রাজধানীতে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ৫ হাজার পানির জার ধ্বংস

রাজধানীতে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ৫ হাজার পানির জার ধ্বংস
নিজস্ব প্রতিবেদক

অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা জারে পানি সরবরাহ এবং বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়া পানি বাজারজাত করার অভিযোগে রাজধানীর এলিফেন্ট রোডের গাউছিয়া, বাটা সিগন্যাল মোড় ও ঢাকা কলেজের সামনে ৫-৬টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ হাজার পানির জার ধ্বংস করেছে বিএসটিআই। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে পরিচালিত বিশেষ সার্ভিল্যান্স অভিযানে এসব জার ধ্বংস করা হয়।
এলাকাবাসী বলছেন, বিএসটিআইয়ের অভিযান হলে কিছুদিন বন্ধ থাকে। পরে আবার আগের মতোই নিয়মবহির্ভূতভাবে অনুমোদিত, নোংরা ও দূষিত পানির জার বিক্রি হয়।
বিএসটিআই তথ্যমতে, এসব এলাকায় ৫-৬ টি কোম্পানি পানি বিক্রি করছে।
গাউছিয়া মার্কেটের এক দোকানি বলেন, তিন থেকে ছয় মাস পরে একদিন অভিযান হলে কিছুদিন ভালো যায়। পরে আবার আগের মতোই হয়ে যায়। এমন অভিযান তো আর নিয়মিত হয় না। আজকে অভিযান হচ্ছে, কাল সকালে আবার আগের মতোই নোংরা পানির জার বিক্রি হবে।

এক পানি বিক্রেতা বলেন, পানির জার জব্দ করে আমাদের ক্ষতি করা হচ্ছে। পারলে আপনারা কোম্পানি বন্ধ করে দিন। আমরা ২১০ টাকা করে প্রতিটি জারের পানি কিনে আনি। এখন লোকসানটা তো আমাদের হচ্ছে।
বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক এসএম আবু সাইদ বলেন, সকাল ৬টা থেকেই গাউছিয়া, ইস্টার্ন মল্লিকা, বাটা সিগন্যাল মোড় ও ঢাকা কলেজের সামনে অবস্থান নিই। এসময় জারে দূষিত পানি বিক্রি করতে দেখতে পাই। এগুলো অবৈধ, যারা বিক্রি করে তারা অসাধু ব্যবসায়ী। ৫-৬ টি কোম্পানি পানি বিক্রি করছে। অভিযানে প্রায় ৫ হাজার পানির জার ধ্বংস করতে সমর্থ হয়েছি। এর মধ্যে মাত্র একটি কোম্পানির লাইসেন্স আছে। তারাও নোংরা জারে পানি বিতরণ করছে। বাকিগুলো বিএসটিআইয়ের থেকে কোনো লাইসেন্স নেয়নি।

তিনি বলেন, দুই-একটা জারে লেবেল দেখেছি। কিন্তু সেগুলোতে কিউআর কোড নেই। এজন্য এগুলোও অবৈধ। নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর। পানি খাওয়ার মতো উপযোগী নয়। এছাড়া কিছু জারের গায়ে ২০ লিটার লেখা থাকলেও পরিমাপ করে দেখা গেছে সেখানে দেড় থেকে দুই লিটার পানি কম রয়েছে।

বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক বলেন, অভিযান পরিচালনার সময় কাউকে আটক করা হয়নি। কেউ সামনেও আসেনি।
তিনি আরও বলেন, ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে বিএসটিআইয়ের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেখানে মানহীন ও ভেজাল পণ্যের সন্ধান পাওয়া যাবে, সেখানেই অভিযান চলবে।
পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন ও লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের পরামর্শ দেন বিএসটিআইয়ের এই কর্মকর্তা।

অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা জারে পানি সরবরাহ এবং বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়া পানি বাজারজাত করার অভিযোগে রাজধানীর এলিফেন্ট রোডের গাউছিয়া, বাটা সিগন্যাল মোড় ও ঢাকা কলেজের সামনে ৫-৬টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ হাজার পানির জার ধ্বংস করেছে বিএসটিআই। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে পরিচালিত বিশেষ সার্ভিল্যান্স অভিযানে এসব জার ধ্বংস করা হয়।
এলাকাবাসী বলছেন, বিএসটিআইয়ের অভিযান হলে কিছুদিন বন্ধ থাকে। পরে আবার আগের মতোই নিয়মবহির্ভূতভাবে অনুমোদিত, নোংরা ও দূষিত পানির জার বিক্রি হয়।
বিএসটিআই তথ্যমতে, এসব এলাকায় ৫-৬ টি কোম্পানি পানি বিক্রি করছে।
গাউছিয়া মার্কেটের এক দোকানি বলেন, তিন থেকে ছয় মাস পরে একদিন অভিযান হলে কিছুদিন ভালো যায়। পরে আবার আগের মতোই হয়ে যায়। এমন অভিযান তো আর নিয়মিত হয় না। আজকে অভিযান হচ্ছে, কাল সকালে আবার আগের মতোই নোংরা পানির জার বিক্রি হবে।

