আমি দেশে থাকলে সাহসের জন্য এই তরুণকে জড়িয়ে ধরতাম: শহিদুল আলম

আমি দেশে থাকলে সাহসের জন্য এই তরুণকে জড়িয়ে ধরতাম: শহিদুল আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর তার সাহস ও সংযমের প্রশংসা করে বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও সাংবাদিক শহিদুল আলম বলেছেন, দেশে থাকলে সাহসের জন্য এই তরুনকে জড়িয়ে ধরতাম।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে শহিদুল আলম লিখেন, বাংলাদেশে থাকলে আমি সোজা এই স্টুডিওতে চলে যেতাম এবং এই তরুণকে তার সাহস ও সংযমের জন্য জড়িয়ে ধরতাম। শক্ত থাকো ভাই।
তিনি লিখেন, তার সাহসিকতার প্রশংসা করেই যেন বিষয়টি শেষ না হয়। আমি বিচার চাই, চাঁদাবাজির সংস্কৃতির অবসান চাই। যারা এর বিরুদ্ধে দাঁড়ান, তাদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং যারা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

এর আগে, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকার কাছে নিউ গিনি কন্ডোমিনিয়াম সিটিতে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ উঠেছে, রিয়েল এস্টেট প্রকল্পটির জমির মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। তিনি চাঁদা না দেওয়ার পর এই হামলার ঘটনা ঘটে।
নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের মালিকানাধীন এ আবাসন প্রকল্পে অবস্থিত সালমান মুক্তাদিরের ওই স্টুডিওটির বেশিরভাগ প্রফেশনাল প্রডাকশন সরঞ্জাম, সিসিটিভি ক্যামেরা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে।
হামলার সময় উপস্থিত থাকা স্টুডিওর এক কেয়ারটেকার বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে অন্তত ১০০ থেকে ১৫০ মানুষ জোরপূর্বক ভবনে প্রবেশ করে। এরপর তারা স্টুডিওতে গিয়ে শাটার ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট শুরু করে।
হামলাকারীদের অনেকের মুখেই মাস্ক পরা ছিল। তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় নানা ধরনের অস্ত্র ছিল। ভাঙচুরের একপর্যায়ে তারা দুই কেয়ারটেকারই শৌচাগারে আশ্রয় নেন।
এদিকে, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সালমান মুক্তাদির জানান, এ হামলায় তার কোনো কর্মীর কোনো ক্ষতি হয়নি।
তিনি বলেন, আবাসন প্রকল্পের বেশ কয়েকটি জায়গায় এই হামলা চালানো হয়েছে। জমির মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করে তা না পাওয়ায় স্থানীয় একদল বিএনপি কর্মী এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সালমান মুক্তাদির আরও জানান, ব্যক্তিগতভাবে তার কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেনি।
নিউগিনি প্রোপার্টিজের পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন রকম চাঁদাবাজি, হুমকি-ধমকি, জমি দখলসহ নানান ধরনের কর্মকাণ্ড আমাদের সঙ্গে করে আসতেছে। আজকে সাড়ে ১০টার নাগাদ প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন আসে। সবাই অস্ত্রধারী। সবার হাতে অস্ত্র ছিল। সবাই অস্ত্র নিয়ে আমাদের যে মেইন গেট ছিল গুলি ছুড়তে থাকে। এক পর্যায়ে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা করে তারা।
এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, জমি দখলকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ইসিবি এলাকার একটা অফিসে হামলা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ছুরিসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর তার সাহস ও সংযমের প্রশংসা করে বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও সাংবাদিক শহিদুল আলম বলেছেন, দেশে থাকলে সাহসের জন্য এই তরুনকে জড়িয়ে ধরতাম।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে শহিদুল আলম লিখেন, বাংলাদেশে থাকলে আমি সোজা এই স্টুডিওতে চলে যেতাম এবং এই তরুণকে তার সাহস ও সংযমের জন্য জড়িয়ে ধরতাম। শক্ত থাকো ভাই।
তিনি লিখেন, তার সাহসিকতার প্রশংসা করেই যেন বিষয়টি শেষ না হয়। আমি বিচার চাই, চাঁদাবাজির সংস্কৃতির অবসান চাই। যারা এর বিরুদ্ধে দাঁড়ান, তাদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং যারা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

