শরীরে নেই আঘাতের চিহ্ন, এখনো নিখোঁজ তাহসিফের মোটরসাইকেল

শরীরে নেই আঘাতের চিহ্ন, এখনো নিখোঁজ তাহসিফের মোটরসাইকেল
রাকিব হাসান

নষ্ট মোটরসাইকেল মেরামত করতে বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির। নিখোঁজের এক দিন পর রাজধানীর উত্তরখানের তুরাগ নদীর রাজবাড়ী ঘাট থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো উদ্ধার হয়নি তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি।
মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনের বর্ণনায় বলা হয়েছে, তার উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। মাথার চুল কালো, মুখে ছোট ছোট কালো দাড়ি ও গোঁফ ছিল। তার চোখ ও মুখ বন্ধ ছিল। নাক দিয়ে রক্ত বের হতে দেখা যায়। দুই হাত মাথার সামনের দিকে বাঁকানো এবং মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় ছিল। পেটও ফোলা ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তার বুক, পেট, পিঠ, দুই পা ও যৌনাঙ্গ স্বাভাবিক ছিল। শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। উদ্ধারের সময় তার পরনে ছিল কালো রঙের ফুলহাতা কাবলি শার্ট ও সাদা ট্রাউজার।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে তার পরিবার। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক অ্যাপার্টমেন্টের কবরী ভবনের নিচে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফকে দেখা যায়। বাসা থেকে বেরিয়ে তিনি তার এলাকার পূর্বপরিচিত শাহরিয়ার রেজা দীপের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। কিছুক্ষণ পর নষ্ট মোটরসাইকেলটি ঠেলে নিয়ে আসেন। পরে মোটরসাইকেলটি চালু করে সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে দীপকে সঙ্গে নিয়ে বাসা থেকে বের হন তিনি।
এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তাহসিফ। পরদিন বুধবার (২৮ অক্টোবর) উত্তরখানের তুরাগ নদীর রাজবাড়ী ঘাট এলাকায় কচুরিপানার নিচে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে।
উদ্ধারের সময় মরদেহের পকেটে একটি আইফোন পাওয়া যায়। ওই ফোনে একটি কল আসার পর পরিচয় শনাক্তের সূত্র পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, মরদেহটি নিখোঁজ সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় মায়ের সঙ্গে কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরেন তাহসিফ। পরে দীপের সঙ্গে বেরিয়ে যান। সর্বশেষ বাবার সঙ্গে কথা হয় তার। শুধু বলেছিলেন, ‘আসছি’। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তাহসিফের বাবা বলেন, ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় কারা জড়িত, সে বিষয়ে আমি কিছু জানেন না। ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কেও আমি জানি না। শৃঙ্খলাজনিত কারণে তাহসিফকে বিমানবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসরে পাঠানো হয়েছিল।
তাহসিফের সঙ্গে সর্বশেষ দেখা হওয়া দীপ বলেন, নষ্ট মোটরসাইকেলটি মেরামত করাতে আমরা উত্তরার একটি গ্যারেজে গিয়েছিলাম। মেরামত শেষে রাজউক অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে আমরা একটি রেস্তোরাঁয় খাবার খাই। এরপর দীপ বাসায় চলে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তাহসিফের মৃত্যুর কারণ, তার নিখোঁজ হওয়ার পেছনের পরিস্থিতি এবং মোটরসাইকেলটির অবস্থান—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। তদন্তের অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করছে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন।

