শিরোনাম

‘বিলুপ্ত’ হচ্ছে র‌্যাব, নতুন নামে আসছে বিশেষ বাহিনী

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
‘বিলুপ্ত’ হচ্ছে র‌্যাব, নতুন নামে আসছে বিশেষ বাহিনী
র‌্যাব সদস্য

সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ এবং গুরুতর অপরাধ দমনে গঠিত হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। দি আর্মড পুলিশ অর্ডিন্যান্স ১৯৭৯ (সংশোধনী ২০০৪) অনুসারে বাংলাদেশ পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয় বিশেষ এই বাহিনী। ২০০৪ সালের এপ্রিল থেকে কার্যক্রম শুরু করা এলিট ফোর্সটি প্রথমে সুনামের সঙ্গে কাজ করলেও পরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের জন্য সমালোচিত হয়। এমন পরিস্থিতিতে বাহিনীটির নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’ -এর একটি খসড়া জনসাধারণের মতামতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

খসড়ায় র‌্যাবের বিদ্যমান কাঠামোকে আইনি ভিত্তি দিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে বিশেষায়িত এই ইউনিট গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে বাহিনীটির দায়িত্ব, অভিযান পরিচালনার ক্ষমতা, মামলা তদন্ত, সদস্যদের শৃঙ্খলা এবং নাগরিক অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য আলাদা কমিটি গঠনের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।

খসড়াটি চূড়ান্ত হওয়ার পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত নিয়ে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে। সেখানে অনুমোদন হওয়ার পর আইনে পরিণত করতে জাতীয় সংসদে তোলা হবে। নতুন আইন কার্যকর হলে র‌্যাব-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনি ভিত্তি বিলুপ্ত হবে। তবে নতুন বিধিমালা না হওয়া পর্যন্ত আগের কিছু বিধান কার্যকর থাকবে বলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, এই ইউনিটের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত একটি প্রতীক (লোগো), পতাকা ও সুনির্দিষ্ট পোশাক থাকবে।

‘এসআরবি’ হবে বাংলাদেশ পুলিশের অধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এর নেতৃত্বে থাকবেন অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি, প্লাটুন ও সেকশন গঠন করা যাবে। বাহিনীর সদর দপ্তর থাকবে ঢাকায়, তবে দেশের যে কোনো স্থানে ইউনিট স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

খসড়ায় বলা হয়েছে, শুধু পুলিশ নয়, অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী থেকেও সদস্যদের প্রেষণে এনে এই ইউনিট গঠন করা যাবে। প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ সম্পর্কিত আইনসাপেক্ষে কোনো সদস্যকে নির্ধারিত শর্তাধীনে এই ইউনিটের চাকরিতে প্রেষণে নিযুক্ত বা অস্থায়ীভাবে সংযুক্ত করা যাবে। প্রেষণে নিয়োগের মেয়াদ ন্যূনতম ২ বছর রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

/জেএইচ/