বোর্ড গঠন করেও শৃঙ্খলা ফেরেনি, আগের মতোই চলছে রাজউক

বোর্ড গঠন করেও শৃঙ্খলা ফেরেনি, আগের মতোই চলছে রাজউক
নিজস্ব প্রতিবেদক

অনিয়ম-দুর্নীতি কমানো, শৃঙ্খলা ফেরানো এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চলতি বছরের শুরুতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (রাজউক) একটি বোর্ড গঠন করা হয়। কিন্তু ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও বোর্ডটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন কাঠামো চালু হলেও কার্যত পুরোনো পদ্ধতিতেই চলছে রাজউক। ফলে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি ফেরানোর উদ্যোগ প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে না।
রাজউক অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী গত ৮ ফেব্রুয়ারি গঠিত হয় রাজউক বোর্ড। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীকে সভাপতি, একই মন্ত্রণালয়ে সচিবকে সহসভাপতি ও রাজউক চেয়ারম্যানকে সদস্য সচিব করে মোট ১৩ সদস্যের বোর্ড গঠন করা হয়।
বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন– স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. ইশরাত ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের (ইউআরপি) অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ ও বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের (আইএবি) সভাপতি ড. আবু সাঈদ এম আহমেদ।
এছাড়া জাতীয় সংসদের স্পিকার কর্তৃক মনোনীত রাজধানীর বাইরে থেকে নির্বাচিত দুজন সংসদ সদস্য ও সুশীল সমাজের একজন প্রতিনিধিও থাকবেন সদস্য হিসেবে।
রাজউক বোর্ড গঠনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, রাজউক অধ্যাদেশের অধীনে প্রণীত কৌশলগত পরিকল্পনা, বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা এবং সব ধরনের প্রকল্প ও পরিকল্পনার ক্ষেত্রে নীতিনির্দেশনা প্রণয়ন করবে বোর্ড। এসব পরিকল্পনা ও প্রকল্পে কোনো সংশোধনের প্রয়োজন হলে সে বিষয়েও সুপারিশ করবে তারা।
এছাড়া সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত এলাকা ঘোষণা, বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রণয়ন, রাজউকের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো মূল্যায়ন এবং সরকারের অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা, রাজউকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দেশিকা প্রণয়ন, বার্ষিক প্রতিবেদন, বাজেট ও সম্পূরক বাজেট মূল্যায়ন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন মূল্যায়ন ও অনুমোদনের দায়িত্বও বোর্ডের।
একইসঙ্গে বোর্ড সভার কার্যপদ্ধতিও নির্ধারণ করবে তারা। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতি দুই মাসে অন্তত একটি বোর্ডসভা আয়োজন করতে হবে এবং সভার কার্যবিবরণী রাজউকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।
রাজউক বোর্ডের একাধিক সদস্য অভিযোগ করেছেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির অনেক কার্যক্রমই বোর্ডের সিদ্ধান্ত ছাড়া পরিচালিত হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও বোর্ডকে পাশ কাটানো হচ্ছে।
নগর পরিকল্পনাবিদ ও রাজউক বোর্ডের সদস্য ড. আকতার মাহমুদ জানান, রাজউক বোর্ড গঠনের পর ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি সভা হয়েছে। সেসব সভাতেও তেমন কার্যকর আলোচনা হয়নি। এমনকি সভার কার্যবিবরণীও তারা পাননি।
বোর্ড সদস্যরা জানিয়েছেন, এটা আসলে কাগজে-কলমে গঠিত একটি বোর্ড। সবকিছু আগের মতোই চলছে। দীর্ঘদিনের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রাজউককে বের করে আনতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি অনলাইনে নেওয়ার যে সুপারিশ করা হয়েছিল, গত ৮ মাসেও তা বাস্তবায়ন করেনি সংস্থাটি।
তাদের অভিযোগ, অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে প্রয়োজনীয় আগ্রহের অভাবেই পুরো ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করা হচ্ছে না। ফলে অবৈধ অর্থ লেনদেনের সুযোগ এখনো রয়ে গেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম জানান, রাজউক নতুন কোনো প্রকল্প বা নীতি গ্রহণের ক্ষেত্রে বোর্ডের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে রাজউকের নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বোর্ডকে জানানোর প্রয়োজন নেই। এটি মূলত একটি নীতিনির্ধারণী বোর্ড।

