আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর
সিটিজেন জার্নাল স্পোর্টস ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এই নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতি শেষে পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে আর খেলবেন না ৪১ বছর বয়সী এই তারকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন পর্তুগাল মহাতারকা।
রোনালদো বলেছেন, আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেননি আল নাসরের এই ফরোয়ার্ড।
২০০৩ সালে পর্তুগালের হয়ে অভিষেক হয় রোনালদোর। জাতীয় দলের জার্সিতে জিতেছেন দুটি উয়েফা নেশন্স লিগ ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ।
গত মাসে পর্তুগালের কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে বিরোধে জড়ান রোনালদো। নেশন্স লিগের একটি ম্যাচে তাকে খেলাতে অস্বীকৃতি জানান কোচ। এর পর দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান। সেই ঘটনার পর এলো আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা।
ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও বার্তায় রোনালদো বলেন, ‘পর্তুগালের মানুষদের বলছি, জাতীয় দলের সাত নম্বর জার্সিটি ফিরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে। জার্সিটি কখনোই শুধু আমার ছিল বলে মনে করিনি। তবে ২৩ বছর ধরে এটি পরার, এর মর্যাদা রক্ষার এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের স্টেডিয়ামে গায়ে জড়িয়ে মাঠে নামার সৌভাগ্য আমার হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার সময় এসেছে জার্সিটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার। সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। কারণ, কিছু সিদ্ধান্ত শুধু মাথা দিয়ে নেওয়া যায় না, হৃদয়েরও ভূমিকা থাকে। ২০০৩ সালের আগস্টে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল এবং যা চিরতরে আমার জীবন বদলে দিয়েছে, তার এবার ইতি ঘটতে যাচ্ছে।’
জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবলার। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড দুটিই তার দখলে।

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এই নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতি শেষে পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে আর খেলবেন না ৪১ বছর বয়সী এই তারকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন পর্তুগাল মহাতারকা।
রোনালদো বলেছেন, আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেননি আল নাসরের এই ফরোয়ার্ড।
২০০৩ সালে পর্তুগালের হয়ে অভিষেক হয় রোনালদোর। জাতীয় দলের জার্সিতে জিতেছেন দুটি উয়েফা নেশন্স লিগ ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ।
গত মাসে পর্তুগালের কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে বিরোধে জড়ান রোনালদো। নেশন্স লিগের একটি ম্যাচে তাকে খেলাতে অস্বীকৃতি জানান কোচ। এর পর দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান। সেই ঘটনার পর এলো আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা।
ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও বার্তায় রোনালদো বলেন, ‘পর্তুগালের মানুষদের বলছি, জাতীয় দলের সাত নম্বর জার্সিটি ফিরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে। জার্সিটি কখনোই শুধু আমার ছিল বলে মনে করিনি। তবে ২৩ বছর ধরে এটি পরার, এর মর্যাদা রক্ষার এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের স্টেডিয়ামে গায়ে জড়িয়ে মাঠে নামার সৌভাগ্য আমার হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার সময় এসেছে জার্সিটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার। সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। কারণ, কিছু সিদ্ধান্ত শুধু মাথা দিয়ে নেওয়া যায় না, হৃদয়েরও ভূমিকা থাকে। ২০০৩ সালের আগস্টে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল এবং যা চিরতরে আমার জীবন বদলে দিয়েছে, তার এবার ইতি ঘটতে যাচ্ছে।’
জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবলার। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড দুটিই তার দখলে।

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর
সিটিজেন জার্নাল স্পোর্টস ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এই নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতি শেষে পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে আর খেলবেন না ৪১ বছর বয়সী এই তারকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন পর্তুগাল মহাতারকা।
রোনালদো বলেছেন, আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেননি আল নাসরের এই ফরোয়ার্ড।
২০০৩ সালে পর্তুগালের হয়ে অভিষেক হয় রোনালদোর। জাতীয় দলের জার্সিতে জিতেছেন দুটি উয়েফা নেশন্স লিগ ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ।
গত মাসে পর্তুগালের কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে বিরোধে জড়ান রোনালদো। নেশন্স লিগের একটি ম্যাচে তাকে খেলাতে অস্বীকৃতি জানান কোচ। এর পর দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান। সেই ঘটনার পর এলো আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা।
ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও বার্তায় রোনালদো বলেন, ‘পর্তুগালের মানুষদের বলছি, জাতীয় দলের সাত নম্বর জার্সিটি ফিরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে। জার্সিটি কখনোই শুধু আমার ছিল বলে মনে করিনি। তবে ২৩ বছর ধরে এটি পরার, এর মর্যাদা রক্ষার এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের স্টেডিয়ামে গায়ে জড়িয়ে মাঠে নামার সৌভাগ্য আমার হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার সময় এসেছে জার্সিটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার। সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। কারণ, কিছু সিদ্ধান্ত শুধু মাথা দিয়ে নেওয়া যায় না, হৃদয়েরও ভূমিকা থাকে। ২০০৩ সালের আগস্টে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল এবং যা চিরতরে আমার জীবন বদলে দিয়েছে, তার এবার ইতি ঘটতে যাচ্ছে।’
জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবলার। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড দুটিই তার দখলে।









