মেমোরি চিপের সংকট, কমছে স্মার্টফোন বিক্রি

মেমোরি চিপের সংকট, কমছে স্মার্টফোন বিক্রি
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোনের বাজারে মন্দা আরও প্রকট হচ্ছে। প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওমডিয়ার সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাসে বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন সরবরাহ আগের বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ কমে ২৭ কোটি ২০ লাখ ইউনিটে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মেমোরি চিপের ঘাটতি, যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার অস্থিরতা এর প্রধান কারণ।
ওমডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মার্টফোন সরবরাহ ৬ শতাংশ কমে যাওয়াকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ২০২৫ সালের শেষ থেকে স্মার্টফোন বাজারে ধারাবাহিকভাবে সরবরাহ কমছে। যা দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, চিপ সংকট ও উৎপাদন ব্যয় বাড়তে থাকায় ২০২৬ সালের বাকি সময়েও বাজারে বড় ধরনের উন্নতির সম্ভাবনা খুবই সীমিত।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে বাজেট বা স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন নির্মাতারা। এক বছরের ব্যবধানে শাওমির সরবরাহ ২৬ শতাংশ এবং অপোর ১৭ শতাংশ কমেছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন বাজারে স্মার্টফোনের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে কোম্পানিগুলো।
চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে অনেক নির্মাতা নতুন মডেল উন্মোচনের সংখ্যাও কমিয়ে দিয়েছে। ফলে আগামী মাসগুলোতে স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে সামগ্রিক মন্দার মধ্যেও তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৬ কোটি ৫ লাখ স্মার্টফোন সরবরাহ করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সামান্য বেশি। এর ফলে বৈশ্বিক বাজারে স্যামসাংয়ের অংশীদারত্ব বেড়ে ২২ শতাংশে পৌঁছেছে।
যদিও বিক্রি কিছুটা বেড়েছে, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব থেকে রেহাই পায়নি দক্ষিণ কোরিয়ার এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। পরিচালন মুনাফা কমে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রথমবারের মতো স্যামসাংয়ের মোবাইল বিভাগ লোকসানে পড়ে। তবে একই সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে মেমোরি ও স্টোরেজ চিপের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মেমোরি চিপ প্রস্তুতকারক হওয়ায় এ খাত থেকে রেকর্ড আয় করে স্যামসাং। যার ফলে মোবাইল বিভাগের লোকসান সত্ত্বেও কোম্পানিটির মোট ত্রৈমাসিক রাজস্ব ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
অন্যদিকে, বাজারে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে অ্যাপলও। দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৫ কোটি ৫১ লাখ আইফোন সরবরাহ করেছে। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি। এর ফলে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে অ্যাপলের অংশীদারত্ব বেড়ে ২০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
ওমডিয়ার বিশ্লেষকদের মতে, আইফোন ১৭ সিরিজের শক্তিশালী বিক্রিই এ সাফল্যের অন্যতম চালিকাশক্তি। পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ালেও এখন পর্যন্ত আইফোনের মূল্য অপরিবর্তিত রাখতে সক্ষম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতের আইফোন উন্মোচনের কৌশলেও পরিবর্তন আনতে পারে অ্যাপল। সম্ভাব্য পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে প্রথমে আইফোন ১৮ প্রো ও আলট্রা সংস্করণ বাজারে আনা হবে। পরে একই বছরের ভিন্ন সময়ে আইফোন ১৮,আইফোন ১৮ই এবং আইফোন এয়ার ২ উন্মোচন করা হতে পারে। অর্থাৎ সব মডেল একসঙ্গে বাজারে আনার পরিবর্তে ধাপে ধাপে প্রকাশের কৌশল গ্রহণ করতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন সংস্করণের আপগ্রেড কর্মসূচিও চালু করেছে অ্যাপল।
ওমডিয়ার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে যেসব নির্মাতা মূল্য নির্ধারণে নমনীয়তা, সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা এবং নতুন বাণিজ্যিক কৌশলের সমন্বয় ঘটাতে পারবে, তারাই ২০২৬ সালের বাকি সময়ের বাজারে সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে।

বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোনের বাজারে মন্দা আরও প্রকট হচ্ছে। প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওমডিয়ার সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাসে বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন সরবরাহ আগের বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ কমে ২৭ কোটি ২০ লাখ ইউনিটে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মেমোরি চিপের ঘাটতি, যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার অস্থিরতা এর প্রধান কারণ।
ওমডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মার্টফোন সরবরাহ ৬ শতাংশ কমে যাওয়াকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ২০২৫ সালের শেষ থেকে স্মার্টফোন বাজারে ধারাবাহিকভাবে সরবরাহ কমছে। যা দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, চিপ সংকট ও উৎপাদন ব্যয় বাড়তে থাকায় ২০২৬ সালের বাকি সময়েও বাজারে বড় ধরনের উন্নতির সম্ভাবনা খুবই সীমিত।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে বাজেট বা স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন নির্মাতারা। এক বছরের ব্যবধানে শাওমির সরবরাহ ২৬ শতাংশ এবং অপোর ১৭ শতাংশ কমেছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন বাজারে স্মার্টফোনের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে কোম্পানিগুলো।
চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে অনেক নির্মাতা নতুন মডেল উন্মোচনের সংখ্যাও কমিয়ে দিয়েছে। ফলে আগামী মাসগুলোতে স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে সামগ্রিক মন্দার মধ্যেও তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৬ কোটি ৫ লাখ স্মার্টফোন সরবরাহ করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সামান্য বেশি। এর ফলে বৈশ্বিক বাজারে স্যামসাংয়ের অংশীদারত্ব বেড়ে ২২ শতাংশে পৌঁছেছে।
যদিও বিক্রি কিছুটা বেড়েছে, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব থেকে রেহাই পায়নি দক্ষিণ কোরিয়ার এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। পরিচালন মুনাফা কমে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রথমবারের মতো স্যামসাংয়ের মোবাইল বিভাগ লোকসানে পড়ে। তবে একই সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে মেমোরি ও স্টোরেজ চিপের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মেমোরি চিপ প্রস্তুতকারক হওয়ায় এ খাত থেকে রেকর্ড আয় করে স্যামসাং। যার ফলে মোবাইল বিভাগের লোকসান সত্ত্বেও কোম্পানিটির মোট ত্রৈমাসিক রাজস্ব ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
অন্যদিকে, বাজারে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে অ্যাপলও। দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৫ কোটি ৫১ লাখ আইফোন সরবরাহ করেছে। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি। এর ফলে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে অ্যাপলের অংশীদারত্ব বেড়ে ২০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
ওমডিয়ার বিশ্লেষকদের মতে, আইফোন ১৭ সিরিজের শক্তিশালী বিক্রিই এ সাফল্যের অন্যতম চালিকাশক্তি। পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ালেও এখন পর্যন্ত আইফোনের মূল্য অপরিবর্তিত রাখতে সক্ষম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতের আইফোন উন্মোচনের কৌশলেও পরিবর্তন আনতে পারে অ্যাপল। সম্ভাব্য পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে প্রথমে আইফোন ১৮ প্রো ও আলট্রা সংস্করণ বাজারে আনা হবে। পরে একই বছরের ভিন্ন সময়ে আইফোন ১৮,আইফোন ১৮ই এবং আইফোন এয়ার ২ উন্মোচন করা হতে পারে। অর্থাৎ সব মডেল একসঙ্গে বাজারে আনার পরিবর্তে ধাপে ধাপে প্রকাশের কৌশল গ্রহণ করতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন সংস্করণের আপগ্রেড কর্মসূচিও চালু করেছে অ্যাপল।
ওমডিয়ার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে যেসব নির্মাতা মূল্য নির্ধারণে নমনীয়তা, সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা এবং নতুন বাণিজ্যিক কৌশলের সমন্বয় ঘটাতে পারবে, তারাই ২০২৬ সালের বাকি সময়ের বাজারে সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে।

মেমোরি চিপের সংকট, কমছে স্মার্টফোন বিক্রি
