টাকা নিয়েও ছয় হাজার ব্যবসায়ীকে দোকান দিতে পারেনি ডিএসসিসি

টাকা নিয়েও ছয় হাজার ব্যবসায়ীকে দোকান দিতে পারেনি ডিএসসিসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়ে কোটি কোটি টাকা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও অনেক বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী এখনো বুঝে পাননি তাদের দোকান। উল্টো নির্মাণ ব্যয় বেড়েছে কারণ দেখিয়ে নতুন করে বাড়তি টাকা জমা দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
ডিএসসিসির বিভিন্ন মার্কেটে দোকান বরাদ্দের জন্য প্রায় ছয় হাজার ব্যবসায়ী আবেদন করেন। এসব আবেদনকারীর কাছ থেকে ১ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত পে-অর্ডারের মাধ্যমে নেওয়া হয়। পরে লটারির মাধ্যমে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হলেও অধিকাংশ মার্কেটের নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি।
চানখাঁরপুল মার্কেটের এক বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী জানান, ২০১৬ সালে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে তিনি দোকান পান। পরে আরও দুই লাখ টাকা জমা দেন। সম্প্রতি দোকানের মূল্য বাড়িয়ে আরও দুই লাখ টাকা দেওয়ার নোটিশ দিয়েছে ডিএসসিসি। ২০২০ সালের মধ্যে দোকান বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো কাজ শেষ হয়নি। ১২ তলা মার্কেটটির মাত্র পাঁচ তলা পর্যন্ত অবকাঠামো তৈরি হয়েছে। একই অবস্থা ইসলামবাগ আধুনিক নগর বিপণি বিতানের বরাদ্দপ্রাপ্তদেরও। ২০১৪ সালে টাকা জমা দিলেও অনেকেই এখনো দোকানের দখল পাননি।
ডিএসসিসির তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গবাজারে ২ হাজার ৯৬১ জন, গুলিস্তান ট্রেড সেন্টারে ১ হাজার ৬৪৬ জন, কাপ্তানবাজার কিচেন মার্কেটে ৮৪২ জনসহ বিভিন্ন মার্কেটের হাজারো ব্যবসায়ী টাকা দিয়েও অপেক্ষায় রয়েছেন।
এদিকে দোকানের দাম নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। ডিএসসিসির নির্ধারিত দামে প্রতি বর্গফুটের মূল্য ৬ হাজার ৫০০ থেকে ২৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, এত বেশি দামের কারণে প্রকৃত হকারদের পক্ষে দোকান নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
ডিএসসিসির কর্মকর্তারা বলছেন, জমির মূল্য ও নির্মাণ ব্যয়ের ভিত্তিতেই দোকানের দাম নির্ধারণ করা হয়। অর্থ বরাদ্দের ওপর নির্ভর করেই মার্কেট নির্মাণের কাজ এগিয়েছে।