এর আগে, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকার কাছে নিউ গিনি কন্ডোমিনিয়াম সিটিতে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ উঠেছে, রিয়েল এস্টেট প্রকল্পটির জমির মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। তিনি চাঁদা না দেওয়ার পর এই হামলার ঘটনা ঘটে।
নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের মালিকানাধীন এ আবাসন প্রকল্পে অবস্থিত সালমান মুক্তাদিরের ওই স্টুডিওটির বেশিরভাগ প্রফেশনাল প্রডাকশন সরঞ্জাম, সিসিটিভি ক্যামেরা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে।
হামলার সময় উপস্থিত থাকা স্টুডিওর এক কেয়ারটেকার বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে অন্তত ১০০ থেকে ১৫০ মানুষ জোরপূর্বক ভবনে প্রবেশ করে। এরপর তারা স্টুডিওতে গিয়ে শাটার ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট শুরু করে।
হামলাকারীদের অনেকের মুখেই মাস্ক পরা ছিল। তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় নানা ধরনের অস্ত্র ছিল। ভাঙচুরের একপর্যায়ে তারা দুই কেয়ারটেকারই শৌচাগারে আশ্রয় নেন।
এদিকে, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সালমান মুক্তাদির জানান, এ হামলায় তার কোনো কর্মীর কোনো ক্ষতি হয়নি।
তিনি বলেন, আবাসন প্রকল্পের বেশ কয়েকটি জায়গায় এই হামলা চালানো হয়েছে। জমির মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করে তা না পাওয়ায় স্থানীয় একদল বিএনপি কর্মী এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সালমান মুক্তাদির আরও জানান, ব্যক্তিগতভাবে তার কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেনি।
নিউগিনি প্রোপার্টিজের পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন রকম চাঁদাবাজি, হুমকি-ধমকি, জমি দখলসহ নানান ধরনের কর্মকাণ্ড আমাদের সঙ্গে করে আসতেছে। আজকে সাড়ে ১০টার নাগাদ প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন আসে। সবাই অস্ত্রধারী। সবার হাতে অস্ত্র ছিল। সবাই অস্ত্র নিয়ে আমাদের যে মেইন গেট ছিল গুলি ছুড়তে থাকে। এক পর্যায়ে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা করে তারা।
এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, জমি দখলকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ইসিবি এলাকার একটা অফিসে হামলা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ছুরিসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আমি দেশে থাকলে সাহসের জন্য এই তরুণকে জড়িয়ে ধরতাম: শহিদুল আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর তার সাহস ও সংযমের প্রশংসা করে বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও সাংবাদিক শহিদুল আলম বলেছেন, দেশে থাকলে সাহসের জন্য এই তরুনকে জড়িয়ে ধরতাম।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে শহিদুল আলম লিখেন, বাংলাদেশে থাকলে আমি সোজা এই স্টুডিওতে চলে যেতাম এবং এই তরুণকে তার সাহস ও সংযমের জন্য জড়িয়ে ধরতাম। শক্ত থাকো ভাই।
তিনি লিখেন, তার সাহসিকতার প্রশংসা করেই যেন বিষয়টি শেষ না হয়। আমি বিচার চাই, চাঁদাবাজির সংস্কৃতির অবসান চাই। যারা এর বিরুদ্ধে দাঁড়ান, তাদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং যারা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

এর আগে, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকার কাছে নিউ গিনি কন্ডোমিনিয়াম সিটিতে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ উঠেছে, রিয়েল এস্টেট প্রকল্পটির জমির মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। তিনি চাঁদা না দেওয়ার পর এই হামলার ঘটনা ঘটে।
নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের মালিকানাধীন এ আবাসন প্রকল্পে অবস্থিত সালমান মুক্তাদিরের ওই স্টুডিওটির বেশিরভাগ প্রফেশনাল প্রডাকশন সরঞ্জাম, সিসিটিভি ক্যামেরা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে।
হামলার সময় উপস্থিত থাকা স্টুডিওর এক কেয়ারটেকার বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে অন্তত ১০০ থেকে ১৫০ মানুষ জোরপূর্বক ভবনে প্রবেশ করে। এরপর তারা স্টুডিওতে গিয়ে শাটার ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট শুরু করে।
হামলাকারীদের অনেকের মুখেই মাস্ক পরা ছিল। তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় নানা ধরনের অস্ত্র ছিল। ভাঙচুরের একপর্যায়ে তারা দুই কেয়ারটেকারই শৌচাগারে আশ্রয় নেন।
এদিকে, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সালমান মুক্তাদির জানান, এ হামলায় তার কোনো কর্মীর কোনো ক্ষতি হয়নি।
তিনি বলেন, আবাসন প্রকল্পের বেশ কয়েকটি জায়গায় এই হামলা চালানো হয়েছে। জমির মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করে তা না পাওয়ায় স্থানীয় একদল বিএনপি কর্মী এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সালমান মুক্তাদির আরও জানান, ব্যক্তিগতভাবে তার কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেনি।
নিউগিনি প্রোপার্টিজের পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন রকম চাঁদাবাজি, হুমকি-ধমকি, জমি দখলসহ নানান ধরনের কর্মকাণ্ড আমাদের সঙ্গে করে আসতেছে। আজকে সাড়ে ১০টার নাগাদ প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন আসে। সবাই অস্ত্রধারী। সবার হাতে অস্ত্র ছিল। সবাই অস্ত্র নিয়ে আমাদের যে মেইন গেট ছিল গুলি ছুড়তে থাকে। এক পর্যায়ে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা করে তারা।
এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, জমি দখলকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ইসিবি এলাকার একটা অফিসে হামলা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ছুরিসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর