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোনের বাজারে মন্দা আরও প্রকট হচ্ছে। প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওমডিয়ার সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাসে বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন সরবরাহ আগের বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ কমে ২৭ কোটি ২০ লাখ ইউনিটে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মেমোরি চিপের ঘাটতি, যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার অস্থিরতা এর প্রধান কারণ।
ওমডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মার্টফোন সরবরাহ ৬ শতাংশ কমে যাওয়াকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ২০২৫ সালের শেষ থেকে স্মার্টফোন বাজারে ধারাবাহিকভাবে সরবরাহ কমছে। যা দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, চিপ সংকট ও উৎপাদন ব্যয় বাড়তে থাকায় ২০২৬ সালের বাকি সময়েও বাজারে বড় ধরনের উন্নতির সম্ভাবনা খুবই সীমিত।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে বাজেট বা স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন নির্মাতারা। এক বছরের ব্যবধানে শাওমির সরবরাহ ২৬ শতাংশ এবং অপোর ১৭ শতাংশ কমেছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন বাজারে স্মার্টফোনের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে কোম্পানিগুলো।
চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে অনেক নির্মাতা নতুন মডেল উন্মোচনের সংখ্যাও কমিয়ে দিয়েছে। ফলে আগামী মাসগুলোতে স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে সামগ্রিক মন্দার মধ্যেও তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৬ কোটি ৫ লাখ স্মার্টফোন সরবরাহ করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সামান্য বেশি। এর ফলে বৈশ্বিক বাজারে স্যামসাংয়ের অংশীদারত্ব বেড়ে ২২ শতাংশে পৌঁছেছে।
যদিও বিক্রি কিছুটা বেড়েছে, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব থেকে রেহাই পায়নি দক্ষিণ কোরিয়ার এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। পরিচালন মুনাফা কমে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রথমবারের মতো স্যামসাংয়ের মোবাইল বিভাগ লোকসানে পড়ে। তবে একই সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে মেমোরি ও স্টোরেজ চিপের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মেমোরি চিপ প্রস্তুতকারক হওয়ায় এ খাত থেকে রেকর্ড আয় করে স্যামসাং। যার ফলে মোবাইল বিভাগের লোকসান সত্ত্বেও কোম্পানিটির মোট ত্রৈমাসিক রাজস্ব ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
অন্যদিকে, বাজারে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে অ্যাপলও। দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৫ কোটি ৫১ লাখ আইফোন সরবরাহ করেছে। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি। এর ফলে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে অ্যাপলের অংশীদারত্ব বেড়ে ২০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
ওমডিয়ার বিশ্লেষকদের মতে, আইফোন ১৭ সিরিজের শক্তিশালী বিক্রিই এ সাফল্যের অন্যতম চালিকাশক্তি। পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ালেও এখন পর্যন্ত আইফোনের মূল্য অপরিবর্তিত রাখতে সক্ষম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতের আইফোন উন্মোচনের কৌশলেও পরিবর্তন আনতে পারে অ্যাপল। সম্ভাব্য পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে প্রথমে আইফোন ১৮ প্রো ও আলট্রা সংস্করণ বাজারে আনা হবে। পরে একই বছরের ভিন্ন সময়ে আইফোন ১৮,আইফোন ১৮ই এবং আইফোন এয়ার ২ উন্মোচন করা হতে পারে। অর্থাৎ সব মডেল একসঙ্গে বাজারে আনার পরিবর্তে ধাপে ধাপে প্রকাশের কৌশল গ্রহণ করতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন সংস্করণের আপগ্রেড কর্মসূচিও চালু করেছে অ্যাপল।
ওমডিয়ার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে যেসব নির্মাতা মূল্য নির্ধারণে নমনীয়তা, সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা এবং নতুন বাণিজ্যিক কৌশলের সমন্বয় ঘটাতে পারবে, তারাই ২০২৬ সালের বাকি সময়ের বাজারে সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে।

বিশ্বজুড়ে তীব্র হচ্ছে মেমোরি চিপ সংকট







