নিয়োগের এক সপ্তাহেও যোগদান করেননি বেরোবির ট্রেজারার

নিয়োগের এক সপ্তাহেও যোগদান করেননি বেরোবির ট্রেজারার
বেরোবি সংবাদদাতা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ট্রেজারার (কোষাধ্যক্ষ) হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে নিয়োগের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও যোগদান করেননি। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে চলছে নানা আলোচনা ও জল্পনা।
গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তার নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
নিয়োগের পর থেকেই তার বিরোধিতা করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম। সংগঠনটির দাবি, অধ্যাপক আবু হানিফ সরকার বিএনপিবিরোধী এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পক্ষের শিক্ষক। এ অভিযোগ তুলে তাকে ট্রেজারার হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না জানিয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে একটি ব্যানারও টানানো হয়।
এদিকে নিয়োগের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও নতুন ট্রেজারার দায়িত্ব গ্রহণ না করায় বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে তিনি কেন এখনও যোগদান করেননি, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ জানানো হয়নি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, অধ্যাপক আবু হানিফ সরকার একজন দায়িত্বশীল, সৎ ও নিষ্ঠাবান শিক্ষক। তাদের বলেন, তিনি একজন দক্ষ অ্যাকাডেমিশিয়ান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে সুপরিচিত।
এ বিষয়ে বেরোবি কর্মকর্তা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মামদুদ রহমান বলেন, নতুন ট্রেজারার বিএনপিবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পক্ষের শিক্ষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে আমরা এই নিয়োগ পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য সচিব সামসুল আরেফিন বলেন, হানিফ স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসিকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করেছেন। জামায়াতের কাজেও ব্যবহার করেছেন। এছাড়া তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপির কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখিনি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপিপন্থি শিক্ষক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, আবু হানিফ আমাদের সদস্য নন। তিনি আমাদের সংগঠনের কোনো সদস্যপদের ফরম পূরণ করেননি। সংগঠনের কোনো কর্মসূচিতেও তাকে কখনো দেখা যায়নি।
অন্যদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকার বলেন, মানুষ তো একজনের বিরুদ্ধে আরেকজন নানা কথা বলতেই পারে। তাই বলে কি প্রমাণের প্রয়োজন নেই? আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হচ্ছে, সেগুলোর কোনো ডকুমেন্ট বা প্রমাণ আছে কি? যখন কোনো প্রমাণই নেই, তখন এসব অভিযোগের বিষয়ে আমি কীভাবে মন্তব্য করব?
যোগদানের ব্যাপারে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ট্রেজারার নিয়োগের বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। নিয়োগ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, অর্থাৎ মহামান্য রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ই ভালো বলতে পারবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহকারী সচিব সুলতান আহমেদ বলেন, প্রজ্ঞাপন বাতিল হয়নি। হতে পারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে যোগদান করতে নিষেধ করেছেন। আর প্রজ্ঞাপন বাতিল হলে সেটিও আপনারা দেখতে পারবেন।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ট্রেজারার (কোষাধ্যক্ষ) হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে নিয়োগের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও যোগদান করেননি। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে চলছে নানা আলোচনা ও জল্পনা।
গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তার নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
নিয়োগের পর থেকেই তার বিরোধিতা করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম। সংগঠনটির দাবি, অধ্যাপক আবু হানিফ সরকার বিএনপিবিরোধী এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পক্ষের শিক্ষক। এ অভিযোগ তুলে তাকে ট্রেজারার হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না জানিয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে একটি ব্যানারও টানানো হয়।
এদিকে নিয়োগের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও নতুন ট্রেজারার দায়িত্ব গ্রহণ না করায় বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে তিনি কেন এখনও যোগদান করেননি, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ জানানো হয়নি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, অধ্যাপক আবু হানিফ সরকার একজন দায়িত্বশীল, সৎ ও নিষ্ঠাবান শিক্ষক। তাদের বলেন, তিনি একজন দক্ষ অ্যাকাডেমিশিয়ান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে সুপরিচিত।
এ বিষয়ে বেরোবি কর্মকর্তা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মামদুদ রহমান বলেন, নতুন ট্রেজারার বিএনপিবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পক্ষের শিক্ষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে আমরা এই নিয়োগ পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য সচিব সামসুল আরেফিন বলেন, হানিফ স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসিকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করেছেন। জামায়াতের কাজেও ব্যবহার করেছেন। এছাড়া তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপির কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখিনি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপিপন্থি শিক্ষক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, আবু হানিফ আমাদের সদস্য নন। তিনি আমাদের সংগঠনের কোনো সদস্যপদের ফরম পূরণ করেননি। সংগঠনের কোনো কর্মসূচিতেও তাকে কখনো দেখা যায়নি।
অন্যদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকার বলেন, মানুষ তো একজনের বিরুদ্ধে আরেকজন নানা কথা বলতেই পারে। তাই বলে কি প্রমাণের প্রয়োজন নেই? আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হচ্ছে, সেগুলোর কোনো ডকুমেন্ট বা প্রমাণ আছে কি? যখন কোনো প্রমাণই নেই, তখন এসব অভিযোগের বিষয়ে আমি কীভাবে মন্তব্য করব?
