আন্তর্জাতিক এক্সপোর জন্য তৈরি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক এক্সপোর জন্য তৈরি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো শেকৃবি শিক্ষার্থীরা
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাণিজ্য মেলার মাঠে কৃষি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের দাবিতে ভাঙচুর চালিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এই মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মাঠ দখলের চেষ্টা চালায়।
সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা দুটি বুলডোজারসহ পুরনো বাণিজ্য মেলার খেলার মাঠে উপস্থিত হন। সেখানে আন্তর্জাতিক এক্সপোর জন্য অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা বলছেন, মাঠটিতে সচিবালয় স্থাপন করতে দেওয়া হবে না। এছাড়া কোনো ধরনের মেলার কার্যক্রমও মাঠে পরিচালনা করা যাবে না। মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকাজে ব্যবহারের জন্য ফিরিয়ে দিতে হবে।
গণপূর্ত, বাণিজ্য এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে মাঠটিতে আন্তর্জাতিক এক্সপোর আয়োজন চলছিল। শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনের গেটসহ অস্থায়ী সব স্থাপনা ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়।
এ সময় তারা ‘আমলা-সচিব বাইরে যাক, আমার ক্যাম্পাস আমার থাক’, ‘জ্বালো জ্বালো, আগুন জ্বালো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
জানতে চাইলে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তকে আমরা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানাচ্ছি। ১৯২০ সালে পুরনো বাণিজ্য মেলার খেলার মাঠসহ আশপাশের সকল জমি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠ গণপূর্ত অধিদপ্তরের নামে নামজারি হয়। তবে খেলার মাঠে এবং আশপাশের পরিবেশ ধরে রাখতে এখানে গবেষণার বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা সরকারকে সময় দিয়েছিলাম। আজকে আমাদের আন্দোলনের পঞ্চম দিন। আমরা চাইনা আমাদের মাঠে অন্য কোন স্থাপনা গড়ে উঠুক। এ সময় শিক্ষার্থীরা প্রায় অর্ধশত দোকান ভাঙচুর করেন। তবে এসব দোকানে কোন মালামাল ছিল না।
এক্সপোর জন্য আয়োজিত মেলায় শিশুদের বিভিন্ন রাইডের স্থাপনাও তৈরি করা হয়েছিল। সেগুলো ছাত্ররা ভাঙতে গেলে রাইড পরিচালনাকারীরা তা দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হবে বলে আন্দোলনকারীদের অনুরোধ করেন।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাণিজ্য মেলার মাঠে কৃষি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের দাবিতে ভাঙচুর চালিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এই মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মাঠ দখলের চেষ্টা চালায়।
সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা দুটি বুলডোজারসহ পুরনো বাণিজ্য মেলার খেলার মাঠে উপস্থিত হন। সেখানে আন্তর্জাতিক এক্সপোর জন্য অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা বলছেন, মাঠটিতে সচিবালয় স্থাপন করতে দেওয়া হবে না। এছাড়া কোনো ধরনের মেলার কার্যক্রমও মাঠে পরিচালনা করা যাবে না। মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকাজে ব্যবহারের জন্য ফিরিয়ে দিতে হবে।
গণপূর্ত, বাণিজ্য এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে মাঠটিতে আন্তর্জাতিক এক্সপোর আয়োজন চলছিল। শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনের গেটসহ অস্থায়ী সব স্থাপনা ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়।
এ সময় তারা ‘আমলা-সচিব বাইরে যাক, আমার ক্যাম্পাস আমার থাক’, ‘জ্বালো জ্বালো, আগুন জ্বালো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
জানতে চাইলে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তকে আমরা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানাচ্ছি। ১৯২০ সালে পুরনো বাণিজ্য মেলার খেলার মাঠসহ আশপাশের সকল জমি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠ গণপূর্ত অধিদপ্তরের নামে নামজারি হয়। তবে খেলার মাঠে এবং আশপাশের পরিবেশ ধরে রাখতে এখানে গবেষণার বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা সরকারকে সময় দিয়েছিলাম। আজকে আমাদের আন্দোলনের পঞ্চম দিন। আমরা চাইনা আমাদের মাঠে অন্য কোন স্থাপনা গড়ে উঠুক। এ সময় শিক্ষার্থীরা প্রায় অর্ধশত দোকান ভাঙচুর করেন। তবে এসব দোকানে কোন মালামাল ছিল না।
এক্সপোর জন্য আয়োজিত মেলায় শিশুদের বিভিন্ন রাইডের স্থাপনাও তৈরি করা হয়েছিল। সেগুলো ছাত্ররা ভাঙতে গেলে রাইড পরিচালনাকারীরা তা দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হবে বলে আন্দোলনকারীদের অনুরোধ করেন।

আন্তর্জাতিক এক্সপোর জন্য তৈরি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো শেকৃবি শিক্ষার্থীরা
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাণিজ্য মেলার মাঠে কৃষি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের দাবিতে ভাঙচুর চালিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এই মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মাঠ দখলের চেষ্টা চালায়।
সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা দুটি বুলডোজারসহ পুরনো বাণিজ্য মেলার খেলার মাঠে উপস্থিত হন। সেখানে আন্তর্জাতিক এক্সপোর জন্য অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা বলছেন, মাঠটিতে সচিবালয় স্থাপন করতে দেওয়া হবে না। এছাড়া কোনো ধরনের মেলার কার্যক্রমও মাঠে পরিচালনা করা যাবে না। মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকাজে ব্যবহারের জন্য ফিরিয়ে দিতে হবে।
গণপূর্ত, বাণিজ্য এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে মাঠটিতে আন্তর্জাতিক এক্সপোর আয়োজন চলছিল। শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনের গেটসহ অস্থায়ী সব স্থাপনা ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়।
এ সময় তারা ‘আমলা-সচিব বাইরে যাক, আমার ক্যাম্পাস আমার থাক’, ‘জ্বালো জ্বালো, আগুন জ্বালো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
জানতে চাইলে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তকে আমরা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানাচ্ছি। ১৯২০ সালে পুরনো বাণিজ্য মেলার খেলার মাঠসহ আশপাশের সকল জমি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠ গণপূর্ত অধিদপ্তরের নামে নামজারি হয়। তবে খেলার মাঠে এবং আশপাশের পরিবেশ ধরে রাখতে এখানে গবেষণার বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা সরকারকে সময় দিয়েছিলাম। আজকে আমাদের আন্দোলনের পঞ্চম দিন। আমরা চাইনা আমাদের মাঠে অন্য কোন স্থাপনা গড়ে উঠুক। এ সময় শিক্ষার্থীরা প্রায় অর্ধশত দোকান ভাঙচুর করেন। তবে এসব দোকানে কোন মালামাল ছিল না।
এক্সপোর জন্য আয়োজিত মেলায় শিশুদের বিভিন্ন রাইডের স্থাপনাও তৈরি করা হয়েছিল। সেগুলো ছাত্ররা ভাঙতে গেলে রাইড পরিচালনাকারীরা তা দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হবে বলে আন্দোলনকারীদের অনুরোধ করেন।

সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শেকৃবির
শিক্ষার্থীরা কেন লাগাতার আন্দোলনে