অনিয়ম-দুর্নীতি কমানো, শৃঙ্খলা ফেরানো এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চলতি বছরের শুরুতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (রাজউক) একটি বোর্ড গঠন করা হয়। কিন্তু ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও বোর্ডটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন কাঠামো চালু হলেও কার্যত পুরোনো পদ্ধতিতেই চলছে রাজউক। ফলে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি ফেরানোর উদ্যোগ প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে না।
রাজউক অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী গত ৮ ফেব্রুয়ারি গঠিত হয় রাজউক বোর্ড। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীকে সভাপতি, একই মন্ত্রণালয়ে সচিবকে সহসভাপতি ও রাজউক চেয়ারম্যানকে সদস্য সচিব করে মোট ১৩ সদস্যের বোর্ড গঠন করা হয়।
বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন– স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. ইশরাত ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের (ইউআরপি) অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ ও বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের (আইএবি) সভাপতি ড. আবু সাঈদ এম আহমেদ।
এছাড়া জাতীয় সংসদের স্পিকার কর্তৃক মনোনীত রাজধানীর বাইরে থেকে নির্বাচিত দুজন সংসদ সদস্য ও সুশীল সমাজের একজন প্রতিনিধিও থাকবেন সদস্য হিসেবে।
রাজউক বোর্ড গঠনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, রাজউক অধ্যাদেশের অধীনে প্রণীত কৌশলগত পরিকল্পনা, বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা এবং সব ধরনের প্রকল্প ও পরিকল্পনার ক্ষেত্রে নীতিনির্দেশনা প্রণয়ন করবে বোর্ড। এসব পরিকল্পনা ও প্রকল্পে কোনো সংশোধনের প্রয়োজন হলে সে বিষয়েও সুপারিশ করবে তারা।
এছাড়া সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত এলাকা ঘোষণা, বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রণয়ন, রাজউকের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো মূল্যায়ন এবং সরকারের অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা, রাজউকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দেশিকা প্রণয়ন, বার্ষিক প্রতিবেদন, বাজেট ও সম্পূরক বাজেট মূল্যায়ন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন মূল্যায়ন ও অনুমোদনের দায়িত্বও বোর্ডের।
একইসঙ্গে বোর্ড সভার কার্যপদ্ধতিও নির্ধারণ করবে তারা। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতি দুই মাসে অন্তত একটি বোর্ডসভা আয়োজন করতে হবে এবং সভার কার্যবিবরণী রাজউকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।
রাজউক বোর্ডের একাধিক সদস্য অভিযোগ করেছেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির অনেক কার্যক্রমই বোর্ডের সিদ্ধান্ত ছাড়া পরিচালিত হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও বোর্ডকে পাশ কাটানো হচ্ছে।
নগর পরিকল্পনাবিদ ও রাজউক বোর্ডের সদস্য ড. আকতার মাহমুদ জানান, রাজউক বোর্ড গঠনের পর ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি সভা হয়েছে। সেসব সভাতেও তেমন কার্যকর আলোচনা হয়নি। এমনকি সভার কার্যবিবরণীও তারা পাননি।
বোর্ড সদস্যরা জানিয়েছেন, এটা আসলে কাগজে-কলমে গঠিত একটি বোর্ড। সবকিছু আগের মতোই চলছে। দীর্ঘদিনের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রাজউককে বের করে আনতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি অনলাইনে নেওয়ার যে সুপারিশ করা হয়েছিল, গত ৮ মাসেও তা বাস্তবায়ন করেনি সংস্থাটি।
তাদের অভিযোগ, অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে প্রয়োজনীয় আগ্রহের অভাবেই পুরো ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করা হচ্ছে না। ফলে অবৈধ অর্থ লেনদেনের সুযোগ এখনো রয়ে গেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম জানান, রাজউক নতুন কোনো প্রকল্প বা নীতি গ্রহণের ক্ষেত্রে বোর্ডের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে রাজউকের নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বোর্ডকে জানানোর প্রয়োজন নেই। এটি মূলত একটি নীতিনির্ধারণী বোর্ড।

