকানা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) কাছে হস্তান্তর করা হলে দ্রুত উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসক আবদুস সালাম। পুকুরটির ভাঙনরোধ, সংরক্ষণ ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নগর ভবনে প্রশাসকের সভাকক্ষে বংশাল এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদসহ স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা এলাকার দীর্ঘদিনের নাগরিক সংকট– বিশেষ করে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা ও যাতায়াত ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বংশালের পুরোনো পুকুরটির পাড় ভেঙে আশপাশের ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।
ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘বংশাল পুরান ঢাকার অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী একটি এলাকা। এখানকার পুরোনো পুকুরটির পাড় ভেঙে যাওয়ায় আশপাশের বাসাবাড়ি ও ভবন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় পুকুরটি সংরক্ষণ করা জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুকুরটি সিটি কর্পোরেশনের অধীনে না এলে সেখানে সরকারি তহবিলে উন্নয়নকাজ করা সম্ভব নয়। স্থানীয় মুরুব্বিরা এটি ডিএসসিসির ব্যবস্থাপনায় বুঝিয়ে দেওয়া মাত্রই আমরা কাজ শুরু করবো। এটিকে সৌন্দর্যবর্ধন, লাইটিং ও সবুজায়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক পার্কের আদলে গড়ে তোলা হবে, যেন সব বয়সের মানুষ এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন।’
প্রশাসক জানান, সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য ডিএসসিসির প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে একটি কারিগরি দল দ্রুতই বংশালের পুকুরটি পরিদর্শনে যাবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পঞ্চায়েত কমিটির সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে পুরান ঢাকার এই ঐতিহ্য রক্ষায় ডিএসসিসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মালিকানা পেলেই বংশালের ঐতিহাসিক পুকুরের উন্নয়নকাজ শুরু: ডিএসসিসি প্রশাসক
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুরান ঢাকার বংশালের ঐতিহাসিক পুকুরটির মালিকানা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) কাছে হস্তান্তর করা হলে দ্রুত উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসক আবদুস সালাম। পুকুরটির ভাঙনরোধ, সংরক্ষণ ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নগর ভবনে প্রশাসকের সভাকক্ষে বংশাল এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদসহ স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা এলাকার দীর্ঘদিনের নাগরিক সংকট– বিশেষ করে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা ও যাতায়াত ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বংশালের পুরোনো পুকুরটির পাড় ভেঙে আশপাশের ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।
ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘বংশাল পুরান ঢাকার অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী একটি এলাকা। এখানকার পুরোনো পুকুরটির পাড় ভেঙে যাওয়ায় আশপাশের বাসাবাড়ি ও ভবন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় পুকুরটি সংরক্ষণ করা জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুকুরটি সিটি কর্পোরেশনের অধীনে না এলে সেখানে সরকারি তহবিলে উন্নয়নকাজ করা সম্ভব নয়। স্থানীয় মুরুব্বিরা এটি ডিএসসিসির ব্যবস্থাপনায় বুঝিয়ে দেওয়া মাত্রই আমরা কাজ শুরু করবো। এটিকে সৌন্দর্যবর্ধন, লাইটিং ও সবুজায়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক পার্কের আদলে গড়ে তোলা হবে, যেন সব বয়সের মানুষ এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন।’
প্রশাসক জানান, সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য ডিএসসিসির প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে একটি কারিগরি দল দ্রুতই বংশালের পুকুরটি পরিদর্শনে যাবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পঞ্চায়েত কমিটির সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে পুরান ঢাকার এই ঐতিহ্য রক্ষায় ডিএসসিসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

টাকা নিয়েও ছয় হাজার ব্যবসায়ীকে দোকান দিতে পারেনি ডিএসসিসি







