পশ্চিমা গণমাধ্যমের যুদ্ধের বয়ান পক্ষপাতদুষ্ট: ইরানি রাষ্ট্রদূত

পশ্চিমা গণমাধ্যমের যুদ্ধের বয়ান পক্ষপাতদুষ্ট: ইরানি রাষ্ট্রদূত
জবি প্রতিনিধি

পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমগুলো পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহকে অন্যায় ও পক্ষপাতদুষ্টভাবে উপস্থাপন করছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী। তিনি অভিযোগ করেন, ফিলিস্তিন ও গাজার নির্যাতিত ও বাস্তুচ্যুত মানুষকে সন্ত্রাসী এবং ইসরায়েলিদের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব গণমাধ্যম: নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, “বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে পশ্চিমারা বা যুক্তরাষ্ট্র যখন আক্রমণ চালায়, তখন তাদের যুদ্ধের বিভিন্ন দিক থাকে। তার মধ্যে অন্যতম প্রধান দিক হলো ‘মিডিয়া যুদ্ধ’ বা গণমাধ্যম যুদ্ধ।”
তিনি বলেন, “পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমগুলোতে দৃশ্যপট এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন ফিলিস্তিন ও গাজার নির্যাতিত ও বাস্তুচ্যুত মানুষগুলো সন্ত্রাসী, আর যেসব ইসরায়েলি হাজার হাজার মানুষ হত্যা করছে, তারা নাকি ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রক্ষক!”
জাহানাবাদী বলেন, “পশ্চিমাদের এই যুদ্ধের বয়ান বা ন্যারেটিভ সম্পূর্ণ অন্যায় ও পক্ষপাতদুষ্ট।”
স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই পরিস্থিতিতে একটি স্বাধীন গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব হলো বিশ্বমঞ্চে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ন্যায়বিচারের ঘটনাগুলো সঠিকভাবে তুলে ধরা।”
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে স্বাধীন গণমাধ্যমকে কোনো পক্ষের হয়ে কাজ না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই তারা সত্য, ন্যায়বিচার এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতির পক্ষে থাকুক।”
যুদ্ধের সময় বেসামরিক স্থাপনা ও মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন বা যুদ্ধ আইনের অধীনে হাসপাতাল, শিশু, বিদ্যালয়, নারী কিংবা ঐতিহাসিক স্থাপনায় আক্রমণ বৈধ কি না, তা গণমাধ্যমের সামনে প্রশ্ন হিসেবে আসা উচিত।”
তিনি অভিযোগ করেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যুদ্ধক্ষেত্রে যে কর্মকাণ্ড করছে, পশ্চিমা গণমাধ্যমের একটি অংশ সেগুলো আড়াল করার এবং যৌক্তিকতা দেখানোর চেষ্টা করছে।”
বিশ্বের গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জাহানাবাদী বলেন, “আপনারা ইরানে আসুন। স্বচক্ষে দেখুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সেখানে মানবতাবিরোধী কী পরিমাণ যুদ্ধাপরাধ ঘটিয়েছে।”
বক্তব্যের শুরুতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ ইরানিদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সম্পর্ক অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আশা করেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক গ্রেগরি জে. সিমনস। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দীন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।
এছাড়া আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক এবং আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আহমদ ইহসানুল কবীর ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমগুলো পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহকে অন্যায় ও পক্ষপাতদুষ্টভাবে উপস্থাপন করছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী। তিনি অভিযোগ করেন, ফিলিস্তিন ও গাজার নির্যাতিত ও বাস্তুচ্যুত মানুষকে সন্ত্রাসী এবং ইসরায়েলিদের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব গণমাধ্যম: নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, “বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে পশ্চিমারা বা যুক্তরাষ্ট্র যখন আক্রমণ চালায়, তখন তাদের যুদ্ধের বিভিন্ন দিক থাকে। তার মধ্যে অন্যতম প্রধান দিক হলো ‘মিডিয়া যুদ্ধ’ বা গণমাধ্যম যুদ্ধ।”
তিনি বলেন, “পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমগুলোতে দৃশ্যপট এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন ফিলিস্তিন ও গাজার নির্যাতিত ও বাস্তুচ্যুত মানুষগুলো সন্ত্রাসী, আর যেসব ইসরায়েলি হাজার হাজার মানুষ হত্যা করছে, তারা নাকি ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রক্ষক!”
জাহানাবাদী বলেন, “পশ্চিমাদের এই যুদ্ধের বয়ান বা ন্যারেটিভ সম্পূর্ণ অন্যায় ও পক্ষপাতদুষ্ট।”
স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই পরিস্থিতিতে একটি স্বাধীন গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব হলো বিশ্বমঞ্চে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ন্যায়বিচারের ঘটনাগুলো সঠিকভাবে তুলে ধরা।”
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে স্বাধীন গণমাধ্যমকে কোনো পক্ষের হয়ে কাজ না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই তারা সত্য, ন্যায়বিচার এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতির পক্ষে থাকুক।”
যুদ্ধের সময় বেসামরিক স্থাপনা ও মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন বা যুদ্ধ আইনের অধীনে হাসপাতাল, শিশু, বিদ্যালয়, নারী কিংবা ঐতিহাসিক স্থাপনায় আক্রমণ বৈধ কি না, তা গণমাধ্যমের সামনে প্রশ্ন হিসেবে আসা উচিত।”
তিনি অভিযোগ করেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যুদ্ধক্ষেত্রে যে কর্মকাণ্ড করছে, পশ্চিমা গণমাধ্যমের একটি অংশ সেগুলো আড়াল করার এবং যৌক্তিকতা দেখানোর চেষ্টা করছে।”
বিশ্বের গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জাহানাবাদী বলেন, “আপনারা ইরানে আসুন। স্বচক্ষে দেখুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সেখানে মানবতাবিরোধী কী পরিমাণ যুদ্ধাপরাধ ঘটিয়েছে।”
বক্তব্যের শুরুতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ ইরানিদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সম্পর্ক অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আশা করেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক গ্রেগরি জে. সিমনস। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দীন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।
এছাড়া আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক এবং আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আহমদ ইহসানুল কবীর ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

