
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সংসদ সচিবালয়ে কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ওই কমিটির সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল এমপি।

রাজউকে নকশা অনুমোদনকে ঘিরে বছরের পর বছর ধরে অঘোষিত অর্থ লেনদেনের একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। এই অর্থের কোনো সরকারি হিসাব নেই, কোনো রসিদও দেওয়া হয় না। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের দাবি, টাকা ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে ফাইল এগোয় না।

কখনো নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণে সহযোগিতা, আবার কখনো অবৈধ স্থাপনায় ছাড় দেওয়া বা ভেঙে ফেলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়– এমন অভিযোগ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) মাঠ পর্যায়ে তদারকিতে থাকা কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।