গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হয়েছে: রুয়েট উপাচার্য

গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হয়েছে: রুয়েট উপাচার্য
রুয়েট সংবাদদাতা

গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক।
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই মাসে সূচিত ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দীর্ঘ প্রায় দেড় দশকের অত্যাচার, নির্যাতন, গুম, খুন ও ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল। ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটে এবং একটি নতুন, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’
বুধবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠানে রুয়েট উপাচার্য এসব কথা বলেন। দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এর মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ, আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করতে র্যালি, বৃক্ষরোপণ, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে ‘জুলাই-২০২৪ গণঅভ্যুত্থান’ স্মরণে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে তালাইমারী মোড় ঘুরে আবার প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
একই দিনে প্রশাসনিক ভবনের ২১৭ নম্বর কক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান এবং শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। নিজ নিজ অঙ্কন সামগ্রী ব্যবহার করে তারা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী বাংলাদেশ’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৮ আগস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত রচনা জমা দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।
বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মোনাজাত অনুষ্ঠানে উপাচার্য শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক।
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই মাসে সূচিত ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দীর্ঘ প্রায় দেড় দশকের অত্যাচার, নির্যাতন, গুম, খুন ও ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল। ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটে এবং একটি নতুন, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’
বুধবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠানে রুয়েট উপাচার্য এসব কথা বলেন। দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এর মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ, আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করতে র্যালি, বৃক্ষরোপণ, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে ‘জুলাই-২০২৪ গণঅভ্যুত্থান’ স্মরণে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে তালাইমারী মোড় ঘুরে আবার প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
একই দিনে প্রশাসনিক ভবনের ২১৭ নম্বর কক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান এবং শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। নিজ নিজ অঙ্কন সামগ্রী ব্যবহার করে তারা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী বাংলাদেশ’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৮ আগস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত রচনা জমা দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।
বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মোনাজাত অনুষ্ঠানে উপাচার্য শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হয়েছে: রুয়েট উপাচার্য
রুয়েট সংবাদদাতা

গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক।
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই মাসে সূচিত ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দীর্ঘ প্রায় দেড় দশকের অত্যাচার, নির্যাতন, গুম, খুন ও ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল। ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটে এবং একটি নতুন, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’
বুধবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠানে রুয়েট উপাচার্য এসব কথা বলেন। দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এর মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ, আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করতে র্যালি, বৃক্ষরোপণ, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে ‘জুলাই-২০২৪ গণঅভ্যুত্থান’ স্মরণে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে তালাইমারী মোড় ঘুরে আবার প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
একই দিনে প্রশাসনিক ভবনের ২১৭ নম্বর কক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান এবং শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। নিজ নিজ অঙ্কন সামগ্রী ব্যবহার করে তারা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী বাংলাদেশ’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৮ আগস্ট বিকেল ৫টা পর্যন্ত রচনা জমা দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।
বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মোনাজাত অনুষ্ঠানে উপাচার্য শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

রুয়েটে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন মিট’ অনুষ্ঠিত