যোগদানের ব্যাপারে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ট্রেজারার নিয়োগের বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। নিয়োগ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, অর্থাৎ মহামান্য রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ই ভালো বলতে পারবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহকারী সচিব সুলতান আহমেদ বলেন, প্রজ্ঞাপন বাতিল হয়নি। হতে পারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে যোগদান করতে নিষেধ করেছেন। আর প্রজ্ঞাপন বাতিল হলে সেটিও আপনারা দেখতে পারবেন।

নিয়োগের এক সপ্তাহেও যোগদান করেননি বেরোবির ট্রেজারার
বেরোবি সংবাদদাতা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ট্রেজারার (কোষাধ্যক্ষ) হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে নিয়োগের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও যোগদান করেননি। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে চলছে নানা আলোচনা ও জল্পনা।
গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তার নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
নিয়োগের পর থেকেই তার বিরোধিতা করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম। সংগঠনটির দাবি, অধ্যাপক আবু হানিফ সরকার বিএনপিবিরোধী এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পক্ষের শিক্ষক। এ অভিযোগ তুলে তাকে ট্রেজারার হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না জানিয়ে প্রশাসন ভবনের সামনে একটি ব্যানারও টানানো হয়।
এদিকে নিয়োগের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও নতুন ট্রেজারার দায়িত্ব গ্রহণ না করায় বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে তিনি কেন এখনও যোগদান করেননি, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ জানানো হয়নি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, অধ্যাপক আবু হানিফ সরকার একজন দায়িত্বশীল, সৎ ও নিষ্ঠাবান শিক্ষক। তাদের বলেন, তিনি একজন দক্ষ অ্যাকাডেমিশিয়ান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে সুপরিচিত।
এ বিষয়ে বেরোবি কর্মকর্তা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মামদুদ রহমান বলেন, নতুন ট্রেজারার বিএনপিবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পক্ষের শিক্ষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে আমরা এই নিয়োগ পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য সচিব সামসুল আরেফিন বলেন, হানিফ স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসিকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করেছেন। জামায়াতের কাজেও ব্যবহার করেছেন। এছাড়া তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপির কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখিনি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপিপন্থি শিক্ষক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, আবু হানিফ আমাদের সদস্য নন। তিনি আমাদের সংগঠনের কোনো সদস্যপদের ফরম পূরণ করেননি। সংগঠনের কোনো কর্মসূচিতেও তাকে কখনো দেখা যায়নি।
অন্যদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকার বলেন, মানুষ তো একজনের বিরুদ্ধে আরেকজন নানা কথা বলতেই পারে। তাই বলে কি প্রমাণের প্রয়োজন নেই? আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হচ্ছে, সেগুলোর কোনো ডকুমেন্ট বা প্রমাণ আছে কি? যখন কোনো প্রমাণই নেই, তখন এসব অভিযোগের বিষয়ে আমি কীভাবে মন্তব্য করব?
যোগদানের ব্যাপারে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ট্রেজারার নিয়োগের বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। নিয়োগ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, অর্থাৎ মহামান্য রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ই ভালো বলতে পারবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহকারী সচিব সুলতান আহমেদ বলেন, প্রজ্ঞাপন বাতিল হয়নি। হতে পারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে যোগদান করতে নিষেধ করেছেন। আর প্রজ্ঞাপন বাতিল হলে সেটিও আপনারা দেখতে পারবেন।