রাজধানীর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়ে কোটি কোটি টাকা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও অনেক বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী এখনো বুঝে পাননি তাদের দোকান। উল্টো নির্মাণ ব্যয় বেড়েছে কারণ দেখিয়ে নতুন করে বাড়তি টাকা জমা দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
ডিএসসিসির বিভিন্ন মার্কেটে দোকান বরাদ্দের জন্য প্রায় ছয় হাজার ব্যবসায়ী আবেদন করেন। এসব আবেদনকারীর কাছ থেকে ১ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত পে-অর্ডারের মাধ্যমে নেওয়া হয়। পরে লটারির মাধ্যমে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হলেও অধিকাংশ মার্কেটের নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি।
চানখাঁরপুল মার্কেটের এক বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী জানান, ২০১৬ সালে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে তিনি দোকান পান। পরে আরও দুই লাখ টাকা জমা দেন। সম্প্রতি দোকানের মূল্য বাড়িয়ে আরও দুই লাখ টাকা দেওয়ার নোটিশ দিয়েছে ডিএসসিসি। ২০২০ সালের মধ্যে দোকান বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো কাজ শেষ হয়নি। ১২ তলা মার্কেটটির মাত্র পাঁচ তলা পর্যন্ত অবকাঠামো তৈরি হয়েছে। একই অবস্থা ইসলামবাগ আধুনিক নগর বিপণি বিতানের বরাদ্দপ্রাপ্তদেরও। ২০১৪ সালে টাকা জমা দিলেও অনেকেই এখনো দোকানের দখল পাননি।
ডিএসসিসির তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গবাজারে ২ হাজার ৯৬১ জন, গুলিস্তান ট্রেড সেন্টারে ১ হাজার ৬৪৬ জন, কাপ্তানবাজার কিচেন মার্কেটে ৮৪২ জনসহ বিভিন্ন মার্কেটের হাজারো ব্যবসায়ী টাকা দিয়েও অপেক্ষায় রয়েছেন।
এদিকে দোকানের দাম নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। ডিএসসিসির নির্ধারিত দামে প্রতি বর্গফুটের মূল্য ৬ হাজার ৫০০ থেকে ২৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, এত বেশি দামের কারণে প্রকৃত হকারদের পক্ষে দোকান নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
ডিএসসিসির কর্মকর্তারা বলছেন, জমির মূল্য ও নির্মাণ ব্যয়ের ভিত্তিতেই দোকানের দাম নির্ধারণ করা হয়। অর্থ বরাদ্দের ওপর নির্ভর করেই মার্কেট নির্মাণের কাজ এগিয়েছে।

টাকা নিয়েও ছয় হাজার ব্যবসায়ীকে দোকান দিতে পারেনি ডিএসসিসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়ে কোটি কোটি টাকা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও অনেক বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী এখনো বুঝে পাননি তাদের দোকান। উল্টো নির্মাণ ব্যয় বেড়েছে কারণ দেখিয়ে নতুন করে বাড়তি টাকা জমা দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
ডিএসসিসির বিভিন্ন মার্কেটে দোকান বরাদ্দের জন্য প্রায় ছয় হাজার ব্যবসায়ী আবেদন করেন। এসব আবেদনকারীর কাছ থেকে ১ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত পে-অর্ডারের মাধ্যমে নেওয়া হয়। পরে লটারির মাধ্যমে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হলেও অধিকাংশ মার্কেটের নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি।
চানখাঁরপুল মার্কেটের এক বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী জানান, ২০১৬ সালে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে তিনি দোকান পান। পরে আরও দুই লাখ টাকা জমা দেন। সম্প্রতি দোকানের মূল্য বাড়িয়ে আরও দুই লাখ টাকা দেওয়ার নোটিশ দিয়েছে ডিএসসিসি। ২০২০ সালের মধ্যে দোকান বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো কাজ শেষ হয়নি। ১২ তলা মার্কেটটির মাত্র পাঁচ তলা পর্যন্ত অবকাঠামো তৈরি হয়েছে। একই অবস্থা ইসলামবাগ আধুনিক নগর বিপণি বিতানের বরাদ্দপ্রাপ্তদেরও। ২০১৪ সালে টাকা জমা দিলেও অনেকেই এখনো দোকানের দখল পাননি।
ডিএসসিসির তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গবাজারে ২ হাজার ৯৬১ জন, গুলিস্তান ট্রেড সেন্টারে ১ হাজার ৬৪৬ জন, কাপ্তানবাজার কিচেন মার্কেটে ৮৪২ জনসহ বিভিন্ন মার্কেটের হাজারো ব্যবসায়ী টাকা দিয়েও অপেক্ষায় রয়েছেন।
এদিকে দোকানের দাম নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। ডিএসসিসির নির্ধারিত দামে প্রতি বর্গফুটের মূল্য ৬ হাজার ৫০০ থেকে ২৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, এত বেশি দামের কারণে প্রকৃত হকারদের পক্ষে দোকান নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
ডিএসসিসির কর্মকর্তারা বলছেন, জমির মূল্য ও নির্মাণ ব্যয়ের ভিত্তিতেই দোকানের দাম নির্ধারণ করা হয়। অর্থ বরাদ্দের ওপর নির্ভর করেই মার্কেট নির্মাণের কাজ এগিয়েছে।









