জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি) সচিবালয়ের পরীক্ষানিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। কমিশনের ওয়েবসাইটেও ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদ (সিভিল জজ) নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০২৫-এ সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ ও মনোনীত ২০০ জন প্রার্থীর রোল নম্বর বিধি অনুযায়ী কোটা সংরক্ষণপূর্বক মেধাক্রম থেকে নিচে ক্রমানুসারে প্রকাশ করা হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, কোনো প্রার্থী অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন, যোগ্যতার কোনো ঘাটতি বা আবেদনপত্রে অসঙ্গতি দেখা গেলে ওই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে।
এ ছাড়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের উপস্থিতির স্থান, তারিখ ও সময় যথাসময়ে দৈনিক পত্রিকা, কমিশনের নোটিশ বোর্ড এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। কোনো প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হলে অথবা প্রাক-পরিচয় যাচাই (পুলিশ ভেরিফিকেশন) প্রতিবেদনে কোনো বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়নও বাতিল বলে গণ্য হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই সাময়িক মনোনয়ন কোনো প্রার্থীর নিয়োগের অধিকার সৃষ্টি করে না। প্রকাশিত ফলাফলে কোনো ভুল পরিলক্ষিত হলে বা যুক্তিসংগত কারণে প্রয়োজন হলে কমিশন ফলাফল পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন বা পুনর্নির্ধারণের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি) সচিবালয়ের পরীক্ষানিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। কমিশনের ওয়েবসাইটেও ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদ (সিভিল জজ) নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০২৫-এ সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ ও মনোনীত ২০০ জন প্রার্থীর রোল নম্বর বিধি অনুযায়ী কোটা সংরক্ষণপূর্বক মেধাক্রম থেকে নিচে ক্রমানুসারে প্রকাশ করা হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, কোনো প্রার্থী অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন, যোগ্যতার কোনো ঘাটতি বা আবেদনপত্রে অসঙ্গতি দেখা গেলে ওই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে।
এ ছাড়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের উপস্থিতির স্থান, তারিখ ও সময় যথাসময়ে দৈনিক পত্রিকা, কমিশনের নোটিশ বোর্ড এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। কোনো প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হলে অথবা প্রাক-পরিচয় যাচাই (পুলিশ ভেরিফিকেশন) প্রতিবেদনে কোনো বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়নও বাতিল বলে গণ্য হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই সাময়িক মনোনয়ন কোনো প্রার্থীর নিয়োগের অধিকার সৃষ্টি করে না। প্রকাশিত ফলাফলে কোনো ভুল পরিলক্ষিত হলে বা যুক্তিসংগত কারণে প্রয়োজন হলে কমিশন ফলাফল পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন বা পুনর্নির্ধারণের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি) সচিবালয়ের পরীক্ষানিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। কমিশনের ওয়েবসাইটেও ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদ (সিভিল জজ) নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০২৫-এ সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ ও মনোনীত ২০০ জন প্রার্থীর রোল নম্বর বিধি অনুযায়ী কোটা সংরক্ষণপূর্বক মেধাক্রম থেকে নিচে ক্রমানুসারে প্রকাশ করা হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, কোনো প্রার্থী অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন, যোগ্যতার কোনো ঘাটতি বা আবেদনপত্রে অসঙ্গতি দেখা গেলে ওই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে।
এ ছাড়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের উপস্থিতির স্থান, তারিখ ও সময় যথাসময়ে দৈনিক পত্রিকা, কমিশনের নোটিশ বোর্ড এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। কোনো প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হলে অথবা প্রাক-পরিচয় যাচাই (পুলিশ ভেরিফিকেশন) প্রতিবেদনে কোনো বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়নও বাতিল বলে গণ্য হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই সাময়িক মনোনয়ন কোনো প্রার্থীর নিয়োগের অধিকার সৃষ্টি করে না। প্রকাশিত ফলাফলে কোনো ভুল পরিলক্ষিত হলে বা যুক্তিসংগত কারণে প্রয়োজন হলে কমিশন ফলাফল পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন বা পুনর্নির্ধারণের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।