নষ্ট মোটরসাইকেল মেরামত করতে বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির। নিখোঁজের এক দিন পর রাজধানীর উত্তরখানের তুরাগ নদীর রাজবাড়ী ঘাট থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো উদ্ধার হয়নি তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি।
মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনের বর্ণনায় বলা হয়েছে, তার উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। মাথার চুল কালো, মুখে ছোট ছোট কালো দাড়ি ও গোঁফ ছিল। তার চোখ ও মুখ বন্ধ ছিল। নাক দিয়ে রক্ত বের হতে দেখা যায়। দুই হাত মাথার সামনের দিকে বাঁকানো এবং মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় ছিল। পেটও ফোলা ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তার বুক, পেট, পিঠ, দুই পা ও যৌনাঙ্গ স্বাভাবিক ছিল। শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। উদ্ধারের সময় তার পরনে ছিল কালো রঙের ফুলহাতা কাবলি শার্ট ও সাদা ট্রাউজার।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে তার পরিবার। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক অ্যাপার্টমেন্টের কবরী ভবনের নিচে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফকে দেখা যায়। বাসা থেকে বেরিয়ে তিনি তার এলাকার পূর্বপরিচিত শাহরিয়ার রেজা দীপের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। কিছুক্ষণ পর নষ্ট মোটরসাইকেলটি ঠেলে নিয়ে আসেন। পরে মোটরসাইকেলটি চালু করে সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে দীপকে সঙ্গে নিয়ে বাসা থেকে বের হন তিনি।
এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তাহসিফ। পরদিন বুধবার (২৮ অক্টোবর) উত্তরখানের তুরাগ নদীর রাজবাড়ী ঘাট এলাকায় কচুরিপানার নিচে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে।
উদ্ধারের সময় মরদেহের পকেটে একটি আইফোন পাওয়া যায়। ওই ফোনে একটি কল আসার পর পরিচয় শনাক্তের সূত্র পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, মরদেহটি নিখোঁজ সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় মায়ের সঙ্গে কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরেন তাহসিফ। পরে দীপের সঙ্গে বেরিয়ে যান। সর্বশেষ বাবার সঙ্গে কথা হয় তার। শুধু বলেছিলেন, ‘আসছি’। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তাহসিফের বাবা বলেন, ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় কারা জড়িত, সে বিষয়ে আমি কিছু জানেন না। ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কেও আমি জানি না। শৃঙ্খলাজনিত কারণে তাহসিফকে বিমানবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসরে পাঠানো হয়েছিল।
তাহসিফের সঙ্গে সর্বশেষ দেখা হওয়া দীপ বলেন, নষ্ট মোটরসাইকেলটি মেরামত করাতে আমরা উত্তরার একটি গ্যারেজে গিয়েছিলাম। মেরামত শেষে রাজউক অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে আমরা একটি রেস্তোরাঁয় খাবার খাই। এরপর দীপ বাসায় চলে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তাহসিফের মৃত্যুর কারণ, তার নিখোঁজ হওয়ার পেছনের পরিস্থিতি এবং মোটরসাইকেলটির অবস্থান—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। তদন্তের অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করছে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন।

শরীরে নেই আঘাতের চিহ্ন, এখনো নিখোঁজ তাহসিফের মোটরসাইকেল
রাকিব হাসান

নষ্ট মোটরসাইকেল মেরামত করতে বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির। নিখোঁজের এক দিন পর রাজধানীর উত্তরখানের তুরাগ নদীর রাজবাড়ী ঘাট থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো উদ্ধার হয়নি তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি।
মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনের বর্ণনায় বলা হয়েছে, তার উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। মাথার চুল কালো, মুখে ছোট ছোট কালো দাড়ি ও গোঁফ ছিল। তার চোখ ও মুখ বন্ধ ছিল। নাক দিয়ে রক্ত বের হতে দেখা যায়। দুই হাত মাথার সামনের দিকে বাঁকানো এবং মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় ছিল। পেটও ফোলা ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তার বুক, পেট, পিঠ, দুই পা ও যৌনাঙ্গ স্বাভাবিক ছিল। শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। উদ্ধারের সময় তার পরনে ছিল কালো রঙের ফুলহাতা কাবলি শার্ট ও সাদা ট্রাউজার।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে তার পরিবার। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক অ্যাপার্টমেন্টের কবরী ভবনের নিচে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফকে দেখা যায়। বাসা থেকে বেরিয়ে তিনি তার এলাকার পূর্বপরিচিত শাহরিয়ার রেজা দীপের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। কিছুক্ষণ পর নষ্ট মোটরসাইকেলটি ঠেলে নিয়ে আসেন। পরে মোটরসাইকেলটি চালু করে সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে দীপকে সঙ্গে নিয়ে বাসা থেকে বের হন তিনি।
এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তাহসিফ। পরদিন বুধবার (২৮ অক্টোবর) উত্তরখানের তুরাগ নদীর রাজবাড়ী ঘাট এলাকায় কচুরিপানার নিচে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে।
উদ্ধারের সময় মরদেহের পকেটে একটি আইফোন পাওয়া যায়। ওই ফোনে একটি কল আসার পর পরিচয় শনাক্তের সূত্র পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, মরদেহটি নিখোঁজ সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় মায়ের সঙ্গে কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরেন তাহসিফ। পরে দীপের সঙ্গে বেরিয়ে যান। সর্বশেষ বাবার সঙ্গে কথা হয় তার। শুধু বলেছিলেন, ‘আসছি’। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তাহসিফের বাবা বলেন, ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় কারা জড়িত, সে বিষয়ে আমি কিছু জানেন না। ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কেও আমি জানি না। শৃঙ্খলাজনিত কারণে তাহসিফকে বিমানবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসরে পাঠানো হয়েছিল।
তাহসিফের সঙ্গে সর্বশেষ দেখা হওয়া দীপ বলেন, নষ্ট মোটরসাইকেলটি মেরামত করাতে আমরা উত্তরার একটি গ্যারেজে গিয়েছিলাম। মেরামত শেষে রাজউক অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে আমরা একটি রেস্তোরাঁয় খাবার খাই। এরপর দীপ বাসায় চলে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তাহসিফের মৃত্যুর কারণ, তার নিখোঁজ হওয়ার পেছনের পরিস্থিতি এবং মোটরসাইকেলটির অবস্থান—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। তদন্তের অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করছে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন।

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের সুরতহাল প্রতিবেদনে যা আছে