এক পানি বিক্রেতা বলেন, পানির জার জব্দ করে আমাদের ক্ষতি করা হচ্ছে। পারলে আপনারা কোম্পানি বন্ধ করে দিন। আমরা ২১০ টাকা করে প্রতিটি জারের পানি কিনে আনি। এখন লোকসানটা তো আমাদের হচ্ছে।
বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক এসএম আবু সাইদ বলেন, সকাল ৬টা থেকেই গাউছিয়া, ইস্টার্ন মল্লিকা, বাটা সিগন্যাল মোড় ও ঢাকা কলেজের সামনে অবস্থান নিই। এসময় জারে দূষিত পানি বিক্রি করতে দেখতে পাই। এগুলো অবৈধ, যারা বিক্রি করে তারা অসাধু ব্যবসায়ী। ৫-৬ টি কোম্পানি পানি বিক্রি করছে। অভিযানে প্রায় ৫ হাজার পানির জার ধ্বংস করতে সমর্থ হয়েছি। এর মধ্যে মাত্র একটি কোম্পানির লাইসেন্স আছে। তারাও নোংরা জারে পানি বিতরণ করছে। বাকিগুলো বিএসটিআইয়ের থেকে কোনো লাইসেন্স নেয়নি।

তিনি বলেন, দুই-একটা জারে লেবেল দেখেছি। কিন্তু সেগুলোতে কিউআর কোড নেই। এজন্য এগুলোও অবৈধ। নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর। পানি খাওয়ার মতো উপযোগী নয়। এছাড়া কিছু জারের গায়ে ২০ লিটার লেখা থাকলেও পরিমাপ করে দেখা গেছে সেখানে দেড় থেকে দুই লিটার পানি কম রয়েছে।

বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক বলেন, অভিযান পরিচালনার সময় কাউকে আটক করা হয়নি। কেউ সামনেও আসেনি।
তিনি আরও বলেন, ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে বিএসটিআইয়ের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেখানে মানহীন ও ভেজাল পণ্যের সন্ধান পাওয়া যাবে, সেখানেই অভিযান চলবে।
পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন ও লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের পরামর্শ দেন বিএসটিআইয়ের এই কর্মকর্তা।

রাজধানীতে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ৫ হাজার পানির জার ধ্বংস
নিজস্ব প্রতিবেদক

অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা জারে পানি সরবরাহ এবং বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়া পানি বাজারজাত করার অভিযোগে রাজধানীর এলিফেন্ট রোডের গাউছিয়া, বাটা সিগন্যাল মোড় ও ঢাকা কলেজের সামনে ৫-৬টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ হাজার পানির জার ধ্বংস করেছে বিএসটিআই। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে পরিচালিত বিশেষ সার্ভিল্যান্স অভিযানে এসব জার ধ্বংস করা হয়।
এলাকাবাসী বলছেন, বিএসটিআইয়ের অভিযান হলে কিছুদিন বন্ধ থাকে। পরে আবার আগের মতোই নিয়মবহির্ভূতভাবে অনুমোদিত, নোংরা ও দূষিত পানির জার বিক্রি হয়।
বিএসটিআই তথ্যমতে, এসব এলাকায় ৫-৬ টি কোম্পানি পানি বিক্রি করছে।
গাউছিয়া মার্কেটের এক দোকানি বলেন, তিন থেকে ছয় মাস পরে একদিন অভিযান হলে কিছুদিন ভালো যায়। পরে আবার আগের মতোই হয়ে যায়। এমন অভিযান তো আর নিয়মিত হয় না। আজকে অভিযান হচ্ছে, কাল সকালে আবার আগের মতোই নোংরা পানির জার বিক্রি হবে।

এক পানি বিক্রেতা বলেন, পানির জার জব্দ করে আমাদের ক্ষতি করা হচ্ছে। পারলে আপনারা কোম্পানি বন্ধ করে দিন। আমরা ২১০ টাকা করে প্রতিটি জারের পানি কিনে আনি। এখন লোকসানটা তো আমাদের হচ্ছে।
বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক এসএম আবু সাইদ বলেন, সকাল ৬টা থেকেই গাউছিয়া, ইস্টার্ন মল্লিকা, বাটা সিগন্যাল মোড় ও ঢাকা কলেজের সামনে অবস্থান নিই। এসময় জারে দূষিত পানি বিক্রি করতে দেখতে পাই। এগুলো অবৈধ, যারা বিক্রি করে তারা অসাধু ব্যবসায়ী। ৫-৬ টি কোম্পানি পানি বিক্রি করছে। অভিযানে প্রায় ৫ হাজার পানির জার ধ্বংস করতে সমর্থ হয়েছি। এর মধ্যে মাত্র একটি কোম্পানির লাইসেন্স আছে। তারাও নোংরা জারে পানি বিতরণ করছে। বাকিগুলো বিএসটিআইয়ের থেকে কোনো লাইসেন্স নেয়নি।

তিনি বলেন, দুই-একটা জারে লেবেল দেখেছি। কিন্তু সেগুলোতে কিউআর কোড নেই। এজন্য এগুলোও অবৈধ। নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর। পানি খাওয়ার মতো উপযোগী নয়। এছাড়া কিছু জারের গায়ে ২০ লিটার লেখা থাকলেও পরিমাপ করে দেখা গেছে সেখানে দেড় থেকে দুই লিটার পানি কম রয়েছে।

বিএসটিআইয়ের উপ-পরিচালক বলেন, অভিযান পরিচালনার সময় কাউকে আটক করা হয়নি। কেউ সামনেও আসেনি।
তিনি আরও বলেন, ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে বিএসটিআইয়ের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেখানে মানহীন ও ভেজাল পণ্যের সন্ধান পাওয়া যাবে, সেখানেই অভিযান চলবে।
পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন ও লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের পরামর্শ দেন বিএসটিআইয়ের এই কর্মকর্তা।

মতিঝিলে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ৬শর বেশি পানির জার ধ্বংস