বোর্ড গঠন করেও শৃঙ্খলা ফেরেনি, আগের মতোই চলছে রাজউক
নিজস্ব প্রতিবেদক

অনিয়ম-দুর্নীতি কমানো, শৃঙ্খলা ফেরানো এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চলতি বছরের শুরুতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (রাজউক) একটি বোর্ড গঠন করা হয়। কিন্তু ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও বোর্ডটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন কাঠামো চালু হলেও কার্যত পুরোনো পদ্ধতিতেই চলছে রাজউক। ফলে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি ফেরানোর উদ্যোগ প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে না।
রাজউক অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী গত ৮ ফেব্রুয়ারি গঠিত হয় রাজউক বোর্ড। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীকে সভাপতি, একই মন্ত্রণালয়ে সচিবকে সহসভাপতি ও রাজউক চেয়ারম্যানকে সদস্য সচিব করে মোট ১৩ সদস্যের বোর্ড গঠন করা হয়।
বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন– স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. ইশরাত ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের (ইউআরপি) অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ ও বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের (আইএবি) সভাপতি ড. আবু সাঈদ এম আহমেদ।
এছাড়া জাতীয় সংসদের স্পিকার কর্তৃক মনোনীত রাজধানীর বাইরে থেকে নির্বাচিত দুজন সংসদ সদস্য ও সুশীল সমাজের একজন প্রতিনিধিও থাকবেন সদস্য হিসেবে।
রাজউক বোর্ড গঠনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, রাজউক অধ্যাদেশের অধীনে প্রণীত কৌশলগত পরিকল্পনা, বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা এবং সব ধরনের প্রকল্প ও পরিকল্পনার ক্ষেত্রে নীতিনির্দেশনা প্রণয়ন করবে বোর্ড। এসব পরিকল্পনা ও প্রকল্পে কোনো সংশোধনের প্রয়োজন হলে সে বিষয়েও সুপারিশ করবে তারা।
এছাড়া সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত এলাকা ঘোষণা, বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রণয়ন, রাজউকের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো মূল্যায়ন এবং সরকারের অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা, রাজউকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দেশিকা প্রণয়ন, বার্ষিক প্রতিবেদন, বাজেট ও সম্পূরক বাজেট মূল্যায়ন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন মূল্যায়ন ও অনুমোদনের দায়িত্বও বোর্ডের।
একইসঙ্গে বোর্ড সভার কার্যপদ্ধতিও নির্ধারণ করবে তারা। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতি দুই মাসে অন্তত একটি বোর্ডসভা আয়োজন করতে হবে এবং সভার কার্যবিবরণী রাজউকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।
রাজউক বোর্ডের একাধিক সদস্য অভিযোগ করেছেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির অনেক কার্যক্রমই বোর্ডের সিদ্ধান্ত ছাড়া পরিচালিত হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও বোর্ডকে পাশ কাটানো হচ্ছে।
নগর পরিকল্পনাবিদ ও রাজউক বোর্ডের সদস্য ড. আকতার মাহমুদ জানান, রাজউক বোর্ড গঠনের পর ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি সভা হয়েছে। সেসব সভাতেও তেমন কার্যকর আলোচনা হয়নি। এমনকি সভার কার্যবিবরণীও তারা পাননি।
বোর্ড সদস্যরা জানিয়েছেন, এটা আসলে কাগজে-কলমে গঠিত একটি বোর্ড। সবকিছু আগের মতোই চলছে। দীর্ঘদিনের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রাজউককে বের করে আনতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি অনলাইনে নেওয়ার যে সুপারিশ করা হয়েছিল, গত ৮ মাসেও তা বাস্তবায়ন করেনি সংস্থাটি।
তাদের অভিযোগ, অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে প্রয়োজনীয় আগ্রহের অভাবেই পুরো ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করা হচ্ছে না। ফলে অবৈধ অর্থ লেনদেনের সুযোগ এখনো রয়ে গেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম জানান, রাজউক নতুন কোনো প্রকল্প বা নীতি গ্রহণের ক্ষেত্রে বোর্ডের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে রাজউকের নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বোর্ডকে জানানোর প্রয়োজন নেই। এটি মূলত একটি নীতিনির্ধারণী বোর্ড।

ঋণসুবিধা নিয়েও রাজউকের ৫ আমলার দখলে সরকারি গাড়ি 