পশ্চিমা গণমাধ্যমের যুদ্ধের বয়ান পক্ষপাতদুষ্ট: ইরানি রাষ্ট্রদূত
জবি প্রতিনিধি

পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমগুলো পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহকে অন্যায় ও পক্ষপাতদুষ্টভাবে উপস্থাপন করছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী। তিনি অভিযোগ করেন, ফিলিস্তিন ও গাজার নির্যাতিত ও বাস্তুচ্যুত মানুষকে সন্ত্রাসী এবং ইসরায়েলিদের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব গণমাধ্যম: নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, “বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে পশ্চিমারা বা যুক্তরাষ্ট্র যখন আক্রমণ চালায়, তখন তাদের যুদ্ধের বিভিন্ন দিক থাকে। তার মধ্যে অন্যতম প্রধান দিক হলো ‘মিডিয়া যুদ্ধ’ বা গণমাধ্যম যুদ্ধ।”
তিনি বলেন, “পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমগুলোতে দৃশ্যপট এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন ফিলিস্তিন ও গাজার নির্যাতিত ও বাস্তুচ্যুত মানুষগুলো সন্ত্রাসী, আর যেসব ইসরায়েলি হাজার হাজার মানুষ হত্যা করছে, তারা নাকি ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রক্ষক!”
জাহানাবাদী বলেন, “পশ্চিমাদের এই যুদ্ধের বয়ান বা ন্যারেটিভ সম্পূর্ণ অন্যায় ও পক্ষপাতদুষ্ট।”
স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই পরিস্থিতিতে একটি স্বাধীন গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব হলো বিশ্বমঞ্চে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ন্যায়বিচারের ঘটনাগুলো সঠিকভাবে তুলে ধরা।”
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে স্বাধীন গণমাধ্যমকে কোনো পক্ষের হয়ে কাজ না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই তারা সত্য, ন্যায়বিচার এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতির পক্ষে থাকুক।”
যুদ্ধের সময় বেসামরিক স্থাপনা ও মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন বা যুদ্ধ আইনের অধীনে হাসপাতাল, শিশু, বিদ্যালয়, নারী কিংবা ঐতিহাসিক স্থাপনায় আক্রমণ বৈধ কি না, তা গণমাধ্যমের সামনে প্রশ্ন হিসেবে আসা উচিত।”
তিনি অভিযোগ করেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যুদ্ধক্ষেত্রে যে কর্মকাণ্ড করছে, পশ্চিমা গণমাধ্যমের একটি অংশ সেগুলো আড়াল করার এবং যৌক্তিকতা দেখানোর চেষ্টা করছে।”
বিশ্বের গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জাহানাবাদী বলেন, “আপনারা ইরানে আসুন। স্বচক্ষে দেখুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সেখানে মানবতাবিরোধী কী পরিমাণ যুদ্ধাপরাধ ঘটিয়েছে।”
বক্তব্যের শুরুতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ ইরানিদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সম্পর্ক অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আশা করেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক গ্রেগরি জে. সিমনস। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দীন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।
এছাড়া আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক এবং আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আহমদ ইহসানুল কবীর ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের, বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
ইরানের প্রস্তাব নাকচ করে কি নিজের বিপদ বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প







